কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

একঝলকে

ছবি : শেষ অঙ্ক

পরিচালনা : হরিদাস ভট্টাচার্য

ছবির নায়িকা: শর্মিলা ঠাকুর

উত্তম কুমার অভিনীত চরিত্রের নাম : সুধাংশু

প্রেক্ষাগৃহ : রূপবাণী, অরুণা ও ভারতী

মুক্তির তারিখ : ০১.০২.১৯৬৩

উত্তম কুমার ও শর্মিলা ঠাকুর অভিনীত কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র ‘শেষ অঙ্ক’। ১৯৫৮ সালের জনপ্রিয় হলিউড থ্রিলার ছবি ‘চেজ এ ক্রুকড শ্যাডো’ (Chase a Crooked Shadow) অবলম্বনে নির্মিত এ ছবিতে বাংলা ছবির সর্বকালের সেরা ‘কোর্ট রুম ড্রামা’ দেখা যায়। ছবির নামকরণের মধ্যেই একটি ইঙ্গিত আছে যে ছবিটি যতক্ষণ না শেষ হচ্ছে তার অঙ্ক মিলবে না

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগে রহস্যধর্মী ছবির সংখ্যা খুব বেশি ছিল না। সে সময়ে অধিকাংশ জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ছিল পারিবারিক, সামাজিক কিংবা রোমান্টিক ঘরানার। এই প্রেক্ষাপটে ‘শেষ অঙ্ক’ একটি ব্যতিক্রমী সৃষ্টি। পরিচালক হরিদাস ভট্টাচার্য নির্মিত এই চলচ্চিত্রে রহস্য, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন, আদালত-নির্ভর নাটকীয়তা এবং মানব-চরিত্রের জটিলতা একসূত্রে গাঁথা হয়েছে।

ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার এবং শর্মিলা ঠাকুর। তাঁদের পাশাপাশি অন্যান্য অভিনেতাদেরও শক্তিশালী উপস্থিতি ছবিটিকে সমৃদ্ধ করেছে। ‘শেষ অঙ্ক’ শুধু একটি রহস্যচিত্র নয়; এটি মানুষের অপরাধবোধ, লোভ, প্রতারণা এবং সত্যের চূড়ান্ত বিজয়ের এক নাটকীয় উপাখ্যান।
ছবির কাহিনি একটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। প্রথমে ঘটনাটি সাধারণ অপরাধ বলে মনে হলেও ধীরে ধীরে একের পর এক রহস্য উন্মোচিত হতে থাকে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেক চরিত্রের গোপন দিক প্রকাশ পায়। চলচ্চিত্রের বিশেষত্ব হল, দর্শককে শুরু থেকেই নানা সূত্র দেওয়া হয়, কিন্তু প্রকৃত সত্যটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আড়ালেই থাকে। ফলে ছবিটি এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক অংশগ্রহণ দাবি করে। দর্শক নিজেও যেন তদন্তকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

শেষ দৃশ্যে এসে সমস্ত রহস্যের সমাধান ঘটে এবং তখন বোঝা যায় যে পুরো কাহিনিটি কত নিখুঁতভাবে নির্মিত হয়েছে। ছবির নাম ‘শেষ অঙ্ক’—এই নামের মধ্যেই যেন তার নাটকীয় পরিণতির ইঙ্গিত লুকিয়ে আছে। বাংলা চলচ্চিত্রে রহস্যধর্মী গল্পের একটি বড় সমস্যা ছিল যে অনেক সময় রহস্য আগেভাগেই অনুমান করা যেত। কিন্তু ‘শেষ অঙ্ক’ সেই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করেছে।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৯৩ : কান্না

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৭২ : শুধু হাসি-খেলা?

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৬০ : কাকজাতক — ভেবে দেখ মন

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৬৪: ভাবি প্রশাসক রামের প্রশিক্ষণের সূচনা—রাক্ষস খরের সঙ্গে সংঘাত

চিত্রনাট্য এমনভাবে নির্মিত যে দর্শক বারবার নিজের ধারণা বদলাতে বাধ্য হন। একেক সময় একেক চরিত্রকে সন্দেহভাজন মনে হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্য সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে সামনে আসে। ছবির সবচেয়ে বড় সাফল্য হল এর সাসপেন্স নির্মাণের ক্ষমতা। কোথাও অযথা চমক সৃষ্টি করা হয়নি। প্রতিটি সূত্র কাহিনির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে স্থাপন করা হয়েছে। ফলে শেষের প্রকাশ দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

উত্তম কুমার-এর অভিনয় এ ছবির প্রাণ। সাধারণ দর্শকের কাছে উত্তম কুমার মানেই রোম্যামান্টিক নায়ক। কিন্তু ‘শেষ অঙ্ক’-এ তিনি সেই পরিচিত ইমেজ থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছেন। এখানে তাঁর অভিনয়ে রয়েছে সংযম, বুদ্ধিমত্তা এবং মানসিক গভীরতা। চরিত্রটির মধ্যে এক ধরনের রহস্যময়তা রয়েছে। দর্শক কখনও সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারেন না তিনি ঠিক কী ভাবছেন। উত্তম কুমার এই দ্ব্যর্থতাকে অসাধারণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।

তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি, দৃষ্টির ব্যবহার এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ছবিটিকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। বিশেষত তদন্ত-সংক্রান্ত দৃশ্যগুলিতে তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত শক্তিশালী। তিনি প্রমাণ করেছেন যে জনপ্রিয় নায়কত্বের বাইরেও তিনি একজন অসাধারণ চরিত্রাভিনেতা। অন্যদিকে শর্মিলা ঠাকুরের অভিনয়ও নবাগতা হিসাবে মনে রাখার মতো। শর্মিলা ঠাকুর তখন বাংলা ও ভারতীয় চলচ্চিত্রের উদীয়মান তারকা। ‘শেষ অঙ্ক’-এ তাঁর অভিনয় অত্যন্ত পরিণত এবং আত্মবিশ্বাসী।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: হ্যালো বাবু!, পর্ব-১৩৯: অমিতাভ হত্যারহস্য / ২০

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৫৬: কাঠবিড়ালি

কোথাও অতি অভিনয়ে কৃত্রিমতা গ্রাস করেনি। ঠাকুরবাড়ির লোকজনের মধ্যে চলচ্চিত্রাভিনয়ের যে মান বজায় থাকা উচিত তার যথাযোগ্য প্রতিনিধিত্ব উনি ক্যামেরার সামনে করেছেন। শুধু সত্যজিৎ রায়ের হাতে হাতে খড়ি হয়েছে বলেই নয় পাদিবারিক একটা শালীনতা তিনি ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন কারণ তাঁর অস্থিমজ্জায় যে সেটা আছে সেটা প্রতি পরতে বোঝা যাচ্ছিল।

সে কালের কেতাবি বড়লোকেরা কি ধরনের আভিজাত্য বহন করতেন তার যেন একটা রূপক ছিলেন শর্মিলা ঠাকুরের উপস্থিতি। তাঁর চরিত্রটি কাহিনির আবেগঘন দিককে বহন করে। একই সঙ্গে রহস্যের আবহও বজায় রাখে। শর্মিলা ঠাকুরের অভিনয়ের বড় গুণ হলো তাঁর স্বাভাবিকতা। তিনি কখনও অতিরিক্ত নাটকীয় হয়ে ওঠেন না। চোখের ভাষা এবং মুখের সূক্ষ্ম অভিব্যক্তির মাধ্যমে তিনি চরিত্রটির অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। ফলে তাঁর অভিনয় ছবির সামগ্রিক ভারসাম্য রক্ষা করেছে।
কলকাতায় বৃষ্টি

ছবি : প্রতীকী। সংগৃহীত।

এরপর আলোচনা করা যাক উত্তম–শর্মিলা রসায়ন নিয়ে যা, পরবর্তীকালে ‘নায়ক’ হয়ে ‘অমানুষ’ ‘আনন্দ আশ্রম’ পর্যন্ত গড়াবে। উত্তম কুমার ও শর্মিলা ঠাকুর বাংলা চলচ্চিত্রে একটি স্মরণীয় জুটি। ‘শেষ অঙ্ক’-এ তাঁদের সম্পর্কের উপস্থাপনা অত্যন্ত সংযত। এখানে প্রেম আছে, কিন্তু সেটি কাহিনির প্রধান বিষয় নয়। বরং রহস্যঘন পরিবেশের মধ্যে মানবিক সম্পর্কের একটি সূক্ষ্ম রেখা হিসেবে কাজ করেছে। দু’জনের অভিনয়ের পারস্পরিক সামঞ্জস্য, ছবির আবেগকে গভীর করেছে। উত্তম কুমারের অভিজ্ঞতা এবং শর্মিলা ঠাকুরের স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় একসঙ্গে মিলে অসাধারণ রসায়ন সৃষ্টি করেছে।

‘শেষ অঙ্ক’-এর সবচেয়ে বড় শক্তি এর চিত্রনাট্য। গল্পটি ধাপে ধাপে এগোয়। প্রতিটি দৃশ্য পরবর্তী দৃশ্যের জন্য ভিত্তি তৈরি করে। কোথাও অপ্রয়োজনীয় বিচ্যুতি নেই। সংলাপগুলোও অত্যন্ত কার্যকর। এগুলি শুধু তথ্য দেয় না; চরিত্রের মানসিক অবস্থাও প্রকাশ করে। রহস্যচিত্রে সংলাপের গুরুত্ব অনেক। কারণ অনেক সময় একটি ছোট বাক্যই বড় সূত্র হয়ে দাঁড়ায়। এই ছবিতে সেই কাজটি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১০২ : ত্রিপুরার রাজপরিবারে সতীদাহ প্রথা

রবীন্দ্র জয়ন্তী: তথ্যচিত্র— রবীন্দ্রনাথ, সভ্যতার সঙ্কট

আর পরিচালনা-র দিক দিয়ে, পরিচালক হরিদাস ভট্টাচার্য, ছবিটিকে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ভঙ্গিতে নির্মাণ করেছেন। তিনি জানতেন যে রহস্যচিত্রে পরিবেশ সৃষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি দৃশ্যে তিনি উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তার আবহ বজায় রেখেছেন। কোথাও অতিরিক্ত নাটকীয়তা নেই, আবার কোথাও গতি শ্লথও হয়নি। পরিচালক দর্শকের কৌতূহলকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

ছবিটির নির্মাণে সঙ্গীত ও আবহসঙ্গীত-র ব্যবহারও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। রহস্যধর্মী ছবিতে আবহসঙ্গীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘শেষ অঙ্ক’-এ সেই দিকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আবহসঙ্গীত কখনও দৃশ্যকে ছাপিয়ে যায় না, বরং রহস্য ও উত্তেজনাকে আরও ঘনীভূত করে। নীরবতার ব্যবহারও প্রশংসনীয়। অনেক সময় কোনও সঙ্গীত ছাড়াই একটি দৃশ্যকে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শকের মনোযোগ আরও বাড়িয়ে দেয়।

দৃশ্য নির্মাণে হেমন্ত মুখার্জির কন্ঠে একটি অসাধারণ সুরেলা গান ছবির গোড়া পত্তনে অনেক সহযোগিতা করেছে। এবং গানটির প্রিল্যুড ইন্টারল্যুড-এ যে মিউজিক পবিত্র চট্টোপাধ্যায় ব্যবহার করেছেন সেটাকেও কালজয়ী বললে কম বলা হয়। সাদা-কালো চলচ্চিত্র হওয়া সত্ত্বেও ‘শেষ অঙ্ক’-এর চিত্রগ্রহণ অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৫: পদ বা ক্ষমতা পেলেই কি ভিতরের স্বভাব বদলে যায়? পঞ্চতন্ত্রের অমোঘ শিক্ষা

আলো-ছায়ার ব্যবহার ছবির রহস্যময় পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করেছে। ক্লোজ-আপ শটগুলিতে চরিত্রের মানসিক টানাপোড়েন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। অনেক দৃশ্যেই ফ্রেম বিন্যাস এমনভাবে করা হয়েছে যে দর্শক অবচেতনভাবেই সন্দেহ ও কৌতূহলের মধ্যে ডুবে যান।

ছবিটির মনস্তাত্ত্বিক দিকও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ‘শেষ অঙ্ক’ কেবল একটি অপরাধকাহিনি নয়; এটি মানুষের মনস্তত্ত্বেরও অনুসন্ধান। ছবিটি দেখায় যে অপরাধের উৎস অনেক সময় বাহ্যিক নয়, মানুষের মনের গভীরে নিহিত। লোভ, ভয়, ঈর্ষা এবং অপরাধবোধ মানুষকে কীভাবে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে, তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে উপস্থাপিত হয়েছে।

এই কারণেই ছবিটি সাধারণ রহস্যচিত্রের সীমা অতিক্রম করে মনস্তাত্ত্বিক নাটকে পরিণত হয়েছে। ছবিটির সমকালীন প্রাসঙ্গিকতা আলোচনা প্রসঙ্গে বলা যায়, আজকের যুগে যখন অপরাধভিত্তিক ও তদন্তমূলক গল্প অত্যন্ত জনপ্রিয়, তখন ‘শেষ অঙ্ক’ নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে। বর্তমানের বহু থ্রিলার ছবিতে প্রযুক্তি ও বিশেষ প্রভাবের উপর নির্ভরতা দেখা যায়। কিন্তু ‘শেষ অঙ্ক’ প্রমাণ করে যে একটি শক্তিশালী গল্প, সুগঠিত চিত্রনাট্য এবং দক্ষ অভিনয়ই রহস্যচিত্রের আসল ভিত্তি।
কলকাতায় বৃষ্টি

১৯৬২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ছবি।

এ কারণে ছবিটি আজও উপভোগ্য। কিন্তু এসব সত্ত্বেও ছবিটির কিছু সীমাবদ্ধতা আমাদেরকে ভাবাই বৈকি। আধুনিক দর্শকের কাছে ছবির কিছু অংশ ধীরগতির মনে হতে পারে। কিছু সংলাপ বর্তমান সময়ের তুলনায় বেশি নাট্যধর্মী বলেও মনে হতে পারে। তবে এগুলি ছবির নির্মাণকালের বৈশিষ্ট্য। রহস্যের সমাধানও আজকের দ্রুতগতির থ্রিলারের তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এই ধীরতা দর্শককে গল্পের ভেতরে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়।

আসলে “শেষ অঙ্ক” বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল রহস্যধর্মী চলচ্চিত্র। এটি শুধু একটি হত্যারহস্য নয়; বরং মানুষের মন, সম্পর্ক এবং সত্য অনুসন্ধানের এক গভীর অনুসন্ধান। উত্তম কুমার তাঁর সংযত অথচ শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে ছবিটিকে স্মরণীয় করে তুলেছেন। অন্যদিকে শর্মিলা ঠাকুর তাঁর স্বাভাবিক অভিনয়ে ছবিকে আবেগময়তা ও সৌন্দর্য দিয়েছেন।

চিত্রনাট্যের দৃঢ়তা, পরিচালনার মুন্সিয়ানা, রহস্য নির্মাণের দক্ষতা এবং অভিনয়ের উৎকর্ষ—সব মিলিয়ে ‘শেষ অঙ্ক’ বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। যাঁরা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস, রহস্যধর্মী সিনেমা কিংবা উত্তম কুমারের অভিনয়শৈলী নিয়ে আগ্রহী, তাঁদের জন্য ‘শেষ অঙ্ক’ অবশ্যই দেখার মতো একটি ছবি। এটি এমন একটি চলচ্চিত্র, যার শেষ দৃশ্যের পরেও দর্শকের মনে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিধ্বনি থেকে যায়—আর সেই কারণেই এর নাম যথার্থই “শেষ অঙ্ক”।।—চলবে।
* উত্তম কথাচিত্র (Uttam Kumar–Mahanayak–Actor) : ড. সুশান্তকুমার বাগ (Sushanta Kumar Bag), অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, মহারানি কাশীশ্বরী কলেজ, কলকাতা।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content