কলকাতায় বৃষ্টি
ঢাকি হলধরের সঙ্গে এবার দুর্গাপুজোয় এলো তার দশ বছরের পুত্র বৈজু। বহু বছর ধরেই শহরের এই জাঁকজমকপূর্ণ পুজোয় ঢাক বাজানোর বায়না পায় হলধর ও তার সঙ্গীসাথিরা। বছরের এ সময়টাতেই একটু বেশি রোজগারের আশায় তারা বেরিয়ে পড়ে শহরের উদ্দেশে। অন্য সময় কখনও মনিবের জমিতে মুনিশ খাটে, কখনও বা একশো দিনের সরকারি কাজের বরাত পায়। কিন্তু কোনও বাঁধাধরা রোজগার নেই ওদের। আর দুর্যোগের দিনে বিশেষত বন্যায় কোনও কাজই থাকে না তাদের। নিদারুণ কষ্ট।
রূপনারায়ণের জলে ভেসে যায় ওদের ঘর গেরস্থালির জিনিসপত্র, পোষ্য এমনকি অনেক সময় ঘরবাড়িও। গ্রামের উঁচু প্রাইমারি স্কুল বাড়িটাই তখন হয়ে ওঠে ওদের সাময়িক আশ্রয়স্থল। যদিও বা মাথাগোঁজার ঠাঁই মেলে কিন্তু ত্রাণ নিয়ে চলে নানা অসহযোগিতা। সারারাত ধরে দিনযাপনের সামান্য জিনিসপত্র আগলে ওরা বসে থাকে কখন জল নামবে এই আশায়। কারণ ইতিমধ্যে উঠোন ছাপিয়ে কোমড় সমান জল ওদের প্রত্যেকের ঘরে ঢুকে পড়েছে। সঙ্গে সাপখোপ এবং বিষাক্ত পোকাও। আর করুণ এই জীবনযাত্রায় ছোটদের পড়াশোনায় বারবার ব্যাঘাত ঘটে। কিন্তু আগে তো প্রাণ, উপায় থাকে না অন্য কথা ভাবার। কোনও বছর আপাত সুস্থিত আবহাওয়ায় নদীর ধারে কাশের বনে বৈজু ও তার সঙ্গী-সাথিরা খেলে বেড়ায়। আশ্বিনে এখনও শিউলি ফুল ফোটে। পুজোর ক’টা দিন পাড়ার বড়ো দিদিদের সাথে শিউলি ফুল কুড়োনোর ধুম পড়ে ছোটোদেরও। ওদের গ্রামে একটাই পুজো হয় মল্লিকবাবুদের চণ্ডীমণ্ডপে। রথের পর ঠাকুর গড়ার দিন থেকেই প্রতিদিন বাচ্চারা জড়ো হয়ে ঠাকুরগড়া দেখতে এসে হুল্লোড়ে মাতে। সারাবছর ওরা এই পুজোর অপেক্ষা করে। পুজোর ক’টা দিন হইচই করে গ্রামের মেয়ে-বউরা বাচ্চাদের সঙ্গে মল্লিক বাবুদের বাড়ি যাতায়াত করে। কলাবউ স্নান করানো থেকে পুজোর নানা কাজে হাত লাগায় ওরা মল্লিক পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এবং আনন্দ করে ভোগ-প্রসাদ খায়। তবে এই আয়োজন গ্রামের মহিলা এবং ছোটদের জন্যই, কারণ গ্রামটি প্রধানত ঢাকিপ্রধান। সুতরাং পুরুষেরা পুজোর ক’টা দিন গ্রামের বাইরেই থাকে। সন্ধ্যার দিকে শহরের পুজোর মতো কোনও ফাংশন বা জমজমাটি অনুষ্ঠান থাকে না। কেবল নবমীর রাতে ধুনুচি নাচ হয়। তবে কোনও প্রতিযোগিতা হয় না, মা দুর্গাকে নিবেদন করে তারা ধুনুচি নিয়ে আরতি করে। এ বছর ভয়াবহ বন্যায় মল্লিকদের পুজোটাও বড় করে হবে না। হবে নম নম করে। ছোটদের মন খারাপ। এই পুজোতেই ঢাক বাজায় বৈজু। ওর হাতের কাঠিতে ঢাকে বোল ফোটে, ঢাক যেন কথা বলে। মল্লিকবাবু বৈজুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। গ্রামের পুজোর ডামাডোলে বৈজু এ বছর শহরে যাওয়ার সুযোগটাই নেয়। একপ্রকার জোর করে বাবার সঙ্গে শহরে আসে। ইতিমধ্যে জল পেরিয়ে ঢাক উদ্ধার করে আনে পুরুষরা। সেগুলোর ক্ষতি হয়,তবু সেগুলোকে মেরামত করে বাজানোর উপযুক্ত করে তারা। এ প্রায় প্রতি বছরের গল্প। এই প্রথম বৈজুর শহর দর্শন। শহরের জৌলুস, নানা বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং, নানারকম মানুষজন, ফেরিওয়ালা সে দু’চোখ ভরে দেখে আর উপভোগ করে এবং বাবা ও তার সঙ্গীসাথিদের নানা প্রশ্ন করে বিরক্ত করতে থাকে। জন্মাবধি দারিদ্র্যের ছায়া বৈজুদের মতো ছোটদেরও নিত্যসঙ্গী, তাই এ জীবন তাদের নতুন করে কষ্ট বা পীড়া দিতে পারে না বরং নতুন দেখা জিনিসগুলো তাদের কৌতূহল উদ্রেক করে। বুঝতে চায়, ছেনে দেখতে চায়। তাদের ছোট্ট পৃথিবীর বাইরেও অচেনা এ জগতের প্রত্যেকটি জিনিসই তাদের মুগ্ধ করে। পঞ্চমীর সন্ধ্যায় ওরা শহরে আসে। পুজো কমিটির লোকজন ওদের অঞ্চলের কারো বাড়িতে বা প্যান্ডেলের একপাশে ম্যারাপ বেঁধে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। এই ক’দিন খাওয়া, থাকা সবটাই চলে পুজো কমিটির সৌজন্যে।
আরও পড়ুন:

শারদীয়ার গল্প/১ : ষষ্ঠীর সন্ধ্যা

শারদীয়ার গল্প/২ : কনটেন্ট

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬৮: ঘরচিতি

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৮৯: ইরাবতীর ডায়েরি থেকে

বৈজু ঢাক বাজায় খাসা। পুজোর ক’টা দিন অত বড় ঢাক গলায় বেঁধে বাজালো সে, তাতে যে তার কী প্রবল কষ্ট হল সে কথা বোঝার অগম্যই রয়ে যায়। ষষ্ঠী থেকে নবমী কেটে যায় নানা ব্যস্ততায়। সকাল-বিকেল পুজোর সময়ে ঢাকিরা একযোগে ঢাক বাজায়। ফুল, চন্দন, ধূপের গন্ধে এবং ঠাকুরমশায়ের চণ্ডীপাঠের সুরে এক স্বপ্নালু পরিবেশ তৈরি হয়। ঢাকিরাও যেন কোথায় হারিয়ে যায়, নিমগ্ন হয়ে বাজাতে থাকে। একদিকে প্যান্ডেলে আসা নানা পোশাকের দর্শনার্থীদের ভিড়, অন্যদিকে পূজা কমিটির তরফে নানা বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজন। এ সবের মধ্যে প্যান্ডেলে আসা ছোটো ছেলেদের খেলনা বন্দুক দিয়ে ক্যাপ ফাটানোর মজাটাই সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে বৈজুকে। দুপুরের দিকে সেও ভিড়ে যায় পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে ক্যাপ ফাটাতে। বৈজুর ব্যবহারে সবাই ওর বন্ধু হয়ে যায়। সন্ধ্যায় কোমর দুলিয়ে ঢাকের সঙ্গে সে অল্প অল্প নাচতে থাকে আর নতুন বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসে। কখন পেরিয়ে যায় দশমীর রাত। শোভাযাত্রা করে ঠাকুর বিসর্জনে যায়। বৈজুর মনটা বিষাদে ছেয়ে যায়। আবার একবছর বাদে মা আসবে। অবশ্য বেশিক্ষণ সে এসব ভাবতে পারে না, ভাবে গ্রামে জল নামল কিনা, মা কেমন আছে। আর মায়ের কথায় বাড়ির কথা, মাস্টারবাবুর কথা, স্কুলের কথা, বন্ধুদের কথা, মার চিকিৎসার কথা মনে পড়ে গেল।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৭৯: রাজসূয়যজ্ঞে চেদিপতি শিশুপাল ও কুরুপ্রধান ভীষ্মের কথোপকথনে সদর্থক ও নঞর্থক চিন্তার সংঘাত,মহাকাব্যে প্রতিফলিত জীবনবোধ

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৭২ : ঘটজাতক/৭ : ধরি ধরি মনে করি

পুজো কমিটির লোকজন নবমীর রাতে বৈজুকে খুশি হয়ে একটা ৫০০ টাকার বড়ো নোটের মালা পরিয়ে দিয়েছে। এ বছর আশাতীত রোজগার হয়েছে। হলধর খুব খুশি। একাদশীর দিন শহর থেকে ফেরার আগে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে ঢাক বাজিয়ে পুজোর বকশিশ নেয় ওরা। পাড়ার গিন্নিরা খুশি হয়ে বৈজুর কোঁচড় ভরে দেয় নাড়ু, মুড়কি, মিষ্টি এবং পরের বছর আসার জন্য ওকে আগাম জানিয়ে রাখে। শহরের পুজোয় এসে বৈজুর দুটো নতুন জামা হয়েছে। সে খুব খুশি।

এবার বাড়ি ফেরার পালা। এক ছুটে মায়ের কাছে পৌঁছতে চায় সে। শহরের কোনো জিনিসেই সে আর আকর্ষণ বোধ করে না। মা কেমন আছে? এ ক’দিন মা নিজের জন্য রান্না করেছে তো? এ সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। সারা বছর অসুস্থ মা বিছানায় পড়ে থাকে। তার সঠিক চিকিৎসা হয় না। এবার তো রোজগার ভালোই হয়েছে, বাবাকে বলতে হবে মায়ের চিকিৎসা করানোর কথা। মাকে দেখার জন্য মনটা ছটফট করে তার।

ট্রেনে একজন অন্ধ ভিক্ষুক তার ছেলের হাত ধরে গান শুনিয়ে ভিক্ষা করতে বেরিয়েছে। বৈজু দেখে ছোট ছেলেটির গায়ের জামাটি শতচ্ছিন্ন, তাতে অনেক সেলাই। ছেলেটিকে কাছে ডেকে বৈজু তার পাওয়া নতুন জামা দুটি থেকে একটি পরিয়ে দেয়। ছেলেটি তো বাক্যহারা। ওর চোখে মুখে খুশি ঝিলিক দেয়। ছেলেটি তার বাবাকে জড়িয়ে ধরে তার প্রাপ্তির কথা জানায়। ভিক্ষুকের চোখে জল আসে। তিনি দু’হাত তুলে বৈজুকে আশীর্বাদ করেন। কাউকে অন্তর থেকে কিছু দিলে যে এত খুশি হওয়া যায় সে কথাটা আজই প্রথমবার বুঝলো বৈজু। তার মনটা ফুরফুরে হয়ে গেল।

হুগলি জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে রূপনারায়ণের তিরে বৈজুদের বসতি, তাদের গ্রাম। বাড়ি বলতে দরমার ছোট্ট একটা ঘর, সামনে বারান্দার একপাশে একটা ঘুপচি মতো জায়গায় রান্নার আয়োজন আর অন্যদিকে জ্বালানির প্রয়োজনীয় কিছু শুকনো কাঠপাতা ডাঁই করে রাখা। ওখানেই একটা চৌকির উপর থাকে ঢাক দুটো। সামনে এক ফালি উঠোন। এ বছরের বন্যা পরিস্থিতি খুব খারাপ। ওদের উঠোন থেকে এখনও জল সরেনি। গ্রামের পুরুষেরা নেই, কোনওক্রমে পুজোর দিনগুলোতে মেয়ে, বউরা স্কুল বাড়ি থেকে নিজেদের বাড়ি ফিরেছে।
আরও পড়ুন:

জন্মশতবর্ষে উত্তমকুমার : শতফুল বিকশিত হোক

উপন্যাস, পর্ব-৯২ : আকাশ এখন

হলধরের স্ত্রীর পেটে আলসার। টাকার অভাবে কখনওই সেভাবে চিকিৎসা হয়নি। বাড়ি ফেরার পর বৈজু দেখে তার মায়ের চেহারা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছে। ব্যথায় কুঁকড়ে যাচ্ছে সারা শরীর, বমি হচ্ছে। সে মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। বলে, ‘মা তোর কিছু হবে না, আমি তোকে ভালো করে তুলবই। এ ক’দিন তুই নিজের জন্য মনে হয় কিছু রান্না করিসনি, উপোস দিয়েছিস তাই এরকম অবস্থা।’ হলধর বহু চেষ্টার পরও গাড়ি জোগাড় করতে না পারায় একটা ঠ্যালা গাড়ি করে বাপ-ছেলে দু-জনে তাকে দূরের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসে।

ডাক্তারবাবুদের চেষ্টায় এবারকার মতো বেঁচে ফেরে হলধরের স্ত্রী। বৈজু মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে মাকে ছেড়ে সে আর কোথাও যাবে না। লক্ষ্মী পুজোর পরদিন স্কুলের বাংলার মাস্টারমশাই ডেকে পাঠান বৈজুকে। বলেন, ‘জল নেমে গেছে,এবার স্কুলে আয়।’ মাথা নিচু করে দু-হাত চুলকাতে থাকে বৈজু। মাস্টারমশাই সব বোঝেন,জানেন টাকা রোজগারের জন্য বৈজুর বাবা বৈজুকে স্কুলে আসতে দিতে চায় না। মাস্টারবাবু বৈজুর মাথায় হাত রাখেন। বলেন, ‘আমি তোকে সপ্তাহে ২ দিন বাড়ি গিয়ে পড়া দেখিয়ে দেব কিন্তু তোকে স্কুলে আসতেই হবে। বাবার সঙ্গে চাষের কাজ করতে তো মানা নেই, সকালে ঘণ্টা দুয়েক মাঠের কাজ করে স্কুলে আসবি। দুপুরে সবার সাথে মিডডে মিল খাবি। আমি যাব তোদের বাড়িতে, তোর মাকে বুঝিয়ে বলে আসব।’
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

মহালয়া

হলধরের স্ত্রীকে গিয়ে মাস্টারমশাই বোঝান ‘পড়াশোনা না শিখলে পিছিয়ে পড়তে হয়। সময় এখন অনেকটা বদলে গেছে। শুধুমাত্র ঢাক বাজিয়ে বা অন্যের জমিতে সামান্য কাজ করে ভালো রোজগার হয় না। আগামীদিনে ঢাকির পেশাতেও অনেক লড়াইয়ের সম্ভাবনা। তাই বৈজু যদি মাঠের কাজ এবং উৎসবের দিনগুলোর ফাঁকে লেখাপড়া করে তবে সহজেই ও নিজের লড়াই জিতে যাবে। বিদ্যা থাকলে কেউ সহজে ঠকতে পারে না বৈজুর মা। বৈজু তো জাতশিল্পী। ওর হাতে ঢাক কথা বলে। সুযোগ পেলে অন্য বাজনাও বাজাতে পারবে। একদিন দেখেছি নদীর পাড়ে বসে একটা ভাঙা বাঁশিতে সুর তোলার চেষ্টা করছে। ঠিকঠাক বিদ্যা আয়ত্ত করার জন্য চর্চার প্রয়োজন। আমি কেবলমাত্র লেখাপড়াটা দেখিয়ে দেব, বাকি লড়াইটা ও নিজেই লড়ে নিতে পারবে। তোমরা শুধু ওকে স্কুলে পাঠিও।’

বৈজুর মা’র চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়তে থাকে। বলে, ‘ছেলেটা আমার খুব চাপা স্বভাবের। আমার অসুখ ,সংসারের নিত্যি অভাব ওকে ছোটো থাকতে দিলে না, এ বয়সের বাচ্চা কোথায় হেসে-খেলে বেড়াবে তা নয়, সারাক্ষণ টাকা রোজগারের জন্য খেটে চলেছে। নিজের ইচ্ছে, পছন্দের কথা কখনও মুখ ফুটে বলে না।’ মাস্টারমশাই বলেন, ‘বৈজুর বুদ্ধি আছে, যেকোনও জিনিস চট করে ধরতে পারে, দায়িত্ব সামলাতে পারে, অন্যের কষ্ট বোঝে। এমনকি পশু-পাখিদের জন্যও মমতা আছে। তাই শিক্ষক হিসাবে আমি শুধু ওকে সামনে এগিয়ে দিতে চাই।’

হলধরের স্ত্রী ছেলেকে স্কুলে পাঠানোর জন্য স্বামীর কাছে পীড়াপীড়ি করে। বলে, ‘ছেলের মুখের দিকে কখনও তুমি চেয়ে দেখনি ভালো করে, চেয়ে দেখলে ওর কষ্টটা বুঝতে। আমাদের কষ্ট ও সহ্য করতে পারে না, বাড়তি রোজগারের আশায় সারাক্ষণ তোমার সঙ্গে খেটে চলেছে। কোনো নালিশ নেই, নিজের ইচ্ছেগুলোকে আমাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছে। ওর যন্তন্না, ওর কষ্ট যদি আমরা না বুঝি কে বুঝবে বলো তো! দয়া করে ওকে স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করো।’ হলধর নিমরাজি হয় বউয়ের কথায়।

অনেক ঝক্কির পর স্কুল ব্যাগ পিঠে তুলে নেয় বৈজু। শুরু হয় তার নতুন পথচলা, ইচ্ছাপূরণের লড়াই।—শেষ।
* নেলী দাস (Neli das) প্রাক্তন শিক্ষিকা ও লেখক।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content