মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

পর্ব-১২২: য পলায়তি, স জীবতি

কেউ একজন দরজা খুলছিল। আশা করা যায়, সাইকেল নয়। সে নিশ্চয়ই এইজাতীয় ছোট কাজ করবে না? এই ডেরায় সে সকলের মাথা, অতএব তার একটা প্রেস্টিজ আছে। তাছাড়া কিছু আগের কথাবার্তার পরে সাইকেল নিশ্চয়ই ছুটবে সত্যব্রতর বলা-কথার সত্যতা যাচাই করতে। অতএব অন্য কেউ। তার সঙ্গে কিছু আগে আসা...
পর্ব-১২১: খেলা শুরুর প্রস্তুতি

পর্ব-১২১: খেলা শুরুর প্রস্তুতি

শাক্য কোনওরকম ভণিতা না করে সরাসরি মূল কথায় এল। হাতে সময় নেই। প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত এখন মূল্যবান। যথেষ্ট দেরি হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। সুদীপ্ত পাশে বসে আছে। সুদীপ্ত কোয়াটার্সে ফেরেনি। শাক্যকে তার বাংলোয় ড্রপ করে দিতে এসে সেখানেই আপাতত আছে এখন। কারণ, উল্লাস মেসেজের জবাবে...
পর্ব-১২০: একেজি কলিং

পর্ব-১২০: একেজি কলিং

জীবনবাবু স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তদন্ত শেষ করে এই শেষ বিকেলে ফিরছেন সাহেবরা। দুজনেই চুপচাপ। পিছনের সিটে বসে দুই কনষ্টেবলও চুপ করে বসে। সাহবরা আছেন, তারা কথা বলতে পারছে না সে-জন্য। তবে এখন লোকজন কথা বলার চেয়ে মোবাইল-ঘাঁটা বেশি পছন্দ করে। তারাও সেটাই করছিল।...
পর্ব-১১৯: গোখরো কিংবা কালাচ

পর্ব-১১৯: গোখরো কিংবা কালাচ

সকাল থেকেই পিশাচপাহাড় হেলথ-সেন্টারে আজ অস্বাভাবিক রকম ভিড়। এমনিতে হেলথ্‌-সেন্টারটি মাছি তাড়ালেও, বছরে মাঝেমধ্যে এইরকম দিন আসে। কারণটিও জানা গেল, চার্চের হাসপাতালের দু’জন ডাক্তার হঠাৎ করে ছুটি নেওয়ায় সেখানে আজ খুব চাপ। অনেককে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে দু’দিন পরে আসতে বলে।...
পর্ব-১১৮: একটি খালি বিয়ারের বোতল

পর্ব-১১৮: একটি খালি বিয়ারের বোতল

কাল রাতেই জায়গাটা পরীক্ষা করেছিল তারা দু’জনে। কিন্তু রাত্রে সব ভালো করে দেখা সম্ভব নয়, যতই আলো থাকুক না কেন। অতএব দিনের আলোয় জায়গাটা আরেকবার ভালো করে দেখা জরুরি ছিল। সেই কাজটিই করছিল শাক্য এবং সুদীপ্ত। দু’জনে এই ক-দিনে একেবারে হরিহরআত্মা হয়ে উঠেছে। তবে তদন্ত-চলাকালীন...

Skip to content