রবিবার ৭ জুন, ২০২৬
পর্ব-১২০: একেজি কলিং

পর্ব-১২০: একেজি কলিং

জীবনবাবু স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তদন্ত শেষ করে এই শেষ বিকেলে ফিরছেন সাহেবরা। দুজনেই চুপচাপ। পিছনের সিটে বসে দুই কনষ্টেবলও চুপ করে বসে। সাহবরা আছেন, তারা কথা বলতে পারছে না সে-জন্য। তবে এখন লোকজন কথা বলার চেয়ে মোবাইল-ঘাঁটা বেশি পছন্দ করে। তারাও সেটাই করছিল।...
পর্ব-১১৯: গোখরো কিংবা কালাচ

পর্ব-১১৯: গোখরো কিংবা কালাচ

সকাল থেকেই পিশাচপাহাড় হেলথ-সেন্টারে আজ অস্বাভাবিক রকম ভিড়। এমনিতে হেলথ্‌-সেন্টারটি মাছি তাড়ালেও, বছরে মাঝেমধ্যে এইরকম দিন আসে। কারণটিও জানা গেল, চার্চের হাসপাতালের দু’জন ডাক্তার হঠাৎ করে ছুটি নেওয়ায় সেখানে আজ খুব চাপ। অনেককে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দু’দিন পরে আসতে বলে।...
পর্ব-১১৮: একটি খালি বিয়ারের বোতল

পর্ব-১১৮: একটি খালি বিয়ারের বোতল

কাল রাতেই জায়গাটা পরীক্ষা করেছিল তারা দু’জনে। কিন্তু রাত্রে সব ভালো করে দেখা সম্ভব নয়, যতই আলো থাকুক না কেন। অতএব দিনের আলোয় জায়গাটা আরেকবার ভালো করে দেখা জরুরি ছিল। সেই কাজটিই করছিল শাক্য এবং সুদীপ্ত। দু’জনে এই ক-দিনে একেবারে হরিহরআত্মা হয়ে উঠেছে। তবে তদন্ত-চলাকালীন...
পর্ব-১১৭: আপাতত পরিত্রাণ

পর্ব-১১৭: আপাতত পরিত্রাণ

সাইকেল থমথমে মুখে জিজ্ঞাসা করল, “কী হল ডাগ্দারবাবু, চুপ করে গেলেন কেন? বলেন, কী বলেছিল নুনিয়া আপনাকে যে, আপনি থানায় যেতেন?” সত্যব্রত সামলে নিলেন। বেফাঁস কথাটি বলে ফেলেছেন, এখন থুতু গেলা ছাড়া তাঁর আর কোনও উপায় নেই। যে-ভাবেই হোক ব্যাপারটা ম্যানেজ করতে হবে। না হলে কেবল...
পর্ব-১১৬: বিপদে মোরে রক্ষা করো

পর্ব-১১৬: বিপদে মোরে রক্ষা করো

“আমার কিন্তু এবার ভয় করছে?” তৃধা বলল। “কেন?” “কেন মানে? তোমাকে তো বললাম, ও হঠাৎ আগেই ফিরে আসছে। এখানে এসে পড়ে যদি তোমাকে আমার সঙ্গে দেখে, কী হবে বুঝতে পারছো?” “ধুস! চাপ নিচ্ছ কেন এত? কী আর করবে ও? বড়জোর তোমাকে ডিভোর্স দেবে। তা দেবে। সেটাই তো ভালো। তুমি জব করো না, ফলে...

Skip to content