
একঝলকে
উত্তম তখন মহানায়ক হয়ে ওঠেননি। কিন্তু যে সমস্ত উপাদান থাকলে কালজয়ী নায়ক হওয়া যায় তার জ্বলন্ত স্বাক্ষর রাখা হয়েছে এ ছবির প্রতিটা অংশে। ‘ঝিন্দের বন্দী’ বোধহয় প্রথম বাংলা ছবি যা, সরাসরি হলিউড অনুপ্রাণিত। এর কাহিনি নিয়ে বহুদিন আগে হলিউডে ‘প্রিজনার্স অব জেন্ডা’ নামে একটি ছবি হয়েছিল। আসলে তপন সিংহ কেরিয়ারের প্রথম সময়টা হলিউডের পাইনউড স্টুডিয়োতে দীর্ঘদিন কাটিয়ে এসেছেন। তবে ‘প্রিজনার্স অফ জেন্ডা’-র সঙ্গে কাহিনিগত মিল ছাড়া ‘ঝিন্দের বন্দী’ সিনেমার ভাবনায় তেমন কোন মিল নেই। পরিচালক হিসেবে তপন সিংহ ‘ঝিন্দের বন্দী’-কে পুরোপুরি মৌলিকভাবেই ভেবেছিলেন বলে মনে হয়।
উত্তম কুমারের ফিল্মি কেরিয়ারে একটি মাইলস্টোন এ ছবি। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনি অবলম্বনে মূলত প্রেক্ষাপট রচিত হলেও উত্তম কুমারের নিজগুনে এবং তপন সিংহ- অসাধারণ স্ক্রীন-প্লে-তে এ ছবি কালোত্তীর্ণ হয়ে উঠেছিল। ছবির অলিতে গলিতে বিচরণের আগে সবার প্রথমে উৎসগত মিল এবং অমিল খানিকটা আলোচনা করে নিলে ভালো হয়।
উত্তম কুমারের ফিল্মি কেরিয়ারে একটি মাইলস্টোন এ ছবি। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাহিনি অবলম্বনে মূলত প্রেক্ষাপট রচিত হলেও উত্তম কুমারের নিজগুনে এবং তপন সিংহ- অসাধারণ স্ক্রীন-প্লে-তে এ ছবি কালোত্তীর্ণ হয়ে উঠেছিল। ছবির অলিতে গলিতে বিচরণের আগে সবার প্রথমে উৎসগত মিল এবং অমিল খানিকটা আলোচনা করে নিলে ভালো হয়।
লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকৃতিগতভাবে ছিলেন বিশ্ব ভাবুক মানুষ বিশ্বের এমন কোন চিন্তা ভাবনা তার মননে ধরা দেয় নি, যা তিনি সাহিত্যের আঙিনায় রূপায়ণ করতে সাহস পাননি। অর্থাৎ ওয়াল্টার স্কট এর ‘প্রিজনার্স অফ জেন্ডা’-কে অনুসরণ করেই তিনি বাংলা ভাষায় ‘ঝিন্দের বন্দী’-র কাহিনি লিখেছিলেন। অবশ্য সেলুলয়েডের ভাষা একটু অন্যরকম থাকে; যেখানে ছবি দিয়ে মানুষের মননকে জাগ্রত করতে হয়। এবং সে ছবিটি যখন কুশীলবের মাধ্যমে কথোপকথন দিয়ে ভাষার তুলিতে আঁকা হয় তখন পরিচালককে তথা ছবি নির্মাতাকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয়।
লেখক সাদাকালোর বর্ণালীতে নিজের মননকে শব্দের পর শব্দ দিয়ে ছবি আঁকেন। কিন্তু সিনেমার পরিচালককে ক্যামেরা দিয়ে কথা বলাতে হয়। কাজেই ক্যামেরার ভাষা শব্দের দাম্পত্যে কতটা মনোগ্রাহী হবে তা নির্মাণ করতে অনেক খুঁটিনাটি বিষয়কে মাথায় রাখতে হয়। এই কাহিনি নিয়ে ছবি করতে এসে বোঝা যাচ্ছিল তপন সিংহের সামনে প্রধান সমস্যা ছিল হলিউডের সর্বজন বিদিত ‘প্রিজনার্স অফ জেন্ডা’ ছবির আমেজ। বলতে দ্বিধা নেই পরিচালক হিসেবে খুব কৌশলেই তিনি সে সমস্যার মোকাবিলা করেছেন এবং সার্থকও হয়েছেন।
লেখক সাদাকালোর বর্ণালীতে নিজের মননকে শব্দের পর শব্দ দিয়ে ছবি আঁকেন। কিন্তু সিনেমার পরিচালককে ক্যামেরা দিয়ে কথা বলাতে হয়। কাজেই ক্যামেরার ভাষা শব্দের দাম্পত্যে কতটা মনোগ্রাহী হবে তা নির্মাণ করতে অনেক খুঁটিনাটি বিষয়কে মাথায় রাখতে হয়। এই কাহিনি নিয়ে ছবি করতে এসে বোঝা যাচ্ছিল তপন সিংহের সামনে প্রধান সমস্যা ছিল হলিউডের সর্বজন বিদিত ‘প্রিজনার্স অফ জেন্ডা’ ছবির আমেজ। বলতে দ্বিধা নেই পরিচালক হিসেবে খুব কৌশলেই তিনি সে সমস্যার মোকাবিলা করেছেন এবং সার্থকও হয়েছেন।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৬ : অগ্নি সংস্কার

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪২: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গঙ্গার শুশুক

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯৬: ব্রিটিশ বাংলার বিপ্লবীরা অনেক সময় পালিয়ে এসে আশ্রয় নিতেন ত্রিপুরায়

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৫ : যে জন রহে মাঝখানে
এ ছবির কাহিনীগত কাঠামোর মধ্যেই ছিল হলিউড ছবির কাঠামো। ছবির গল্পের দিকে যদি তাকানো যায় সেখানে দেখা যায়: পাহাড় ঘেরা দুটি রাজ্য ঝিন্দ আর ঝড়োয়া। ঝিন্দের রাজার মৃত্যুর পর রাজা হবেন রাজকুমার শংকর সিং। অভিষেকের আগেই রাজকুমার শংকর সিং হঠাৎ নিখোঁজ। এই প্রথম নয় শংকর সিংয়ের আগেও অভিষেকের ঠিক আগে নিখোঁজ হয়েছেন। দুবারই অভিষেক পন্ড হয়েছে। রাজকুমার শংকর সিং-র অনুপস্থিতির কারণে। আসল ঘটনা হল মদ্যপ, নারীলোভী শংকর সিংকে প্রত্যেকবারই অভিষেকের আগে বদ নেশার লোভ দেখিয়ে সরিয়ে দেয় তাঁর ছোট ভাই উদিত সিং। মতলব পরপর তিনবার শংকর সিং, অভিষেকের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত হলে রাজা হবে উদিত সিং। শংকর সিং মদ্যপ বিলাসী, নারীলোভী হলেও তিনি উদার, মহান, রাজকার্যে সক্ষম। আর উদিত কুচক্রী, শঠ। বিচলিত হয়ে পড়েন অন্যান্য রাজকর্মচারীরা, রাজমন্ত্রী ধনঞ্জয় সারা ভারতবর্ষ ঘুরে খোঁজ করতে থাকেন শংকর সিং-র। শীতকালীন কলকাতায় এসে এক ক্লাবে দেখতে পান শংকরকে। যখন জানতে পারেন তিনি শংকর সিং নয়, এর নাম গৌরীশংকর। বাঙালি জমিদার গৌরীশংকরের বাড়িতে গিয়ে আরো হতবাক হয়ে যান ধনঞ্জয়, গৌরীশংকরের এক পূর্বপুরুষের ছবি দেখেন তিনি দেখেন। যে পূর্বপুরুষ একদা রাজকর্মচারী এবং যার ঔরসে ‘নিয়োগ প্রথা’-য় ঝিন্দের রাজ পরিবারের বংশ রক্ষা হয়। সংবাদটি একান্ত গোপনীয়। কিন্তু ধনঞ্জয় ঘটনাটি জানতেন। তিনি আন্দাজ করতে পারলেন কেন গৌরীশঙ্কর আর শংকর সিংয়ের চেহারার এত সাদৃশ্য।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা : দ্বিতীয় অধ্যায়, পর্ব-৬১: আকাশ এখনও মেঘলা

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৪ : দেবী — ব্যথার পূজা হয়নি সমাপন
মন্ত্রী ধনঞ্জয়ের অনুরোধে গৌরীশংকর, শংকর সিং সেজে ঝিন্দে যান। সেখানে গিয়ে শংকর সিং-র ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি উদিৎ সিং এর সমস্ত চক্রান্ত ব্যর্থ করেন। উদিতের সহকারী তলোয়ারবাজ ময়ূরবাহনকেও পরাজিত করেন তিনি। শেষ অবধি মৃত্যু হয় উদিতের অআর ময়ূরবাহনের। নিষ্কণ্টক হয় রাজ সিংহাসন। উজিরের প্রাসাদে বন্দি শংকর হয় মুক্ত। এবার ফিরতে হয় গৌরীকে। কেন না তাঁর কাজ শেষ।সে নিখুঁতভাবে শঙ্করের ভূমিকায় অভিনয় করলেও সেও শংকর নয়।
কিন্তু শঙ্করের বাগদত্তা ঝড়োয়া রাজকন্যা কস্তুরী গৌরীশংকরের পথ আটকায়। সে কিছুতেই মানতে রাজি নয় এ সমস্তই অভিনয়। তবু ঝড়োয়ার রাজকন্যা কস্তুরীকে এবার শংকর সিংয়ের কাছে সমর্পণ করে ফিরে আসে গৌরীশংকর। গৌরী শংকর ও সংকর সিংহের এই দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার। ছবিটির কাহিনী ছাড়াও অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ উত্তম কুমার নামক ক্ষণজন্মা প্রতিভার দ্বৈত চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন।
কিন্তু শঙ্করের বাগদত্তা ঝড়োয়া রাজকন্যা কস্তুরী গৌরীশংকরের পথ আটকায়। সে কিছুতেই মানতে রাজি নয় এ সমস্তই অভিনয়। তবু ঝড়োয়ার রাজকন্যা কস্তুরীকে এবার শংকর সিংয়ের কাছে সমর্পণ করে ফিরে আসে গৌরীশংকর। গৌরী শংকর ও সংকর সিংহের এই দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার। ছবিটির কাহিনী ছাড়াও অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ উত্তম কুমার নামক ক্ষণজন্মা প্রতিভার দ্বৈত চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন।
আরও পড়ুন:

সংসার ভেঙে… চলে গেলেন শঙ্কর

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৯ : দুই সাপের বিবাদ ও রাজকন্যার গুপ্তধন লাভ! প্রাকারকর্ণের চাণক্য-নীতিতে মুগ্ধ উলূকরাজ
পাশাপাশি সৌমিত্র এ ছবিতে তার গতানুগতিক ইমেজকে অন্যভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। উত্তমকুমার যে ভূমিকাতে অভিনয় করেছিলেন হলিউডের ‘প্রিজনার্স অফ জেন্ডা’-তে সেই ভূমিকায় অভিনয় করেন স্টুয়ার্ট গ্যাঞ্জার। ময়ূরবাহনের চরিত্রটি করেন জেমস ম্যাসন। স্টুয়ার্ট গ্যাঞ্জার ও জেমস ম্যাসনের তলোয়ার যুদ্ধ এ ছবির প্রধান আকর্ষণ ছিল। তপন সিংহ, উত্তম কুমারের সাথে সৌমিত্রর তলোয়ার যুদ্ধ দেখাবেন বলে ইংল্যান্ড থেকে বিখ্যাত অসিচালকদের এনে উত্তমবাবুকে ট্রেনিং দিতেন।
এরপর আসা যাক ছবিটির কুশী লব মনোনয়ন। তপন সিংহের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল যে চরিত্র যাঁকে দিয়ে মানাবে সে ধরনের অভিনেতা অভিনেত্রীদের খুঁজে বের করা। আমাদের দুর্ভাগ্য সেই মানের পরিচালকদের প্রথম শ্রেণীর তকমা দেওয়া হয় না। উত্তম সৌমিত্রের পাশাপাশি রাধামোহন ভট্টাচার্য ও দিলীপ রায় কে যথেষ্ট উপযুক্ত করে ব্যবহার করেন তিনি।
এরপর আসা যাক ছবিটির কুশী লব মনোনয়ন। তপন সিংহের সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল যে চরিত্র যাঁকে দিয়ে মানাবে সে ধরনের অভিনেতা অভিনেত্রীদের খুঁজে বের করা। আমাদের দুর্ভাগ্য সেই মানের পরিচালকদের প্রথম শ্রেণীর তকমা দেওয়া হয় না। উত্তম সৌমিত্রের পাশাপাশি রাধামোহন ভট্টাচার্য ও দিলীপ রায় কে যথেষ্ট উপযুক্ত করে ব্যবহার করেন তিনি।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫১: জরাসন্ধ কাহিনির আধুনিকতা

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি
নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অরুন্ধতী দেবী। অরুন্ধতী দেবীর চেহারার আভিজাত্য “ঝিন্দের বন্দী”-কে অন্য মাত্রা এনে দিয়েছিল। পরিচালক হিসেবে তপন সিংহ প্রমাণ করে দিয়েছিলেন টালিগঞ্জের আবহাওয়ার মধ্যেও একটা হলিউড ভাবনার ছবি করা সম্ভব। ছবির শিল্পনির্দেশনায় ছিলেন সুনিতি মিত্র। যেখানে যেমন প্রয়োজন সে ধরনের সেট নির্মাণ করে মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষত কোট ইয়ার্ডের ছবি।
সংগীত পরিচালনায় ওস্তাদ আলী আকবর খাঁয়ের সাথে যোগ্য সঙ্গত করেছিলেন অলোকনাথ দে। আলী আকবর খানের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক তথা টাইটেল সং-এ যে যন্ত্রের মূর্ছনা উনি দেখিয়েছেন। সেখানে কোথাও পীলু রাগ কোথাও বা খাম্বাজ রাগ উভয়ের মিলনে এক অভূতপূর্ব সুরের মূর্ছনার জন্ম দিয়েছে। কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী হিসেবে প্রসূন মুখার্জীর অনবদ্য কন্ঠ সঙ্গীত ছবিটির মান অনেক উন্নত করে দিয়েছিল।
সংগীত পরিচালনায় ওস্তাদ আলী আকবর খাঁয়ের সাথে যোগ্য সঙ্গত করেছিলেন অলোকনাথ দে। আলী আকবর খানের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক তথা টাইটেল সং-এ যে যন্ত্রের মূর্ছনা উনি দেখিয়েছেন। সেখানে কোথাও পীলু রাগ কোথাও বা খাম্বাজ রাগ উভয়ের মিলনে এক অভূতপূর্ব সুরের মূর্ছনার জন্ম দিয়েছে। কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী হিসেবে প্রসূন মুখার্জীর অনবদ্য কন্ঠ সঙ্গীত ছবিটির মান অনেক উন্নত করে দিয়েছিল।

১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ছবি।
সর্বোপরি এ ছবিতে উত্তম বাবু যেন ফুলে ফুলে ভরে উঠেছেন। যৌবনে যে উত্তম সিনেমার পথে রুপোলী পর্দার হিরো হবার আকাঙ্ক্ষায় গুটি গুটি পায়ে এগিয়েছিলেন এই ছবি যেন তাঁকে সম্রাটের আসনে অভিষিক্ত করেছে। মাথার উপর ঝরে পড়েছিল কন্দর্পের আশীর্বাদ। মাথায় উষ্ণীস পরে ঘোড়ায় চড়ে যে রাজকীয় আভিজাত্য তাঁর চেহারা থেকে ঠিকরে পড়েছিল তা, যেকোনও দেশের সারস্বত সমাজের কাছে অগ্রগণ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে সে সময় মাত্র এক বছর আগে সুদূর বলিউডে ‘মুঘল এ আজম’ ছবি নির্মাণের মাধ্যমে বেলজিয়ামের কাঁচ-এ তৈরি একটি সেট সারা ভারতবর্ষকে একসঙ্গে বেঁধে ফেলেছিল। সেই আবহাওয়ায় দাঁড়িয়ে ‘ঝিন্দের বন্দী’-র মতো একটা রাজকীয় ছবির পরিণতি আমাদেরকে গর্বিত করে বৈকি যার প্রধান পুরোহিত ছিলেন উত্তম কুমার নামক একজন চলচ্চিত্র শিল্পী।—চলবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে সে সময় মাত্র এক বছর আগে সুদূর বলিউডে ‘মুঘল এ আজম’ ছবি নির্মাণের মাধ্যমে বেলজিয়ামের কাঁচ-এ তৈরি একটি সেট সারা ভারতবর্ষকে একসঙ্গে বেঁধে ফেলেছিল। সেই আবহাওয়ায় দাঁড়িয়ে ‘ঝিন্দের বন্দী’-র মতো একটা রাজকীয় ছবির পরিণতি আমাদেরকে গর্বিত করে বৈকি যার প্রধান পুরোহিত ছিলেন উত্তম কুমার নামক একজন চলচ্চিত্র শিল্পী।—চলবে।
* উত্তম কথাচিত্র (Uttam Kumar–Mahanayak–Actor) : ড. সুশান্তকুমার বাগ (Sushanta Kumar Bag), অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, মহারানি কাশীশ্বরী কলেজ, কলকাতা।


















