মহর্ষি শৌনকের অনুরোধে সৌতি উগ্রশ্রবা, জনমেজয়ের সর্পসত্রে বৈশম্পায়নকথিত মহাভারতের কুরুপাণ্ডব বংশধরদের উৎপত্তি বিষয়ে বলতে আরম্ভ করলেন।
মহর্ষি শৌনকের অনুরোধে সৌতি উগ্রশ্রবা, জনমেজয়ের সর্পসত্রে বৈশম্পায়নকথিত মহাভারতের কুরুপাণ্ডব বংশধরদের উৎপত্তি বিষয়ে বলতে আরম্ভ করলেন।
অযোধ্যার রাজা দশরথের মনে শান্তি নেই। তিনি অপরিমিত চতুরঙ্গ সেনা বলের অধিকারী, জনপ্রিয়, কুবেরতুল্য ধনবান, শত্রুহীন, ধার্মিক ও জিতেন্দ্রিয়। ইন্দ্রপ্রতিম রাজা সেই অমরাবতীর মতো সার্থকনামা অযোধ্যা নগরীতে রাজত্ব করেন।
কুরুপাণ্ডবের যুদ্ধ বিধ্বস্ত হস্তিনাপুরে কৃষ্ণের বরে জীবিত একমাত্র শিবরাত্রির সলতে ছিলেন উত্তরা এবং যুদ্ধে নিহত অভিমন্যুর পুত্র পরীক্ষিত।
রামচন্দ্রের প্রশাসনকালে ছিল রামরাজত্ব। দশরথের শাসনাধীন অযোধ্যার থেকে তা ব্যতিক্রমী নয়। অযোধ্যাবাসীরা এখন হৃষ্ট, তুষ্ট ও পুষ্ট। সুখী, পরিতৃপ্ত নাগরিকজীবন সেখানে।
বাল্মীকি মুনিবর নারদের কাছে রামচরিত শ্রবণ করে যোগবলে নরচন্দ্রমার আলোকিত বর্তমান জীবন ও অতীত এবং অনালোকিত ভাবীকাল প্রত্যক্ষ করলেন।
মহাভারতের আদিপর্বের পটভূমি নৈমিষারণ্য। নিমেষ যেখানে থমকে দাঁড়ায় কথাস্রোতে। সেখানে ছিলেন গৌরমুখ মুনি। তাঁর কাছে ছিল এক কল্পতরুসদৃশ মণি। এই সুন্দর মণিটির নাম চিন্তামণি।
সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার লোকশিক্ষা প্রবন্ধে কথকতাকে লোকশিক্ষার একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। লোকসংস্কৃতির অঙ্গ ছিল কথকতা।