সেরা পাঁচ
পর্ব-২১: বিবাহ সংবাদ, আদিনাথ-গোরা
পুষ্প সুরভিময় আদিনাথের শয়ন কক্ষ। চৌকিতে টানটান বিছানা পাতা। ধবধবে চাদর। জানলার ধারে টেবিল চেয়ার। নিখুঁত গোছানো খাতা বই লেখালেখির সরঞ্জাম। ওপাশে একটা কাঠের দেরাজ। খাটের পাশে ছোট্ট তেপায়ায় ফুলতোলা কাচের বাটি। জলে ভেজা দশ বারোটা টাটকা গন্ধরাজ। খুকুর হাতের পরিচর্যার ছাপ চারপাশে ছড়ানো।
বইয়ের দেশে : না বলা অনেক কথা সময়ের দলিল
সব মিলিয়ে আত্মকথন ও সমসাময়িক ঘটনাবলির সমন্বয়ে পান্নালাল রায় এক মালা রচনা করেছেন, যার প্রতিটি ফুলের কোনওটিতে রয়েছে আনন্দময়তার সৌরভ, কোনওটিতে যেন আবার বিষন্নতার দীর্ঘশ্বাস। এটিকে আবার আত্মকথন কেন্দ্রিক এক ইতিহাস গ্রন্থও বলা যেতে পারে। নানা তথ্য বহুল সুখপাঠ্য এই গ্রন্থটি পাঠক সমাজে সমাদৃত হবে এমন আশা করা যায়। গ্রন্হটির দৃষ্টি নন্দন প্রচ্ছদ করেছেন কামনা দেব। প্রচ্ছদে ঐতিহাসিক ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে।
পর্ব-১২১: অমিতাভ হত্যারহস্য / ২
অমিতাভ নীলাঞ্জনার ছবিতে ছবিতে ছয়লাপ করা বিয়ে এবং বৌভাত। হইহই করা হনিমুন লোকে যতটা উপভোগ করেছে। অমিতাভ’র এই মৃত্যুতে তাদের অপ্রকাশিত গ্রে রিলেশনস মানে কাছে কাছে থেকে ক্রমশ দূরে দূরে যাওয়া এখানে ওখানে ছড়িয়ে পড়ল। সাতসকালে সরাসরি গোয়েন্দা কর্তা ভৈরব চক্রবর্তীর ফোন।
পর্ব-১৪৭: জরাসন্ধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মত ও তাঁর নামের মাহাত্ম্য
জ্যেষ্ঠপাণ্ডব যুধিষ্ঠির রাজসূয়যজ্ঞ করতে মনস্থ করেছেন। পাণ্ডবদের শুভাকাঙ্ক্ষী কৃষ্ণের পরামর্শ অনুযায়ী, অত্যাচারী ক্ষমতালিপ্সু প্রভাবশালী মগধরাজ জরাসন্ধের প্রতিপত্তির কাছে হার স্বীকার করেছেন যাদবরা, জরাসন্ধের গিরিব্রজ নামের পার্বত্যদুর্গে বন্দি রয়েছেন পরাজিত রাজারা, তাঁদের মুক্ত করা যুধিষ্ঠিরের প্রথম কর্তব্য। এই সব বৃত্তান্ত শুনে, জরাসন্ধের অমিত শক্তি ও ক্ষমতা স্মরণ করে, যুধিষ্ঠির রাজসূয় যজ্ঞানুষ্ঠানে অনীহা প্রকাশ করলেন। অত্যুৎসাহী দ্বিতীয়পাণ্ডব ভীমসেনের অভিমত হল,জরাসন্ধকে পরাজিত করতে যুদ্ধোদ্যম প্রয়োজন। তাঁর...
গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৯: সন্ধিভেদজাতক — মূর্খের স্বর্গ
চতুর্বিধ উপায়ের অন্যতম ও চূড়ান্তটি হল ভেদ। ষাড়গুণ্যে সন্ধির পরে স্থান বিগ্রহের। রাজনীতি, কূটনীতি, সমাজনীতিতে, জীবনে ভেদ ও বিগ্রহের চিত্রটি কীরকম? যূথবদ্ধতার প্রাথমিক শর্ত হল মতৈক্য। সেখান থেকেই পরিবার, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রজীবনে সঙ্ঘবদ্ধ, সংহত ঐক্যের যে পরিসর, তার পথচলার সূত্রপাত “সংগচ্ছধ্বমের” আকাঙ্ক্ষার তত্ত্বে, প্রয়োগে। তারপরেও কিছু ‘কিন্তু’র অবকাশ থাকবে, সেখানেই আত্মপ্রকাশ করবে সংঘাত, দ্বন্দ্ব।
পর্ব-৮৩ : শহরের ইতিকথা
ছবিটির আরেকটি মস্ত বড় সম্পদ ছিল রবীন চট্টোপাধ্যায়ের মতো গুণী সংগীত পরিচালকের অংশগ্রহণ। তাঁর সুরে শ্যামল মিত্র, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে প্রতিটা গান একটি নতুন মাত্রায় উপস্থিত হয়েছে। যা ছবির সারস্বত সম্পদকে অনেক বাড়িয়ে তুলেছিল। এইভাবে আমরা ছবির সমস্ত আঙ্গিক পর্যালোচনা করলে এটিকে একটি বাণিজ্য সফল কালজয়ী ছবি আখ্যা দিতে পারি।
পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস
পঞ্চতন্ত্রের এই কাহিনিতে বৃদ্ধ বণিকের প্রতি তাঁর নবযৌবনা স্ত্রীর বিতৃষ্ণাকে বোঝাতে গিয়ে বিষ্ণুশর্মা যে উপমাটি ব্যবহার করেছেন, তা কেবল সাহিত্যিক অলঙ্কার নয়; বরং তা তৎকালীন ভারতীয় সমাজকাঠামোর এক নির্মম ঐতিহাসিক দলিল। ‘চণ্ডাল-কূপ’ বা অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষের ব্যবহার্য কুয়োর প্রসঙ্গটি আমাদের দাঁড় করিয়ে দেয় প্রাচীন ভারতের এক অস্বস্তিকর কিন্তু অমোঘ সত্যের মুখোমুখি।
সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৮: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — বানর
সুন্দরবনের জঙ্গল এলাকা ছাড়া এই বানরদের লোকালয়ে দেখতে পাওয়া মুশকিল। তবে জঙ্গল থেকে ধরে আনা লালমুখো এই বানরদের ছোট থেকে পাড়ায় পাড়ায় খেলা দেখাতে দেখেছি। মানুষের পূর্বপুরুষ তো, তাই সহজেই মানুষের আদব-কায়দা শিখে নিতে পারে। বুঝে নিতে পারে মানুষের নির্দেশ। আর শৈশব ও কৈশোরে তাই পাড়ায় বানরওয়ালার ডুগডুগি বাজানোর শব্দ শুনলেই বাচ্চার দলকে দৌড়োতে দেখেছি। এখন অবশ্য সে দৃশ্য আর দেখা যায় না। যে কথা বলছিলাম, ওদের আচার-আচরণও মানুষের আচার-আচরণের সাথে অনেক সাদৃশ্যপূর্ণ। আর বুদ্ধি তো রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।
পর্ব-৫৬: আকাশ এখনও মেঘলা
ঘণ্টা বাজিয়ে সময় শেষ হয়। পরীক্ষার সময়। হাসপাতালে আত্মীয়ের পাশে বসার সময়। পাগলা গারদে। জেলখানায়। আলোয় থাকা মানুষের সাথে অন্ধকারজীবীদের দেখা হওয়ার সময়। কিন্তু জীবন থেমে গেলে? সব ঘণ্টা সব কোলাহল নিঃশব্দ! জীবনরেখার আর কোনও উথাল-পাথাল নেই। সে তখন ধীর স্থির শান্ত। অজস্র বিন্দুতে বয়ে যাওয়া। অবিরাম। অবিরল।
পর্ব-১৫৩: ক্যান ইউ হ্যান্ডেল ইট?
বিছানায় শুইয়ে দিয়ে এরপর অরণ্য তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এদিক ওদিক কামড় দিতে লাগল। “আঃ, লাগছে, ছাড়!” বলে আর্য ঠেলে সরিয়ে দিতে চাইল তাকে। কিন্তু পারছিল না। এক হাতে আর্যকে ধরে আর এক হাতে নিজের প্যান্টটা নামিয়ে দিল অরণ্য। তার উত্থিত পুরুষাঙ্গ থির-থির করে কাঁপছিল উত্তেজনায়। আর্যর চুলের মুটি ধরে তার উপর আর্যর মুখখানা চেপে ধরল অরণ্য। হিংস্র গলায় বলল, “যা করার কথা কর!”
পর্ব-২০: গোরা-সুনীতি: সম্পর্কের অন্য সুর
সকলে মিলে মুড়ি নারকেল পাটালি খেয়ে নিয়েছে। খেয়েই নবীন লেগে পড়েছে কাজে। নারকেল গাছের পাতা কুড়িয়ে পিছনের বাগান পরিষ্কার করছে। ছোট একটা কোদাল জোগাড় করেছে কোথা থেকে। তাই দিয়ে মাটি কুপিয়ে গাঁদাল পালং পুঁইয়ের চারা পুঁতছে। তুলসীর ভাঙা মঞ্চ সারাই করে মাটি দিয়ে তকতকে করেছে। গোরা তার কর্মকান্ড দেখে অবাক। যে উদ্দেশ্যে তার ডায়মন্ডহারবারে আসা নবীনের আগমনের ঘনঘটায় সব যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে।
ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯২: কৈলাসচন্দ্র সিংহ ছিলেন সত্যনিষ্ঠ আপসহীন এক ঐতিহাসিক
কৈলাসচন্দ্র সিংহ। কে ছিলেন তিনি? ত্রিপুরার রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটাই বা কী ছিল? ত্রিপুরার ইতিহাসের আকর গ্রন্থ হিসেবে সর্বত্র সমাদৃত 'রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস' গ্রন্থের প্রণেতা হিসেবে কৈলাসচন্দ্র সকলের কাছেই পরিচিত। সে যুগে প্রান্তীয় বাংলার এক বিশিষ্ট পণ্ডিত ছিলেন তিনি। ত্রিপুরার রাজমালা ছাড়াও আরও বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি। কৈলাসচন্দ্র ছিলেন সত্যনিষ্ঠ আপসহীন এক ঐতিহাসিক। মহারাজা বীরচন্দ্রের রাজত্বকালীন সময়ে তিনি যে ভাবে রাজার তীব্র সমালোচনা করেছেন তা ভাবলে অবাক হতে হয়!এ জন্য বীরচন্দ্রের...
পর্ব-১২০: অমিতাভ হত্যারহস্য / ১
অমিতাভ চক্রবর্তীর দ্বিতীয় বিবাহ। প্রথমজন রুনা। রুনা দত্ত। নামী কোম্পানিতে অমিতাভ’র টিমের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যা! মার্চ মাসে কনফিডেন্সিয়াল রিপোর্ট তৈরি হয়। মাস ছয়েক রুনা কোনও ক্লায়েন্ট পায়নি। কোম্পানি বসে বসে মাইনে দিয়েছে। আইটি জগতে যাকে বেঞ্চ বলে। সামনে এপ্রিল থেকে ইনক্রিমেন্ট তো পাবেই না, চাকরিটাই বাঁচবে কিনা সেটা জিজ্ঞাসার মুখে। কাজে অতটা পোক্ত না হলেও রুনার উপস্থিত বুদ্ধি চিরকালই প্রখর।
হাঁটাহাঁটি শুরু করেছেন, চিনি খাওয়াও ছেড়েছেন, তবুও সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না? জল কম খাচ্ছেন না তো?
অনেকে মনে করেন, সুগার এক বার ধরে যাওয়া মানে আজীবন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে। সেই সঙ্গে শুধু তো ওষুধ খাওয়া নয়, পাশাপাশি পছন্দের খাবারও একে একে ছেঁটে ফেলতে হবে। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) পরিসংখ্যান বলছে, আমাদের দেশে ডায়াবিটিসের রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।








