সোমবার ৮ জুন, ২০২৬
পর্ব-১৪৫: জরুরি একটি ফোন

পর্ব-১৪৫: জরুরি একটি ফোন

“স্যার?” “কে? উল্লাস?” “হ্যাঁ স্যার!” “এত অস্থির কেন? কিছু হয়েছে?” “শাক্য স্যার কোথায় স্যার?” “কেন?” “স্যারকে দরকার ছিল!” “তোমার সার্ভিসের জন্য না-কি? তাহলে অপেক্ষা করতে হবে। স্যার এখন পিশাচপাহাড়ে নেই। ফিরুন আগে। তারপর না-হয় ডাকবেন তোমায়!” “স্যার! সার্ভিসের জন্য নয়।...
পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

পর্ব-১৪৪: মৃত্যুর অনিবার্য ক্ষুধা

কালাদেওর গুহার মুখটির সামনে একখানি প্রশস্ত চাতাল। ইট-সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো চাতালের মধ্যিখানে একখানা যূপকাষ্ঠ। বাৎসরিক পুজো কিংবা মানতের পুজোর দিন ওই যূপকাষ্ঠেই বলি দেওয়া হয়। সেদিন চাতালটি রক্তে লাল হয়ে যায়। ভক্ত থেকে যাঁর মানসিক থাকে তিনি সেই রক্ত দিয়ে কপালে তিলক...
পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

পর্ব-১৪৩: আঁধারে আছে আততায়ী

অন্ধকার ঘরের মধ্যে লোকটি অপেক্ষা করছিলেন। ঘরে আলো নেই এমন নয়, ইচ্ছে করেই জ্বালাননি তিনি। আসলে একঘেঁয়ে আলোর মধ্যে থাকতে থাকতে লোকটা অন্ধকারকে মন-প্রাণ দিয়ে চেয়েছিলেন, অন্ধকারকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন। সমস্তদিন আলোর মধ্যে থাকতে-থাকতে হাঁফ ধরে যায় তাঁর। তখন এই অন্ধকার ঘরের...
পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

পর্ব-১৪২: কুইক অ্যাকশন

ডিএম দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা-বলে তিনি স্বয়ং এত রাতে উপস্থিত হবেন, এতটাও আশা করেনি শাক্য। সে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছিল। এই অবস্থায় সত্যব্রতকে এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা আছে কি-না, সে-বিষয়ে। ডাক্তার বললেন, “দেখুন, এটা তো কোন ফ্যাটাল...
পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

পর্ব-১৪১: কারুর কেউ নই-কো আমি…

মেজাজ ক্রমেই খিটখিটে হয়ে উঠছিল অরণ্যের। এখানে আর সে থাকতে পারছে না। আজ সে হাঁটতে-হাঁটতে থানায় যাবে। কথা বলবে লালবাজারের অফিসার হোক কিংবা লোকাল থানার ওসির সঙ্গে, দিন-দুয়েকের মধ্যে যদি তাদের যেতে না-দেওয়া হয়, তাহলে কলকাতায় ল’ইয়ারের সঙ্গে কথা বলে সে কোর্টে মুভ...

Skip to content