
ছবি : প্রতীকী।
এই গল্পটি আসলে রাজনৈতিক, যার অঙ্গে অঙ্গে সমাজ, নীতি, অন্যায় ও ধর্মবোধ ঝিলিক দেয়। আচ্ছা, যে সয় সে-ই রয় তো? না সইলে তো বিনষ্টি। আবার অন্যায় যে সহ্য করে সেও তো ঘৃণ্য। তাহলে? জগৎ তো অবিমিশ্র সুখে ভরা নয়, মাঝে মাঝে কাঁটার বিষ, দহনের জ্বালা। কিন্তু তা বলে সবটুকুই তোমার মনের মতো হবে? নাও তো হতে পারে। না হলে? যে সয় সে রয়। কিন্তু ন্যায়-অন্যায়ের বোধ আর সীমা বড় আপেক্ষিক। যা তোমার কাছে অন্যায়, অন্যের কাছে তা-ই বড় সুখের। কিন্তু যাকে উত্তম-মধ্যম-প্রথম সকলেই অন্যায় মানবে, তা যে সয় কেন সয়? কখনও ভয়ে, কখনও লজ্জায়, কখনও প্রশ্রয়ে, কখনও ঔদার্যে।

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১৭ : কাঞ্চনজঙ্ঘা: দেখা হবে চন্দনের বনে

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১৩: ডায়মন্ড হারবার, গৌরীর হারিয়ে যাবার দিন

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৪১: যুধিষ্ঠিরের রাজসূয় যজ্ঞানুষ্ঠানের সিদ্ধান্তে কেন কৃষ্ণের অনুমোদন প্রয়োজন?

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৪: কবি-কন্যার প্রিয় বান্ধবী
একদিন বৃক্ষদেবতা আর থাকতে না পেরে নেমে এসে বললেন—
—“তুমি এই দুঃশীল বানরটির নিত্য অবমাননা সহ্য করো কেন? তাকে নিষেধ করতে পারো না কেন? এই মর্কটটি কি তোমার ধ্যেয় দেবতা? দুটি পদাঘাতে একে বিদেয় করছো না কেন? জেনো, নিষেধ না করলে মূর্খের উত্পীড়ন বাড়তেই থাকে।”
—“হে দেব! আমি যদি উত্পীড়কের তত্ত্বানুসন্ধান না করে, তার বলাবল জাতি-গোত্র বিবেচনা না করে তার উত্পীড়নের প্রতিরোধ করি তাহলে আমার অভিপ্রায় ব্যর্থ হতেও পারে।”

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৮ : কুহক

উপন্যাস: আকাশ এখনও মেঘলা, পর্ব-৪৮: আকাশ এখনও মেঘলা
“এই মর্কটটি অন্য মহিষকেও আমার মতোই মনে করে তাকে উত্পীড়ন করতে যাবে। এমন করতে করতে যেদিন কোনও উগ্রপ্রকৃতির মহিষের সঙ্গে এমন অনাচার করতে যাবে, সেদিন-ই পাবে হাতে হাতে ফল। সেদিন এর অত্যাচারের সমুচিত অভ্রান্ত প্রতিক্রিয়া ঘটবে, আমার দুঃখ-ও দূর হবে। কিন্তু দেখুন, হে দেব! আমি একে বধ না করলে প্রাণিহত্যার দায়েও লিপ্ত হবো না। কিন্তু এই দুর্বৃত্তের অবসান অন্যের হাতে হবেই, আমি পরিত্রাণ পাবো, কিন্তু হত্যার অধর্ম-ও স্পর্শ করবে না।”

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৮৬: বক্সনগরে আবিষ্কৃত হয়েছে বৌদ্ধ স্তুপ, চৈত্যগৃহ ও একটি মঠ

দশভুজা, সরস্বতীর লীলাকমল, পর্ব-৪৬: ঠাকুরবাড়ির লক্ষ্মী মেয়ে

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৩১: সুন্দরবনের এক অনন্য প্রাণীসম্পদ গাড়োল

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৪৬: সেফ শেলটার
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।


















