পর্ব-১২৩: তত্ত্বতালাশ

পর্ব-১২৩: তত্ত্বতালাশ

“হ্যাঁ বল। এখন নিশ্চয়ই তুমি একা এবং ফ্রি?” একেজি জিজ্ঞাসা করলেন। তাঁর গলায় কিন্তু রসিকতার সুর নেই। তিনি আদ্যন্ত সিরিয়াস। “হ্যাঁ স্যার। নিজের বাংলোয় আছি। সুদীপ্ত যদিও বলছিল, তার ওখানেই থেকে যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনার সঙ্গে কথা বলাটা জরুরি ছিল।” “সুদীপ্ত নামের অফিসারটি...
হ্যালো বাবু! পর্ব-৯০: অনুসরণ/১১

হ্যালো বাবু! পর্ব-৯০: অনুসরণ/১১

চিঠিতে লেখা— আমি আশঙ্কা করছি আমার ওপর হামলা হতে পারে! এমন কি আমাকে খুনও করা হতে পারে। আমার জীবন সংশয় ঘটলে দু’জন দায়ী থাকবে—আমার স্ত্রী প্রতিমা, যার সঙ্গে এখন আমার কোনও সম্পর্ক নেই আর তার আত্মীয় ও গোপন প্রেমিক কুন্তল। এই চিঠি আমি সজ্ঞানে কারও প্ররোচনা ছাড়া লিখেছি। —ইতি...
পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

কেউ একজন দরজা খুলছিল। আশা করা যায়, সাইকেল নয়। সে নিশ্চয়ই এইজাতীয় ছোট কাজ করবে না? এই ডেরায় সে সকলের মাথা, অতএব তার একটা প্রেস্টিজ আছে। তাছাড়া কিছু আগের কথাবার্তার পরে সাইকেল নিশ্চয়ই ছুটবে সত্যব্রতর বলা-কথার সত্যতা যাচাই করতে। অতএব অন্য কেউ। তার সঙ্গে কিছু আগে আসা...
হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৯: অনুসরণ/১০

হ্যালো বাবু! পর্ব-৮৯: অনুসরণ/১০

ছবি: প্রতীকী। একটানা দেওয়াল ঘড়ির টিকটিকের মধ্যে ঘরের মধ্যে দুটো মানুষের মনেতেও অনেক কথা জমা হয়ে যাচ্ছে। দু’জনেই জেগে আছে। অমলেন্দু ছাদের দিকে তাকিয়ে আর ডান হাত দিয়ে চোখের কাছটা চাপা দিয়ে রেখেছে প্রতিমা! কে প্রথম কথা বলবে, কি কথা বলবে। মনে মনে এই চাপান-উতোরের...
পর্ব-১২১: খেলা শুরুর প্রস্তুতি

পর্ব-১২১: খেলা শুরুর প্রস্তুতি

শাক্য কোনওরকম ভণিতা না করে সরাসরি মূল কথায় এল। হাতে সময় নেই। প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত এখন মূল্যবান। যথেষ্ট দেরি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। সুদীপ্ত পাশে বসে আছে। সুদীপ্ত কোয়াটার্সে ফেরেনি। শাক্যকে তার বাংলোয় ড্রপ করে দিতে এসে সেখানেই আপাতত আছে এখন। কারণ, উল্লাস মেসেজের জবাবে...

Skip to content