
ছবি: প্রতীকী।
সাগরে আরও স্পষ্ট হল নিম্নচাপ। সোমবারই ওই নিম্নচাপ অঞ্চল থেকে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড়। এর জেরে উত্তাল থাকবে সমুদ্র। আলিপুর আবহাওয়া দফতর ২৭ অক্টোবরের মধ্যে মৎস্যজীবীদের ফিরে আসতে বলা হয়েছে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গের ন’টি জেলায় ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে শনিবার সকালে নিম্নচাপ অঞ্চল স্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ওই নিম্নচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ তৈরি হবে। রবিবারের মধ্যে তা আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপের রূপ নেবে বলে মনে করছে হাওয়া দফতর। ওই গভীর সোমবার নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিতে পারে। আর এর প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপকূলে।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-৪: কথা বলা অতীত

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৩৭: জীবনখাতার প্রতি পাতায়

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৩৫: সুস্থ থাকলে কেউ কি কবিতা লেখে?

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৯: ‘বেতারে দু-খানা গান গাইলাম, পারিশ্রমিক পেলাম দশ টাকা’
দক্ষিণবঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। সোমবার বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবার কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতায় বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে।
আরও পড়ুন:

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২২: সুন্দরবনের পাখি: ডোরা-লেজ জৌরালি

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-১২ : স্বপ্নের নায়ক, নায়কের স্বপ্ন
মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। পাশাপাশি বুধবার হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় ভারী বৃষ্টি হবে। উত্তর ২৪ পরগনা এবং ২৪ পরগনাতেও শুক্রবার পর্যন্ত দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গেও। বুধবার জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে ভারী বৃষ্টি হবে।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৪: রামের অমল মহিমা, অরণ্যবাসের সাধুসঙ্গ

আকাশ এখনও মেঘলা/৪০
হাওয়া দফতর এও জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ২৭ তারিখ থেকে সমুদ্রে ঝড়ের গতি বাড়তে পারে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার পর সমুদ্রে ঝড়ের গতি সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছোতে পারে। মৎস্যজীবীদের আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে। সমুদ্রের পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রেখেছে আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণিঝড় তৈরির পর তার গতিবিধি, শক্তি এবং কোন দিকে এগোয় সে বিষয়ে আরও নিশ্চিত পূর্বাভাস দেওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।

















