শনিবার ৬ জুন, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি
বাঙালি মধ্যবিত্তের বাড়ি একসময় পয়লা বৈশাখে মিষ্টির প্যাকেট আসতো, সঙ্গে ক্যালেন্ডার। এখনও পয়লা বৈশাখ আসে, মিষ্টি ক্যালেন্ডার এসবের জৌলুস হয়তো কমে গিয়েছে, বছরের পয়লা দিনের-ও সম্মান ততটা নয়, যতটা নিউ ইয়ারের ফার্স্ট ডে-র। তো সে যা-ই হোক, ওই ক্যালেন্ডার খুললে দেখা দিতেন দেবাদিদেব মহাদেব, কখনও রামচন্দ্র, কখনও রাধাকৃষ্ণ, লোকনাথ, গণেশ, লক্ষ্মী, শিব-পার্বতী। তবে শিবের পাল্লা বেশ ভারি। পিছনে বিস্তীর্ণ হিমালয়, শ্বেতধবল শৃঙ্গ, কুলকুল করে বয়ে চলেছেন গঙ্গা, সর্পলাঞ্ছিত জটাজুট, কপালে চাঁদ, প্রজ্বলিত তৃতীয় নয়নবহ্নির নিচের শোভমান দুটি আয়ত নিমীলিতপ্রায় নেত্র, ঠোঁটে প্রসন্ন হাসি। গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, ভুজঙ্গভার, ব্যূঢ়োরস্ক– প্রশস্ত বক্ষদেশ, নির্মেদ টানটান পেশিবহুল তনু, ক্ষীণকটি, ব্যাঘ্রচর্মাসনে অজিনবাস বিভূতিভূষণ মহাযোগী বসে আছেন। সঙ্গে ত্রিশূল, ডমরু, কমণ্ডলু, বৃষ; মুখে প্রশান্ত হাসি, গাত্রবর্ণ নীল। চিত্রবিশেষে গায়ের রঙটির তারতম্য দেখা গেলেও প্রায় সর্বত্রই নীলকণ্ঠ মহাদেব মোহিনীমোহন যুবাপুরুষ, মঙ্গলকাব্যের সংসারভারে দীর্ণ, নেশাতুর, মেদবহুল, গুম্ফশ্মশ্রুশোভিত ভোলা ইনি নন।
দেবী কালিকার পদতলে যে শিব শবপ্রায় লুপ্তচেতন হয়ে বিরাজ করেন, গঞ্জিকায় আচ্ছন্ন, স্ফীতোদর মধ্যবয়সী কিংবা অতিবড় বৃদ্ধপতি, ক্যালেন্ডারের শিব তেমনটা নন। সেই কোন বিস্মৃত কালে এক লজ্জাবনতা তরুণী দুরুদুরু রোমাঞ্চ বুকে নিয়ে অনিন্দ্যকান্তি দিগম্বর এক সন্ন্যাসীকে রূপে ভোলাতে গিয়েছিল, সঙ্গে কোকিল, বসন্ত, মদনবাণ, নবোদ্গত প্রেমের প্রকাশের অনুকূল যাবতীয় আয়োজন, হৃদয়ের গোপনপুরে লীলাকমলের পত্রপাতের ধ্বনি। এই আয়োজনে আঘাত আছে, অবহেলা নেই। তাই আত্মগত নশ্বর প্রেম শাশ্বত অমৃত হয়ে বিশ্বজনের হয়ে ওঠে। মদনভস্মের পর জেগে ওঠে নিষ্পত্র তপস্যা, উমা হয়ে ওঠেন অপর্ণা। স্কন্দমাতা গণেশজননী হয়ে উঠতে তখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।

যে শিব শ্মশানবাসী, ভস্মাবৃত, আত্মভোলা, ভূমিতলে বিলুণ্ঠিত গতচেতন তিনি চৈতন্যময় অকর্মা পুরুষ, দেবী কালিকা তাঁর চেতনার আলোকে চৈতন্যময়ী হয়ে ক্রিয়াশীলা। এ হল দর্শনের গূঢ় তত্ত্ব, সমাজদর্শন যাকে বীজ থেকে মহীরূহ করেছে। শিব হয়েছেন আশুতোষ, হয়েছেন ভারতাত্মার পরমারাধ্য মঙ্গলময়। সেই নির্গুণ ত্রিগুণাতীত মহাভিক্ষুকের ধূলিশয্যাই হিরণ্যময় হয়েছে। তাঁর শিরে মহার্ঘ্য মুকুট নেই, নেই রাজকীয় বসনভূষণ, দেবোচিত পারিপাট্য, ভয়বিমিশ্রিত শ্রদ্ধাভক্তির দাবী নেই। তবুও জনগণেশের হৃদয়সম্রাট তিনি।
আরও পড়ুন:

বিচিত্রের বৈচিত্র, গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৯: সন্ধিভেদজাতক — মূর্খের স্বর্গ

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৬ : ‘চণ্ডাল-কূপ’ ও অস্পৃশ্যতা: পঞ্চতন্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ভারতের এক দগদগে ইতিহাস

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৪ : গরুর পালে বাঘ

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২১: বিবাহ সংবাদ, আদিনাথ-গোরা

তবে কল্যাণপদবাচ্য মঙ্গলমূর্তি হয়ে উঠতে অনেক পথ পেরোতে হয়েছে তাঁকে। আদিতে যিনি বৈদিক রুদ্ররূপে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর ঘাতক, পশুপতিরূপে যিনি পশুপালক, যাঁর দৃষ্টিতে বিষ, কণ্ঠে বিষ, সেই ভীষণ ভয়াল অমানুষিক অদৈবসত্তা মেঘডম্বরের ধ্বনির তালে তালে, প্রবল ঝঞ্ঝাবাতের প্রলয় হয়ে চলচপলার চকিত চমকে তনু, মন ও মস্তিষ্ক প্রকম্পিত করে, শরীরের শোণিতধারায় বিদ্যুতের তরঙ্গ তুলে তুলে, বজ্রের আঘাত হেনে হেনে ধরাকে ত্রস্ত করেছেন। তিনি স্বয়ং প্রলয়, জাগতিক স্থিতিকাল তাঁর নিষ্ঠুর পদপাতে শূন্যে বিলীন হয়। ক্রমে ক্রমে ঈশানের সেই চরণধ্বনিতে ছন্দোময় নুপূরনিক্বণ জেগেছে, তাঁর তাণ্ডব হয়েছে আনন্দঘন, তিনি স্বয়ং ত্র্যম্বক হয়ে, নীলকণ্ঠ হয়ে, পিনাকপাণি হয়ে মৃত্যুর মাঝেও সৃষ্টিসুখের উল্লাস জাগিয়েছেন। বিবর্তনের পথে পথে তিনি সূর্য, আদিত্য, বিষ্ণু, কৃষ্ণ প্রমুখ দেবসকলের বৈশিষ্ট্য আত্তীকৃত করেছেন, নিজেকেও ভেঙেছেন।

অভিযোজনের স্তরে স্তরে তাঁর আরণ্যক অভিযান এসে মিশেছে শমদমোত্তীর্ণ সমাধিতে। ক্রমে যেন এক সরলীকৃত স্বাঙ্গীকরণের পদ্ধতিতে রুদ্র-শিব একাধারে ধ্বংস-সৃজনের সত্যস্বরূপ হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছেন। ক্রমে পুরাণপুরুষ পরমেশ্বর হয়ে, ত্রিদেবের অন্যতম হয়ে শিব হয়ে উঠছেন প্রলয়লীলার কর্তা মহাকাল, তিনিই বাক্স্ফূর্তির প্রকরণ শাশ্বত ধ্বনিময় বর্ণরাজির উদ্গাতা, তিনিই সিদ্ধিদাতা, মুক্তিদাতা মোক্ষকারক, অর্ধনারীশ্বর, অনাদি-অনন্ত-স্বয়ম্ভূ, তিনিই শৈবের পরমচৈতন্য, তিনিই দিনান্তের অস্তগমনোন্মুখ সূর্য হয়ে বহুবৈচিত্র্যের মাঝেও মৃত্যুমুখী জীবনের সুবিদিত, অনতিক্রমণীয়, অনিবার্য একমাত্র সত্যটিকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে যান নিত্য, বর্ষব্যাপী। সৃজনমুখী জীবনের স্থিতিশীল সমৃদ্ধির পাশেই সুন্দর ও সার্থক হয়ে ওঠার এই বিচিত্র পরিসর সত্য হয়ে ওঠে শিবরাত্রি থেকে চৈত্রের গাজনে, শারদোৎসব থেকে ষষ্ঠীব্রতে।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৫৬: আকাশ এখনও মেঘলা

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪৭: জরাসন্ধের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মত ও তাঁর নামের মাহাত্ম্য

মনে প্রশ্ন জাগে, দ্বিধাবিড়ম্বিত দ্বন্দ্বদীর্ণ এই নশ্বরলোকের সৃজনোন্মুখ, ধ্বংসকুটিল যাত্রাপথে একান্ত সত্যভূত কিছুর অস্তিত্ব কি আছে? বৈজ্ঞানিক আপেক্ষিকতার উপলব্ধি ও একান্ত পরিবর্তমান ঐহিক কর্মপ্রাবল্যের মাঝে মাঝে শাস্ত্রবচন, অভিজ্ঞতা, উপদেশ, অনুভূতির নানা প্রাকরণিক তত্ত্ব-প্রয়োগ। কর্ম, জ্ঞান, নিষ্কাম কর্ম, কর্মফল থেকে নৈষ্কর্ম্য… জগতের বিচিত্ররূপে নানা তরঙ্গদল। মনে পড়ে, বৈদিক ঋষিও জগতের উত্পত্তির কারণের অনুসন্ধানে, অনুধ্যানে কেবল সংশয়িত হৃদয়ে ব্যাকুল জিজ্ঞাসায় উন্মুখ হয়েছেন। তখন কী ছিল, কী ছিল না, এটি ছিল কি, ওটি ছিল কি এই ব্যাকুলতায় দ্বন্দ্বাচ্ছন্ন হৃদয়ে নাসদীয় সূক্তে সাজিয়ে তুলেছেন তাঁর অনুভূতিমালা। প্রাচ্য-পাশ্চাত্ত্য দর্শন কিংবা বিজ্ঞানের চর্চাপ্রসূত যুক্তিনিষ্ঠ প্রমাণ-প্রামাণ্যের বোধ নব্য শিক্ষার্থীর বিদ্যাচর্চা থেকে প্রাজ্ঞজনের সারস্বত সাধনাতেও কখনও কখনও তথ্য-তত্ত্বের সত্য ও সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বহুলাংশেই মীমাংসিত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সযত্নলালিত আকাঙ্ক্ষাটি অবচেতনেও ফল্গুধারার মতো বয়ে যেতে থাকে। তত্ত্ব, সম্ভাবনা, অনুমান ইত্যাদি যেন সর্বজনগ্রাহ্য, মান্য, প্রত্যক্ষের দাবীর দিকে ধাবিত হতে থাকে স্বীকৃতির অভিপ্রায়ে। এই বিদ্যাচর্চার কাঠামোয় দুরূহ দর্শন, গভীর সমাজবোধের নেপথ্যে বহমান মূল ভরকেন্দ্র অনন্ত জীবনের চালচিত্রটি খানিক উপেক্ষিত থেকে যায় যেন। জীবন-মরণের দ্বৈতের বাইরে থাকা মহাজীবনের রহস্যমেদুর সামগ্রিকতায় তত্ত্ব-দর্শন-ধর্ম-কর্মের ব্যঞ্জনাময় স্বরূপ যেভাবে স্ফুট হয়, খণ্ডিত তত্ত্বদর্শনে তা তেমন অভ্রান্ত হয় না। শিবস্বরূপের বহুস্তরীয় উন্মোচনের পথেও সেই জীবনবোধটিই মুখ্য, সেখানে ভক্তের বিশ্বাস, তত্ত্বজ্ঞের অনুমান, যুক্তিনিষ্ঠের বোধসঞ্জাত প্রজ্ঞা, ধার্মিকের ধর্ম, নিরপেক্ষের সন্ধানী শুদ্ধ জ্ঞানচর্চা সকলকিছুর-ই অবকাশ থাকে, যেখানে সার্থক-নিরর্থক, চূড়ান্ত-পরমের হয়ে ওঠার থেকেও সুদীর্ঘকালের বহমান জীবনবেদটিই মুখ্য হয়ে ওঠার দাবী রাখে।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩৯: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — চিতল হরিণ

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৩ : শহরের ইতিকথা

শিবতান্ডবে ছন্দোময় তাণ্ডবনৃত্যের মাঝেই জেগে ওঠে যেন এক ঐশ্বর্যমণ্ডিত জীবনকল্প, যেখানে শম্ভু শঙ্করের ভুজঙ্গতুঙ্গমালিকাশোভিত জটারণ্যের মধ্যে বয়ে যায় পাবন জলপ্রবাহ, বিধৌত করে জীবনের কূল, নিষ্কলুষ করে ধীশক্তি। তার পাশেই জ্বলে ওঠে ললাটপট্টপাবক অগ্নিজ্বালাময় নেত্রটি। এর পাশেই বালচন্দ্র জেগে ওঠে তাঁর ভালে, সকল শুভোদয়ের আকাঙ্ক্ষাটুকু নিয়ে।

জগতের সকল ভালমন্দের দোলাচল, বোধ ও মস্তিষ্কসঞ্জাত চেতনা, প্রাণবেদনা সেই সন্ন্যাসীর অমিতবিত্ত জলদমন্দ্রধ্বনিগম্ভীর মহানৃত্যের প্রতীক হয়ে আজও মানুষকে আলোড়িত করে। সেই চঞ্চল জ্যোতির্ময় নৃত্যলীলার বিভঙ্গে জন্ম, মরণ, হাসি, কান্না দুঃখোতীর্ণ সুন্দর ও আনন্দঘন হয়ে ওঠে। তাঁর নৃত্যসুন্দর রূপটি জগতের বহমান আনন্দযজ্ঞের নিত্যরূপ, সেখানেই বন্ধন, সেখানেই বন্ধনমোচন, সেখানেই সকল জাড্য ভেঙে আলোকিত হয় সকল বন্ধনের অবসানে জেগে ওঠা মুক্তির রূপ।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯২: কৈলাসচন্দ্র সিংহ ছিলেন সত্যনিষ্ঠ আপসহীন এক ঐতিহাসিক

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি

সেই পরমাকাঙ্ক্ষিত মহাভিক্ষুকের অভিষেক ঘটে শিবরাত্রির রাতে। মুক্তিকামীর মোক্ষবাসনা থেকে পরিণয়ার্থীর মিলনাকাঙ্ক্ষা, সকলই আশুতোষ শিব চরিতার্থ করেন এই বিশ্বাস বুকে নিয়ে মানুষ তার আপাত, আপেক্ষিক ও সার্বিক বন্ধন অতিক্রমে নিরত হয়েছে। এরপর ফাল্গুনশেষের উতল চৈত্রবায়ুর তালে তালে দেওয়ালে দুলতে থাকবে বর্ষারম্ভে প্রলম্বিত ক্যালেণ্ডার। সমাসন্ন হবে অবসান, জেগে উঠবে আরম্ভ। ঝঞ্ঝাবাতের অভিঘাতে ঠোঁটে রহস্যময় হাসিটি নিয়ে দুলতে থাকবেন মহাধ্যানী। আর সেই অমর রবীন্দ্রগানে শিবশম্ভুর ঐতিহ্যাগত নৃত্যশীল নটরাজমূর্তি আজও নবতর দ্যোতনা নিয়ে সকল বন্ধ, সকল সুপ্তির ঊর্ধ্বে মুক্তসুরের অনন্ত মহাসঙ্গীতের আনন্দধ্বনি জাগিয়ে চলবে নিরন্তর, সুরে সুরে, তালে তালে, যুগে যুগে, কালে কালে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content