রবিবার ৭ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৬০ : সাতসকালের কিস্সা

পর্ব-১৬০ : সাতসকালের কিস্সা

একটু বেলার দিকে ঘুম ভাঙল পূষণের। প্রথমটা বুঝতে পারেনি এত বেলা হয়ে গিয়েছে। অভ্যাসবশত হাত বাড়িয়ে রিমিতাকে খুঁজেও যখন পেল না তখন ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল বিছানা শূন্য। রিমিতা শুয়ে থাকলে ঘুম ভেঙেই তাকে কাছে টেনে নিয়ে বুকের সঙ্গে মিশিয়ে বাসি মুখে চুমু খাওয়ার স্বাদটাই আলাদা। বিশেষ...
পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

পর্ব-১৫৯ : ভোরের রক্তাক্ত কবিতা

ভোরের সূর্য উঠি-উঠি করতে-না-করতেই ভোলারাম ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে। শীত-গ্রীষ্ম কোনও সময়েই এর নড়চড় হয় না। বয়স হয়েছে। পা খানিক টলমল করে আজকাল। অবশ্য যে-যে রাতে মহুয়া কিংবা তাড়ি বেশি করে খায়, তার পরের দিনই পা জানান দেয় যে, বয়স হচ্চে তো বাপু। এখন এত হড়বড় করে না-চললেই নয়। আরও...
পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

পর্ব-১৫৮ : সোনার মাছি খুন করেছি

ভাগ্য আজ সহায় মনে হল সাইকেলের। বামাপদ যখন ফিরে এসে বলল, “মোটামুটি যা বোঝা যাচ্ছে, লাইন-ক্লিয়ার। বুঝলে সাইকেল দা!” “আমাদের এই শেষ রাতে দেখে কেউ যদি প্রশ্ন করে এত রাতে এখানে কী করছি?” সাইকেল কিছুটা চিন্তিত স্বরে জিজ্ঞাসা করল। “বলবে, পেশেন্টের অবস্থা সিরিয়াস। হাসপাতাল...
পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

গোবিন্দ সামনের দরজায় তালা লাগিয়েই ছুটল শেফালিকা দিদিমণির কোয়াটার্সের দিকে। যে ভাবেই হোক নুনিয়াকে বাঁচানই এখন তার লক্ষ্য। লোক দুটি এরপর যখন বুঝতে পারবে, তখন বেরোতে চাইলেও সহজে বেরোতে পারবে না। পিছনের হোক বা বাইরের দুটি দরজাই শালকাঠের এবং বেশ শক্তপোক্ত। সে দৌড়াচ্ছিল।...
পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

পর্ব-১৫৬ : করিডোরে কেউ নেই

এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ঢুকে ডাক্তার এবং তার অ্যাটেনডেন্ট যেদিকে যাওয়ার কথা, সেদিকে গেল না। উল্টোদিকে যেদিকে গোডাউন এবং ওয়াশরুম আছে পেশেন্টপার্টির জন্য, সেদিকে গেল। পিছন-পিছন পল্টু, সাইকেল আর ট্রলিতে শায়িত অবস্থায় চেতন। সে বুঝতে পারছিল না ট্রলি থেকে নেমে পড়বে না-কি পড়বে...

Skip to content