এখনকার দ্রুত পরিবর্তনশীল যুগে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখে জমে মেদ, কুঁচকে যায় চামড়া। সেই সঙ্গে দেখা দিতে থাকে ডবল চিন, বলিরেখার মত সমস্যা। আগেকার দিনে মা ঠাকুমার আমলে চল্লিশের পরে গিয়ে একটি, দু’টি করে বলিরেখা মুখে দেখা দিত। গলার কাছে একটু চামড়া শিথিল হতে থাকত।
কিন্তু এখন রাসায়নিক দেওয়া প্রসাধনীর জেরে ত্রিশের পর থেকেই বলিরেখা পড়ছে অনেকের। ঝুলে পড়তে দেখা যাচ্ছে চামড়া। তা থেকে রেহাই পেতে আমরা আরও বেশি প্রসাধনী ব্যবহার করে ফেলছি। ফলে বিপদ বাড়ছে। চেহারায় বয়সের ছাপ ঠেকিয়ে রাখতে আমরা পার্লারে গিয়ে স্পা, ফেসিয়ালের মতো বিষয়ে খরচ ও সময় নষ্ট করছি অযথা। কিন্তু তার চেয়ে বাড়ি বসে মুখের ব্যায়ামই অত্যন্ত উপকারী।
আমাদের মুখে প্রায় ৪৩ রকমের পেশি রয়েছে। শরীরের মেদ ঝরাতে জিমে গিয়ে যেমন শরীরচর্চা করেন অনেকে, তেমন মুখের জন্যও অত্যন্ত দরকার ব্যায়ামের। মুখের অবাঞ্ছিত দাগ, বলিরেখা দূর করতে অনেকেই বোটক্সের মতো সার্জিক্যাল বিউটি ট্রিটমেন্ট পড়ে থাকেন পার্লারে গিয়ে। অথচ তার বদলে প্রতিদিন যদি দিনে দু’বার করে মিনিট দশেকের ব্যায়াম আমরা বাড়িতে করতে পারি তাহলে এর সুদূরপ্রসারী ফল পাওয়া যাবে হাতেনাতে।
কী কী ব্যায়াম করবেন?
জ’লাইন ডিফাইনার
● গলা ও ঘাড়ের চামড়ার বলিরেখা দূর করতে এই অনবদ্য ব্যায়ামটি করতে পারেন। প্রথমে ঘাড় পিছন দিকে হেলিয়ে সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকুন। ওই রকম অবস্থাতেই নীচের ঠোঁটটি উপরের ঠোঁটের উপরে নিয়ে যান। এই রকম অবস্থায় ৫ সেকেন্ড থাকুন। এতে গলা ও ঘাড়ে টান পড়বে। ১০ বার করে রোজ করলে গাল, ঘাড় ও গলার স্ট্রেচিং হবে। এতে ডবল চিনের সমস্যাও কমবে, আবার ত্বকও টানটান থাকবে।
ফোরহেড স্মুদার
● প্রথমে ভ্রূ-র ঠিক উপরে কপালের কাছের ত্বক আঙুল দিয়ে টেনে ধরুন, একই সঙ্গে ভ্রূ দুটি উপরে তোলার চেষ্টা করুন। এই রকম ভাবে ৫ সেকেন্ড থাকুন। ১০ বার এই ব্যায়ামটি করলে কপালের চামড়া টানটান হবে।
চিক লিফ্টার
● এটি গালের ব্যায়াম। এই ব্যায়ামের দ্বারা মুখের ফোলা ভাব দূর করতে পারেন। প্রথমে হাসার মতো ভঙ্গি করুন। দাঁত যেন দেখা না যায়। গাল যতটা প্রসারিত করতে পারবেন ততটাই ভালো। এর পর হাতের আঙুল দিয়ে দু’গাল ধরে উপর দিকে টেনে ধরুন। ৫ সেকেন্ড এই ভাবে থাকুন। প্রতিদিন নিয়ম করে ১০-১৫ বার এই ব্যায়াম করলে গালের মেদ অনায়াসেই কমে যাবে। ফলে চামড়া টানটান থাকবে।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com