
জুবিনের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী গরিমা। ছবি: সংগৃহীত।
মাত্র ৫২ বছরে প্রয়াত গায়ক জুবিন গার্গ। সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়। ২০০৬ সালের ‘ইয়া আলি’ গান জুবিনকে খ্যাতি এনে দিয়েছিল। প্রায় দুই দশক পরে, আজও সমান জনপ্রিয় সেই গান। জুবিনের এই মর্মান্তিক পরিণতি মেনে নিতে পারছে না অনুরাগীরা। সারাজীবন অন্তরালেই থেকে এসেছেন জুবিনের স্ত্রী গরিমা। স্বামী জুবিনের মৃত্যুতে কী অবস্থা গরিমা শইকীয়ার?
২০০২ সালে জুবিনের সঙ্গে বিয়ে হয় গরিমার। জুবিন যখন ক্যামেরার সামনে মঞ্চ মাতাচ্ছেন, তখন গরিমা থেকেছেন ক্যামেরার পিছনে। গরিমা শইকীয়া অসমের জনপ্রিয় পোশাকশিল্পী। পাশাপাশি তিনি লেখিকা, সিনেমার প্রযোজকও। একাধিক অসমিয়া ছবির প্রযোজনা করেছেন গরিমা। গায়ক জুবিন যখন সাফল্যের শীর্ষে, তখনও স্বামীর খ্যাতির প্রভাব নিজের উপর পড়তে দেননি গরিমা।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩১: মহর্ষি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে মৃত্যু

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩১: যে পালিয়ে বেড়ায়

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৩৩: আকাশ এখনও মেঘলা

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৫: পূর্বোত্তরে আন্তরাজ্য সীমা বিবাদ
জুবিনের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের কিছু ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানেই দেখা যাচ্ছে কেঁদে চলেছেন গরিমা। তিনি প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়ার মতো অবস্থা। গায়কের বাড়িভর্তি আত্মীয়-পরিজন। কিন্তু গরিমাকে কিছুতেই শান্ত করা যাচ্ছে না। দরজার বাইরে বসে আছে জুবিনের পোষ্য। মন খারাপ। খাওয়াদাওয়া প্রায় বন্ধ। কেবল অশ্রুসজল চোখে মনিব জুবিনের অপেক্ষা করছে সে।


















