রবিবার ৮ মার্চ, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি

বেনারস।

গোরা মানে গোরাচাঁদ নয়। গৌরাঙ্গ নয়। এ পরিবার শিবমন্ত্রে দীক্ষিত। গোরা হল গৌরিতোষ। সুনীতির সব ছেলেই মহাদেবের দোরধরা। শঙ্কর গৌরিতোষ আশুতোষ আর পিনাকী। আগের পক্ষের দেবতোষ শিবতোষও তাই। তার ওপর আর এক চমৎকার। বছর চারেক বয়সে সুনীতি সপরিবার বারাণসী গিয়েছিলেন। বাবা কিনে দিয়েছিলেন ছোট একখানি শ্বেতপাথরের শিব। লিঙ্গ নয়। পদ্মাসনে বসে থাকা সুস্মিত দেবাদিদেব। দেখার মত হল, তার টানা টানা দুটো অতলান্ত চোখ। যেগুলো খোলা। আর অপূর্ব ওষ্ঠের ওপর এক চিলতে সরু কালো গোঁফ। ধবধবে পাথরের ফুল বাবুটি যেন বসে আছে নিখুঁত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে।

ছোটবেলায় অন্য সব খেলনাপাতি ছেড়ে ওই শিব সাজানোর খেলায় মেতেছিলেন সুনীতি। তাকে চান করানো। নিজের হাতে তৈরি নতুন নতুন পোশাক পরানো। তার জন্য সোনার মুকুট। সোনার হার। রূপোর ত্রিশূল। রূপোর সাপ আর ছোট সিংহাসন। মেয়ের আবদারে সব এল ধনা স্বর্ণকারের কারখানা থেকে। সেই খুদে মূর্তি ঠাকুর ঘরে গেল না। চব্বিশ ঘন্টা রইল বালিকার জিম্মায়। সুন্দর জড়ি চুমকির কাজ করা একরত্তি বটুয়ায়। থাকতে থাকতে দুজনের মধ্যে গড়ে উঠলো আশ্চর্য সম্পর্ক। বাৎসল্যের। সুনীতি তখন থেকেই মা হলেন। সেই চার পাঁচ বছর বয়সে। তাঁর অপৌরুষেয় সন্তানের নাম দিলেন মনু। বিয়ের পরে অপরিচিত শ্বশুরালয়ে সুনীতির সর্বক্ষণের সঙ্গী সে। ক্রমে মনু আদিনাথের বিরাট পরিবারের একজন নির্বাক সদস্য হয়ে রয়ে গেল। পরিবারের ছেলেমেয়েরা মনুকে নিজের জ্যেষ্ঠ সহোদর বলেই আশৈশব চিনলো।
শ্বশুরবাড়ির নিজস্ব মন্দিরে শ্বেত পাথরের আসনে পূজিত হতেন লিঙ্গ শিব। কালো কষ্টিপাথরের সেই আধ হাত মূর্তি আদিনাথের বংশের। একশ বছর ধরে পূজিত। তাঁরই উদ্দেশ্যে নানাবিধ ভোগ নিবেদন। শিবরাত্রি নীলের উপোসের ধুমধাম পার্বণ। দুধ ঘি মধু চন্দন ডাব গঙ্গাজল। ধুতরো বিল্বপত্র আকন্দ নীলকণ্ঠ। আতপ চাল তিল দধি ফল ফলাদির নিয়মিত নৈবেদ্য। ধূপধুনো দীপ আরতি যোগে সমারোহময় ষোড়শপচার উপাসনা। ওদিকে মনুর দিন কাটতে লাগলো সুনীতির মাত্রাতিরিক্ত প্রশ্রয়ে। সবচেয়ে ভালো খাবারটা আগে তার রৌপ্য রেকাবে পড়বে তারপর অন্যের। মেয়েরা ভাতৃ দ্বিতীয়ার দিন মিষ্টান্ন সাজিয়ে আগে মনুকে ফোঁটা দেবে তারপর ভাইদের।

এভাবেই মনুর সঙ্গে নিজেদের অধিকার ভাগ করে একসঙ্গে বড় হয়ে উঠেছে গোরারা। কলকাতা ছেড়ে মা বাবা ভাই-বোনেরা যেদিন ডায়মন্ড হারবার চলে গেল সবাইকে ছেড়ে কেন যেন সেদিন গোরার ওই মনুর কথা খুব মনে পড়ছিল। সমাধানহীন টুকরো ঈর্ষা জমা হচ্ছিল বুকের ভিতর। মনু সব সময় মায়ের সঙ্গে থাকে। গোরাও তো তাই চেয়েছিল। সম্ভব হল না। মাকে ডায়মন্ড হারবারের ট্রেনে তুলে দিয়ে ওকে একলা ফিরে আসতে হয়েছিল এই নিঃসঙ্গ পুরীতে। কী করবে, প্রাণ ছুটে গেলেও শরীরটাকে তো পাঠানোর উপায় নেই।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৮: সুনীতির পথ জন্মান্তরে

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৫ : Twoকি!

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪০: বেচারা বড় কষ্টে আছে, মহর্ষি সাহায্য পাঠিয়েছিলেন সাত হাজার টাকা

হ্যালো বাবু! পর্ব-১০৭: ডেসডিমোনার রুমাল/৬

কলকাতা কর্পোরেশনের গ্রুপ-সি স্তরে একটা কাজ পেয়েছে। অ্যাকাউন্টেন্সি নিয়ে সিটি কলেজের নাইটে ভর্তি হয়েছে। বড়দা খুব সাহায্য করেছেন। দু’একজন অফিসারের কাছে পাঠিয়েছিলেন। লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে আসে গোরার কারোর কাছে হাত পাততে। চোখে জল আসে। লজ্জায় মাথা তুলে তাকাতে পারে না। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে সংকোচে জিভ জড়িয়ে যায়। তবু জানে সংসার চালাতে হবে তাকেই। অত ভাই-বোন। সবাই ছোট। সোনাদা বড় হলে কি হবে ..সে তো পার্টি করে বেড়ায়। কেউ দেখার নেই ওদের। দুটো টিউশন চলছে। বেলেঘাটায়। সামনের সপ্তাহে হয়তো আরো একটা শুরু হবে। এখনো মাইনে ঠিক হয়নি। তবে উঁচু ক্লাস তো। নিজের মনে হিসেব করে উনিশ বছরের গোরা। মাইনের সঙ্গে গোটা তিরিশেক জুড়ে একশ হবেই। তার মধ্যে কলেজের ফি তিন টাকা। নিজের অল্প একটু হাত খরচা রেখে মাকে যেটা পাঠাবে তাতে মায়ের চলবে তো? কিন্তু কতদিনই বা পাঠাতে পারবে!
গোরা যে সংসারী হবে। ভালোবেসেছে একজনকে।
ভাঙাচোরা শুকতারা সিনেমা হল অদ্ভুত স্থাপত্যের ছায়ায় ধূলি ধূসরপথে অভিরূপা জ্যোৎস্নায় ফিসফিস করে গেয়েছে পূর্ণিমার গান। কাউকে বলেনি। পরস্পরকে ছুঁয়ে কেবল যুগলের মধ্যে জেগে উঠেছে আশ্চর্য পারলৌকিক শিখা। এমন করেও ভালোবাসা যায়! চারপাশের হাজার সংকটের মধ্যেও মনে করা যায়, তাদের জন্ম মৃত্যু একই বিন্দুতে!

ওর নাম মীরা। বর্ধিষ্ণু পরিবার। মীরার ভাইকে পড়াতে গিয়ে আলাপ। সেদিন সূর্যাস্তের সোনায় উপচে পড়ছিল আকাশ। গোরা অফিস ফেরত লোহার গেট ঠেলে ঢুকতে ঢুকতে শুনেছিল একতলার ছোট ঘরটায় ও গাইছে, হারমোনিয়াম বাজিয়ে, “মোর পায়ের চিহ্ন পড়ি বিদায় পলে রাখব ধরি, মরণ যেদিন আসবে ফিরে, ওগো প্রিয়, জাগো গো বাসর শূন্য শয্যা পাতি, আমার বিফল রাতে..আমার আঁধার ঘরের প্রদীপ যদি নাই বা জ্বলে।” ওকে দেখা যাচ্ছিল। জানলার ধারে উঁচু খাটের ওপর বসে, হারমোনিয়াম বাজিয়ে গাইছে। ছোট ছোট কুঁচি দেওয়া সুতির সাদা পর্দা অকারণ বাতাসে হু হু উড়ছিল। জানলার পাশে গন্ধরাজের ভরন্ত ডাল, গলিতে ধুনোর গন্ধ। গোরার মগ্ন দৃষ্টিতে একরাশ আলো নিয়ে দৃষ্টি মিলেছিল মীরার। গান থেমেছিল মুহূর্তে।

মায়েরা ডায়মন্ড হারবার চলে গেছে অনেকদিন। কিন্তু চারপাশে অনাত্মীয় শূন্যতা যেন ভরাট হবার নয়। ফাঁকা ধুধু ঘরদোর। যে বাড়িতে মা নেই খুকু সুধা দেবী সোনাদা বাবা কেউ কোথাও নেই সেখানে একলা গোরা পড়ে রইল ফেলে যাওয়া প্যাটরার মত। মনে পড়ে মায়েরা যেদিন এখানকার বাস উঠিয়ে চলে গেল বস্তুমুখী স্মৃতির সে কি তাড়না! মায়ের ঘরের অগোছালো বিছানা ছেড়ে রেখে যাওয়া দু’ একটা জামা কাপড় এক কোণে সুধা গৌরীর মুন্ডু ভাঙা একটা পুতুল। সিমেন্টের তাকে সোনাদার দু’চারটে পয়েন্টেড তুলি, খুকুর পুরনো অঙ্ক বই আর রামের অনেক কটা ফাঁকা ওষুধের শিশি ওরা শুধু পড়ে রইল গোরার প্রবাসী জীবনে দুখী সহচরের মতো।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র,পর্ব-৭২ : গলি থেকে রাজপথ

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, সুন্দরবনের বারোমাস্যা পর্ব-১২৬: সুন্দরবনের পাখি: গুলিন্দা বাটান

সেদিন শিয়ালদার জনারণ্য ছেড়ে ট্রেন চলে গিয়েছিল দক্ষিণে। ঊর্ধ্বমুখে উড়তে থাকা কয়লার ধোঁয়া যেন অনিশ্চয়তার নতুন নতুন গোলা ছুঁড়ে দিচ্ছিল আকাশে। সূর্য নিজের মনে অস্ত যাচ্ছিল পশ্চিমে। আর পুব মুখে হাঁটতে থেকেছিল গোরা। অজানা শহর ধরে মাইল দুয়েক। লাল মন্দির, আর্য ফ্যাক্টরি, বিদ্যাসাগর কলেজ, ট্রামলাইন আঁকা প্রকাণ্ড রাস্তা ধরে পায়ে পায়ে হেঁটে পৌঁছে গেছিল ডিএল রায় স্ট্রিটের ওই বাড়িটাতে। সন্তর্পণে একতলার কোলাপসিবল খুলে ভিতরে ঢুকবার সময় পা চলছিল না। মনের পাষাণ এত ভারি! মনে মনে ভেবেছল, কেন বড়দা মেজদা তো আছেন বড় বৌদিরাও আছেন। বাবা যাবার আগে গোরাকে নজর দেবার কথা ওদেরকে বলেও গিয়েছেন। তবু ভিতরে জমাট অস্বস্তি গোরার! বাইরের সুন্দর সাজানো পরিপাটি বৈঠকখানার মতো ওঁরা সর্বদা সুসজ্জিত হয়ে থাকেন। মিষ্টি কথায় আপ্যায়ন করেন। এসো বসো চা খাও আপত্তি নেই। কেবল আমাদের অন্দরে ঢোকবার চেষ্টা করো না। দূরত্ব রক্ষা করো অতিথির মত। তবে তুমি নিরাপদ। সব বোঝে সে। প্রথম দিন থেকেই বুঝে ছিল। ঢোকার স্বভাবও তার নেই। অন্তর্মুখী লাজুক মানুষ। মাথা তুলে কারোর দিকে চেয়ে কথা বলতে দুবার ঢোক গিলতে হয়। তার একমাত্র স্বাচ্ছন্দ্য মায়ের সান্নিধ্যে। আর ছোট ভাইবোনদের গণ্ডিতে। গোরার মাথায় হাত বুলিয়ে মা বলত, আমার গোরাটার যে কি হইব ..এত লাজুক..এত কোমল..ওর ভিতর শিবের রুদ্রত্ব নাই। কেবল সুন্দরটুক আছে। সব রুদ্রত্ব জমা হইছে শংকরে। আর তারপর মাথায় জপ করে দিতেন বৈদিক শিবের রুদ্র মন্ত্র। বলতন, শক্তি সঞ্চয় কর। তেজ জাগ্রত হউক তোমার মধ্যে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৬: এক অনন্য অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ রামচন্দ্রের অরণ্যবাস

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮২: ত্রিপুরা : উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রত্নভূমি ঊনকোটি

তৎপুরুষায়ো বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি তন্নো রুদ্র প্রচোদয়াৎ।

সেই স্পর্শে গোরা কী যে অপার্থিব শক্তি অনুভব করত তা শুধু সেই জানে। সেই তপের শক্তি মাথায় করে গোরা এতদিন এত পরীক্ষা দিল। ম্যাট্রিকে তো ফরিদপুরের গোটা জেলার মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছিল। মায়ের হাতের জপ মাথায় নিয়েই না তার চাকরি! কিন্তু মীরা! ওর জন্য মায়ের আশীর্বাদ কবে পাবে গোরা!

ছোট ভাইবোনদের মা শিখিয়েছিল গোরাকে সুন্দর দাদা বলে ডাকতে। সেই ডাক এখন কতদিন শুনতে পায় না। মাকে দেখতে পায় না। নিজের অস্তিত্বটুকু নিয়ে অনাহূত আগন্তুকের মত এই নতুন বাড়িতে টিকে থাকে সে!

একতলার হলঘরে এখন কেউ নেই। মূল ফটক ভেজানো ছিল। অফিস থেকে ফিরে পশ্চিমের বড় জানলাটা খুলে গোরা চেয়ারে চুপ করে বসলো। যেদিন প্রথম কলকাতায় এসেছিল সেদিন রাস্তা থেকেই সুধার কি চিৎকার, কি আনন্দ। গৌরীটাও জুটে ছিল সঙ্গে। থামানোই যায় না। বাবার বাড়ি, নতুন বাড়ি। কইলকাতা যাইতাছি, যাইতাছি। ওদের কাণ্ড দেখে সবার হাসি। আর তারপর বাড়িতে ঢুকবার সঙ্গে সঙ্গে বড়দারা চারজন নেমে এলেন উপর থেকে। বাবাকে প্রণাম করে হাত ধরে উপরে নিয়ে গেলেন। প্রণাম করলেন মাকেও। ওপরে উঠবার সময় মেজ বৌদি সুধাদের হুড়োহুড়ি দেখে কড়া গলায় ধমকে উঠেছিলেন। বছর ঘুরে গেল। ওই তীক্ষ্ণ স্বরের দাপট গোরাকে এখনও চমকে দেয়। সুধা ভারি আহ্লাদি। সবচেয়ে ছোট। সকলের আদরের। পাকা বুড়ি কথায় সকলের কাছে আস্কারা পায়। সুধা বলে ফেলেছিল হয়তো বলাটা উচিত হয়নি একতলার লাল সিমেন্টের রোয়াক আর ভেতরের ঢালা উঠোন পেরিয়ে বৈঠকখানার সাজানো সোফা টেবিল লম্বা বাতিদানে হাত বুলিয়ে, দেখেশুনে নেড়ে চেড়ে বন্ধ কাচের আলমারির ভেতরে সাজানো পুতুলগুলোর দিকে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে বলেছিল, ফুলদি দ্যাখ.. আমাগো বাড়ি ..এত্ত সুন্দর জাইনতামই না, এখানে একখান বাড়ি আমাগো বাবার বাড়ি, এ বাড়ি ছাইড়া আমরা কুনোদিন যামুনা।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

রহস্য রোমাঞ্চের আলাস্কা, পর্ব-৬৫: একদিকে জল, অন্যদিকে পাহাড় সিউয়ার্ডের রাস্তা যেন স্বর্গদ্বার!

ওর পাকা কথা শুনে সবাই যখন মজা করতে যাবে, ঠিক তখনই কি ভীষণ ধমকে উঠেছিলেন মেজ বৌদি, এই মেয়ে একদম ডেপো কথা বলবি না। কোনও জিনিসপত্রে হাতে দিবি না। চুপচাপ শান্ত হয়ে থাকবি। সুধা চিরকাল প্রাণ খুলে কথাই বলে এসেছে আর বাড়িশুদ্ধ সবাই তাতে মজা করে আস্কারা দিয়েছে।

ধমক খেয়ে সুধার মুখ শুকিয়ে সঙ্গে সঙ্গে এতোটুকু। জীবনের অন্য এক রূপের পরিচয় পেয়ে এই প্রথম থমকে গেল ওদের আদরের সুধারানি। ওরা সকলেই লজ্জায় মরে যাচ্ছিল। মায়ের মুখটা কালো হয়ে গেছিল। থামিয়ে দিয়েছিল সোনাদা। মেজ বৌদিকে শুনিয়ে বলেছিল, বুঝলি পুতলি, বাড়িখান আমাগো নয়, বাবাতুতো ভাইদের। আমরা এখানে আশ্রিত।
—আশ্রিত মানে কিরে সোনাদা?

শঙ্কর বলেছিল, এদের পাল্লায় থাইকলেই বুঝবি আশ্রিত করে কয়।
এবার মেজবৌদির শুকিয়ে যাওয়া মুখ। কেমন ভয় পাওয়া, ছিঃ সোনা ভাই আমি কি তেমন কিছু বলছি? এসব কী বলো তুমি? তোমার দাদা মেজদা যদি শোনেন।

আর মাকে বলেছিল, মা, আমি যদি অপরাধ কিছু করি তবে আমাকে ক্ষমা করবেন।—চলবে।

* ধারাবাহিক উপন্যাস (novel): দেওয়াল পারের দেশ (Dewal Parer Desh)। লিখছেন জয়িতা দত্ত (Dr. Jayita Dutta), বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক, হুগলি মহসিন কলেজ।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content