শনিবার ৬ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

ভোরের সূর্য উঠি-উঠি করতে-না-করতেই ভোলারাম ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে। শীত-গ্রীষ্ম কোনও সময়েই এর নড়চড় হয় না। বয়স হয়েছে। পা খানিক টলমল করে আজকাল। অবশ্য যে-যে রাতে মহুয়া কিংবা তাড়ি বেশি করে খায়, তার পরের দিনই পা জানান দেয় যে, বয়স হচ্চে তো বাপু। এখন এত হড়বড় করে না-চললেই নয়। আরও...
পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

ভাগ্য আজ সহায় মনে হল সাইকেলের। বামাপদ যখন ফিরে এসে বলল, “মোটামুটি যা বোঝা যাচ্ছে, লাইন-ক্লিয়ার। বুঝলে সাইকেল দা!” “আমাদের এই শেষ রাতে দেখে কেউ যদি প্রশ্ন করে এত রাতে এখানে কী করছি?” সাইকেল কিছুটা চিন্তিত স্বরে জিজ্ঞাসা করল। “বলবে, পেশেন্টের অবস্থা সিরিয়াস। হাসপাতাল...
পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

গোবিন্দ সামনের দরজায় তালা লাগিয়েই ছুটল শেফালিকা দিদিমণির কোয়াটার্সের দিকে। যে ভাবেই হোক নুনিয়াকে বাঁচানই এখন তার লক্ষ্য। লোক দুটি এরপর যখন বুঝতে পারবে, তখন বেরোতে চাইলেও সহজে বেরোতে পারবে না। পিছনের হোক বা বাইরের দুটি দরজাই শালকাঠের এবং বেশ শক্তপোক্ত। সে দৌড়াচ্ছিল।...
পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ঢুকে ডাক্তার এবং তার অ্যাটেনডেন্ট যেদিকে যাওয়ার কথা, সেদিকে গেল না। উল্টোদিকে যেদিকে গোডাউন এবং ওয়াশরুম আছে পেশেন্টপার্টির জন্য, সেদিকে গেল। পিছন-পিছন পল্টু, সাইকেল আর ট্রলিতে শায়িত অবস্থায় চেতন। সে বুঝতে পারছিল না ট্রলি থেকে নেমে পড়বে না-কি পড়বে...
পর্ব-১৫৫ : অতর্কিতে হামলা

পর্ব-১৫৫ : অতর্কিতে হামলা

রোজ যেমন রাত্রি নামে, আজকেও তেমনই নেমেছিল। ন্যাথানিয়েল গোবিন্দ সোরেন মেইন গেট বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে তালা মারেনি। সেটা মারা যায়ও না। অনেক সময় এমার্জেন্সি কেস থাকে। ডাক্তার না থাকলেও নার্স দিদিরা রয়েছেন, তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা অন্তত করতে পারেন। হয়তো অপারেশন ইত্যাদি করতে...

Skip to content