বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-৯৪ : এক দিগম্বর সাধু, বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার এবং পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অদ্ভুত সমাপতন

পর্ব-৯৪ : এক দিগম্বর সাধু, বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার এবং পঞ্চতন্ত্রের পাতায় এক অদ্ভুত সমাপতন

খাঁচায় বন্দি কপোতী তার স্বামীর বিলাপ শুনে গৃহলক্ষ্মীর মতোই প্রজ্ঞার পরিচয় দিল। নিচ থেকে স্বামীকে আশ্বস্ত করে সে বলল, “প্রাণনাথ! এই ব্যাধ আমাকে খাঁচায় বন্দি করেছে বলে তুমি এর প্রতি অকারণ বিদ্বেষ দেখিও না। আজ আমি যে বন্দি, তা আমারই প্রাক্তন কর্মফল—স্বকৃতৈরেব বদ্ধ্যাঽহং...
পর্ব-৯৩ : যেখানে স্বর্ণমুদ্রার ঝনঝনানি, সেখানে সন্তানের চিতার আগুনও ম্লান

পর্ব-৯৩ : যেখানে স্বর্ণমুদ্রার ঝনঝনানি, সেখানে সন্তানের চিতার আগুনও ম্লান

পুত্রশোকের দগদগে ঘা বুকে নিয়েও পরদিন প্রভাতে লোভী ব্রাহ্মণ হরিদত্ত একবাটি দুধ হাতে পুনরায় সেই বল্মীকস্তূপের সামনে উপস্থিত হলেন। পুত্রের মৃত্যু শোকের চেয়েও তাঁর কাছে তখন প্রবল হয়ে উঠেছে স্বর্ণমুদ্রার লোভ। তিনি সেই গর্তের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চকণ্ঠে সর্পরাজকে আহ্বান করতে...
পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

পর্ব-৯২: অবিবেচনা যত দ্রুত সিদ্ধান্ত আনে, তত দ্রুত ধ্বংসও আনে

ছবি: প্রতীকী। এরপর একদিন গ্রামের বাইরে কিছু কাজে যেতে হল হরিদত্তকে। যাবার আগে তিনি ছেলেকে বললেন— “বাবা, আমাকে কাজে গ্রামান্তরে যেতে হবে, তাই তুমি কাল সকালে নাগদেবতাকে দুধ দিয়ে আসবে। পাত্রটা যেন পরিষ্কার থাকে, আর মনে যেন ভক্তি থাকে।” ছেলেটিও পিতার নির্দেশ মেনে পরদিন...
পর্ব-৯১: যারা সময়ের স্রোতে নত হতে জানে, তারাই টিকে যায়; যারা আগুনে ঝাঁপায়, তারাই পুড়ে মরে

পর্ব-৯১: যারা সময়ের স্রোতে নত হতে জানে, তারাই টিকে যায়; যারা আগুনে ঝাঁপায়, তারাই পুড়ে মরে

ছবি: প্রতীকী। নিঃশব্দ রাত—জোনাকি ঝাড়ের ম্লান আলোতে অন্ধকার যেন আরও গভীরভাবে নেমে এসেছে। প্রাচীন সেই বটবৃক্ষের নিচে, শুকনো পাতার স্তূপের উপর পড়ে কপট অভিনয় করে পড়েছিলেন স্থিরজীবী। যেন তাঁর ডানাদুটো ভেঙে গিয়েছে, পালক ঝুলে—সারা শরীরে রক্তমাখা আর কাদার দাগ; অল্প-আলোর মাঝেও...
পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

পর্ব-৯০: শত্রুকে হারাতে সব সময় অস্ত্র নয়, ছলনারও আশ্রয় নিতে হয়

ছবি: প্রতীকী। ০৫: পিঁপড়ে আর সাপের কাহিনি ঘন অরণ্যের গভীরে, এক উঁইয়ের ঢিবির ভিতরে বাস করতো এক ভয়ঙ্কর কেউটে সাপ—নাম তার অতিদর্প। নামের মতোই সে ছিল অহংকারী, শক্তিশালী আর উদ্ধত। সাধারণত সে ঢিবির প্রশস্ত মুখ দিয়েই আসা-যাওয়া করতো। কিন্তু একদিন কেবল খেয়ালখুশিতে সে সরু এক...

Skip to content