শনিবার ৬ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

পর্ব-১৪০: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত। উল্লাস ভাবতেই পারছিল না যে, পোঁটলার মধ্যে এ-সব থাকতে পারে। মঙ্গল মাহাতোকে সে যে ভালো চোখে দেখত, তা নয়; কিন্তু এতটাও ভাবেনি। এ যে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরোলো! সে পোঁটলাটা সামান্য ফাঁক করে দেখতেই তার মধ্যে সাজিয়ে রাখা বেশ কয়েকটা পিস্তল দেখতে পেল।...
পর্ব-১৩৯: শেফালিকার বিপদ

পর্ব-১৩৯: শেফালিকার বিপদ

সেই যে ডাক্তার তাকে এখানে রেখে গেলেন, আর তাঁর টিকিটিও নুনিয়া দেখতে পেল না গত দু’-দিন। অবশ্য সে জানে, নিশ্চয়ই কোনও কারণ আছে, যার জন্য ডাক্তার আসছে না এখানে। তার একটা কারণ যে, তার নিজেরই সেফটি বা নিরাপত্তা, তা সে জানে। সে এখানে আছে জানতে পারলে, যারা তার পিছু ধাওয়া...
পর্ব-১৩৮: আপৎকালীন পরিস্থিতি

পর্ব-১৩৮: আপৎকালীন পরিস্থিতি

ডিএম সাহেব যে তার মেসেজ পেয়ে এত তাড়াতাড়ি রিপ্লাই দেবেন, তা শাক্য আশা করেনি। সে ভেবেছিল, এত রাতে তিনি হয়তো তার মেসেজ সিন করে রেখে দেবেন। কিন্তু না, তিনি সরাসরি ফোন করেছেন। ভদ্রলোক সত্যিই খুব অ্যাকটিভ প্রশাসনিক প্রধান। এই ধরণের লোকদের শাক্য খুব পছন্দ করে। এঁরা কাজের হন।...
পর্ব-১৩৭: জীবনখাতার প্রতি পাতায়

পর্ব-১৩৭: জীবনখাতার প্রতি পাতায়

মিস্টার কাপাডিয়া জানালার ধারে তাঁর অতি প্রিয় গদিআঁটা বড় চেয়ারটায় বসে সামনের ডেস্কে কিছু খাতাপত্র নিয়ে হিসেব কষছিলেন। গভীর রাত আস্তে-আস্তে তরল হয়ে আসছে। আজ সারারাতও তাঁর ঘুম হল না। এমন অনেক রাতই তাঁর ঘুম হয় না। বহুকাল ধরেই। অথচ আর সবার মতো তিনিও নিদ্রাদেবীর আশীর্বাদ...
পর্ব-১৩৬: মত্ত হস্তির দাপাদাপি

পর্ব-১৩৬: মত্ত হস্তির দাপাদাপি

ছবি: প্রতীকী। সংগৃহীত। মালাকার গর্জন করে বললেন, “এত যে কাণ্ড হয়েছে, আমাকে জানাননি কেন?” মালাকারের গর্জনের সামনে কাঁচুমাচু হয়ে শেফালিকা জানালেন, “আজ্ঞে স্যার, আমরা তো জানতাম না যে এখনও ডক্টর ফিরে আসবেন না। তাছাড়া তিনি কখন গেছেন, তা-ও তো আমরা জানতাম না। গোবিন্দ বলায়...

Skip to content