খাঁচায় বন্দি কপোতী তার স্বামীর বিলাপ শুনে গৃহলক্ষ্মীর মতোই প্রজ্ঞার পরিচয় দিল। নিচ থেকে স্বামীকে আশ্বস্ত করে সে বলল, “প্রাণনাথ! এই ব্যাধ আমাকে খাঁচায় বন্দি করেছে বলে তুমি এর প্রতি অকারণ বিদ্বেষ দেখিও না। আজ আমি যে বন্দি, তা আমারই প্রাক্তন কর্মফল—স্বকৃতৈরেব বদ্ধ্যাঽহং প্রাক্তনৈঃ কর্মবন্ধনৈঃ। জীবনে দারিদ্র্য, রোগশোক কিংবা এই ব্যাধের হাতে বন্দিত্ব—এ সবই নিজের কৃতকর্মের পরিণাম। আজ যা কিছু অনিষ্ট হচ্ছে, তা আমারই পাপের ফসল—আত্মাপরাধবৃক্ষস্য ফলান্যেতানি দেহিনাম্।






















