গরমে পাওয়া যায় এরকম ফলের মধ্যে জাম অন্যতম। টক-মিষ্টি স্বাদের জন্য জাম আমাদের প্রিয় ফলগুলির মধ্যে অন্যতম। জামের পুষ্টিগুণ প্রচুর। এতে আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ভিটামিন-সি, থিয়ামিন, প্রোটিন, রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন এ, নিয়াসিন-সহ আরও অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। জাম খেলে শরীরে অনেক রকম উপকার পাওয়া যায়।
একঝলকে দেখে নিন জাম খাওয়ার উপকারিতা
হজমে সাহায্য করে
● হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে জাম। জামের মধ্যে থাকা ফাইবার এবং জল অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই হজমের সমস্যা কমে। এটি পেট ফাঁপা হওয়ার মতো সমস্যা কমায়। তবে এই ফল অম্লীয় প্রকৃতির হওয়ার কারণে বেশি মাত্রায় খেলে আবার পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
● এই ফলে গ্লাইসেমিক সূচক কম। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম উপকারী ফল হিসেবে বিবেচিত হয়। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা যেমন বারবার প্রস্রাব এবং গলা শুকিয়ে আসার মতো সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
রক্ত বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে
● অনেকেই হয় তো জানেন না, জাম আমদের রক্ত বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। যাঁরা আয়রনের ঘাটতি এবং কম হিমোগ্লোবিনের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের খাদ্যতালিকায় জাম রাখা যেতে পারে। জামে থাকা ভিটামিন-সি এবং আয়রন আমাদের রক্তকে বিশুদ্ধ করতে এবং দেহকে টক্সিন মুক্তি করতে সাহায্য করে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
● জাম পটাশিয়াম সমৃদ্ধ একটি ফল। তাই এই ফল খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকতে, আবার হার্টের স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সহায়তা করবে।
মুখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে
● মাড়ির সমস্যার সমাধানেও জাম খুব উপকারী। এই ফল খেলে মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ এবং মাড়ির প্রদাহের সমস্যায় সাহায্য করে। এর রস মাউথওয়াশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। জামের পাতায় থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে পারে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
● ভিটামিন-সি ছাড়াও জামের প্রদাহরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন সংক্রমণ এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে এই ফল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাঁপানি, ফ্লু বা এই ধরনের সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী এই ফল।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
● জামে ফাইবার বেশি এবং ক্যালোরি কম থাকে। এই ফল আমাদের তৃপ্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে। মুখরোচক এই ফল খিদের নিয়ন্ত্রণ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
যোগাযোগ: ৯৮৩০৭৬৮১৫২
* হেলদি ডায়েট (Healthy Diet): সুতনুকা পাল (Sutanuka Paul), পুষ্টিবিদ, ডায়েট-টু-ফাইট।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com