মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১২৭: আঁধারে ছিল আগন্তুক?

পর্ব-১২৭: আঁধারে ছিল আগন্তুক?

আর্য প্রাণপণে দৌড়াতে চাইছিল করিডোর ধরে। কিন্তু তার শরীর অসাড় হয়ে আসছে ভয়ে। মনের মধ্যে তোলপাড় চলছিল। মনে হচ্ছিল সে যদি দৌড়ানো থামিয়ে দেয়, তাহলে তার উপর রহস্যময় সেই আগন্তুকের মরণ-ছোবল নেমে আসবে তার উপর। রিসর্টটা বিশাল বড় নয়, ফলে তার আর করিডোর কত বড় হবে? কিন্তু শিথিল...
পর্ব-১২৬: মিটিং

পর্ব-১২৬: মিটিং

ডিএম ওদের সময় দিয়েছিলেন দুপুর দুটোয়। তার আগে তাঁর জরুরি কিছু কাজকর্ম আছে, ফলে সকালের দিকে চাইলেও সময় বার করতে পারেননি। তাতে শাক্যদের কোনও অসুবিধা ছিল না। দেখা করে কথা হওয়াটা জরুরি, তা সে এ-বেলাই হোক বা ও-বেলা। সে আর সুদীপ্ত নির্দিষ্ট সময়ের ঘন্টাখানেক আগেই পৌঁছে...
পর্ব-১২৫: কতদিন পরে এলে

পর্ব-১২৫: কতদিন পরে এলে

অনেকদিন পরে এবার গ্রামে এল উল্লাস। তবে যতদিন পরেই আসুক, একইসঙ্গে ভালো লাগা আর মন খারাপ হয় তার। ভালো লাগা খুব স্বাভাবিক। নিজের শেকড়কে অস্বীকার করতে চায় না যারা, তাদের কাছে শেকড়ের কাছাকাছি আসাই পরম আনন্দের। যে-মাটিতে বেড়ে চোখ মেলেছে, বেড়ে উঠেছে, যে-মাটির কাছে জীবনের...
পর্ব-১২৪: সে-যে কেবলই যাতনাময়

পর্ব-১২৪: সে-যে কেবলই যাতনাময়

কেউ যেন তার শিশ্ন ধরে খেলা করছিল। খেলা, কিন্তু ভয়ঙ্কর খেলা। মনে হচ্ছিল মাকড়শার মতো কতগুলি নখরযুক্ত আঙুল তার শিশ্নটিকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে। তারপর সূক্ষ্ম, মিহিন সূঁচফোটার মত করে ফুটিয়ে দিচ্ছে অজস্র শোষকযন্ত্র। তার শিশ্ন থেকে রক্ত বেরিয়ে যাচ্ছে শোষকনলের মাধ্যমে অন্য...
পর্ব-১২৩: তত্ত্বতালাশ

পর্ব-১২৩: তত্ত্বতালাশ

“হ্যাঁ বল। এখন নিশ্চয়ই তুমি একা এবং ফ্রি?” একেজি জিজ্ঞাসা করলেন। তাঁর গলায় কিন্তু রসিকতার সুর নেই। তিনি আদ্যন্ত সিরিয়াস। “হ্যাঁ স্যার। নিজের বাংলোয় আছি। সুদীপ্ত যদিও বলছিল, তার ওখানেই থেকে যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনার সঙ্গে কথা বলাটা জরুরি ছিল।” “সুদীপ্ত নামের অফিসারটি...

Skip to content