কলকাতায় বৃষ্টি

শিয়রচাঁদা বা কালাচ। ছবি: সংগৃহীত।

সুন্দরবন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি যে সাপের নাম শোনা যায় তা হল শিয়রচাঁদা। আমাদের এলাকায় এই নামটাই বেশি প্রচলিত। অবশ্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নামটা কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে অনেকের মুখে হয়েছে শিকড়চাঁদা ও শিখরচাঁদা। তবে নানা জায়গাতে এইসব নামে প্রচলিত। বিভিন্ন বইতে এবং সর্প বিশারদদের মুখে কালাচ নামটা সবচেয়ে বেশি দেখেছি ও শুনেছি। এটিও উচ্চারণ ভেদে হয়ে গিয়েছে কোথাও কোথাও কালাজ। তবে যেহেতু সুন্দরবনের পশ্চিম অংশে মেদিনীপুরের মানুষের সংখ্যা বেশি তাই সুন্দরবনের এই অঞ্চল এবং মেদিনীপুরে শিয়রচাঁদা নামটাই সবথেকে বেশি প্রচলিত। বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ইত্যাদি জেলায় এই সাপ ডোমনা, ডোমনাচিতি, কালচিতি, গোদাচিতি, চিতিবোড়া ইত্যাদি নামে পরিচিত। সুন্দরবন অঞ্চলে জঙ্গল হাসিল করার জন্য ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল থেকে একদা যেসব আদিবাসী সুন্দরবন অঞ্চলে এসেছিল তাদের অনেক উত্তরপুরুষ এখনও সুন্দরবন অঞ্চলের বাসিন্দা। তারা অনেকেই এই সাপকে করাইত সাপ বলে।
সুন্দরবন অঞ্চলে বিষধর সাপ হিসেবে শিয়রচাঁদা সাপ শুধু যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তাই নয়, এই সাপের দংশন এবং দংশন জনিত মৃত্যুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। আর তাছাড়া এই সাপের বিষের তীব্রতা অর্থাৎ মারণমাত্রা সুন্দরবন তথা ভারতবর্ষের সমস্ত সাপের মধ্যে শীর্ষে। সুতরাং এই সাপ যে কালান্তক তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এই সাপের মাত্রা ১-৩ মিলিগ্রাম। অর্থাৎ এই পরিমাণ বিষ একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৬৪: গোখরো

উপন্যাস, পর্ব-পর্ব-৮৬ : আকাশ এখনও মেঘলা

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-১১১ : কবি রাজার বিবসনা রমণীর চিত্রাঙ্কন / ৪

কালাচ বা শিয়রচাঁদার বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘Bungarus caeruleus’, ইংরেজিতে ‘Common Crait’। কালাচ সাপের ফনা নেই। রোগাটে ধরণের এই সাপ দৈর্ঘ্যে ৩-৪ ফুটের বেশি হয় না। মাথা শরীরের তুলনায় ছোট। মাথা ও ঘাড় প্রায় সমব্যাসযুক্ত হওয়ায় পৃথক করা মুশকিল। দুটো চোখ কালো পুঁতির দানার মতো। গায়ের রঙ অর্থাৎ পিঠের দিকের রং নীলচে কালো বা গাঢ় খয়েরি। সুন্দরবনের প্রয়াত সর্পবিশারদ নকুল চট্টোপাধ্যায়ের মতে, কালাচ সাপ অসুস্থ হলে তার গায়ের রং খয়েরি হয়। আর সুস্থ হলে তার স্বাভাবিক কালচে রং ফিরে আসে। কালাচ সাপ চেনার সবথেকে ভালো উপায় হল পিঠের দিকে শাঁখার মতো জোড়া জোড়া সাদা দাগ। ঘাড়ের কাছ থেকে কিছুদূর পর্যন্ত এই দাগ বোঝা যায় না কিংবা খুবই অস্পষ্ট। কিন্তু কিছুদূর পর থেকেই কালোর ওপর আড়াআড়ি জোড়া বলয়াকার সাদা দাগ লেজের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। এইরকম সাদা বলয়াকার দাগের সংখ্যা ৩৫-৩৭ টি হয়। এই জোড়া দাগগুলির দু’একটি কখনও কখনও অসম্পূর্ণ হয়, আবার কখনও কখনও দুটি দাগ পরস্পর স্পর্শ করে যায়। বাচ্চা কালাচ সাপের ক্ষেত্রে জোড়া বলয়গুলি খুব স্পষ্ট হয়।

জন্মশতবর্ষে উত্তমকুমার : হৃদয়হরণ

আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৮৩: জোড়া আন্তোনিওর রহস্য

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-১০৮: স্তাবক-পরিবেষ্টিত রাজা কেবল অন্ধই হন না, নিজের দুর্গেই জ্যান্ত সেদ্ধ হন!

সুন্দরবন অঞ্চলে এই সাপের মাথার উপরে চোখের সামনে সাদা রঙের একটা ছোট দাগ থাকে বলে সুন্দরবন অঞ্চলে ও মেদিনীপুরে এর নাম হয়েছে শিয়রচাঁদা। কালাচ সাপের পেটের দিকে রং সাদা। নকুলবাবুর মতে, ‘শিশির পড়া শুরু হলে দেখা যায় কালাজের রঙের উজ্জ্বলতা বাড়ে, সাদা রঙটা চকচক করে, মনে হতে পারে রুপোলি রং।’ কালাচ সাপের আঁশ মসৃণ। এদের মুখের ওপর ও শিরদাঁড়ার আঁশগুলি শরীরের অন্যান্য অংশের আঁশের তুলনায় ছোট। মুখের নিচে প্রথম তিনটি আঁশের তুলনায় চতুর্থ আঁশটি বড়। এদের লেজ গোলাকার এবং আগার দিকটা সূচালো। লেজের নিচের দিকের আঁশ অবিভক্ত।

কালাচ বা শিয়রচাঁদা শুধু সুন্দরবন বা পশ্চিমবঙ্গে নয়, সারা ভারতবর্ষ তথা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে তীব্র বিষধর সাপ। কিন্তু তা হলেও এই সাপ স্বভাবে খুবই শান্ত। এদের গতিও অত্যন্ত মন্থর। অত্যন্ত নিরুপায় না হলে এই সাপ দংশন করে না। যখন অত্যন্ত ভয় পায় তখনই দংশন করে। সাপ যেহেতু চোখে খুব কম দেখে তাই একমাত্র সচল বস্তুকেই সে বিপদ বলে মনে করে। কালাচ হোক কিংবা যেকোনও সাপের সামনে যদি কেউ একটুও নড়াচড়া না করে স্থির হয়ে থাকে তবে সাপ কখনওই দংশন করবে না। তখন তার কাছে মানুষ যা, ইট, কাঠ, পাথর, গাছও তাই। তাই কালাচ হোক কিংবা যে কোনও বিষধর সাপের হঠাৎ মুখোমুখি হলে যদি দ্রুত সরে যাওয়ার সুযোগ না থাকে তবে বিন্দুমাত্র নড়াচড়া না করে স্থির হয়ে থাকাই শ্রেয়। বিষয়টা অনেকে জানে না বলেই কিংবা জানলেও ওই পরিস্থিতিতে বিষয়টি মাথায় কাজ করে না বলেই মানুষ সর্প দংশনের শিকার হয়।
কলকাতায় বৃষ্টি

(বাঁ দিকে) কালাচের ডিম। (ডান দিকে) ঘাসের উপর বাইছে কালাচ। ছবি: সংগৃহীত।

সুন্দরবন অঞ্চলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা হল শিয়রচাঁদা সাপ মানুষের ঘাম খেতে রাত্রে বিছানার কাছে আসে। প্রথমেই বলে রাখা ভালো যে ঘাম কখনওই সাপের খাদ্য নয়। তাছাড়া সাপের জিভ মাঝখানে চেরা। এইরকম জিভ দিয়ে চেটে খাওয়া কখনওই সম্ভব নয়। আবার চেটে খেতে গেলে ফুসফুসে জোর থাকা দরকার। সাপের ফুসফুস খুব দুর্বল, মাত্র একটি ফুসফুস থাকে। ফলে এই ফুসফুস নিয়ে চেটে খাওয়া কিংবা দ্রুত পালানো কিংবা কাউকে বেশি দূর তাড়া করা কখনওই সম্ভব নয়। আসলে কালাচ বা শিয়রচাঁদা সাপ ভীষণই অলস প্রকৃতির সাপ। এরা উষ্ণতা পছন্দ করে। অবশ্য সব সাপই কমবেশি উষ্ণতা পছন্দ করে কারণ এরা শীতল রক্তের প্রাণী। অলসতা এবং উষ্ণতাপ্রিয়তা ওদেরকে বিছানার কাছে আসতে এবং বালিশ লেপ-কাঁথার ভিতরে ঢুকে পড়তে প্রণোদিত করে। তাছাড়া এদের প্রিয় খাদ্য হল পোকামাকড়, টিকটিকি, নেংটি ইঁদুর ইত্যাদি। এই কারণেই এরা রাত্রে বাড়ির মধ্যে খাবারের খোঁজে ঢুকে পড়ে। আর তারপর অলসতার কারণে চলে আসে বিছানার পাশে। সেই সময় ঘুমন্ত মানুষ যদি তার উপরে হাত-পা ফেলে দেয় কিংবা সামান্য নড়াচড়া করে তখন সে ভয়ে দংশন করে। কিন্তু এই সাপের দংশনের বিশেষত্ব হল ক্ষতস্থানে বা দংশিত স্থানে কোনও যন্ত্রণা হয় না। আর তার ফলে ঘুমন্ত মানুষ বুঝতেই পারে না যে তাকে কালাচ বা শিয়রচাঁদা সাপ দংশন করেছে। পরে ক্ষতস্থানে সামান্য মিশমিশ করে। কিন্তু বিষক্রিয়া শুরু হলে দৃষ্টি ক্রমশ ঝাপসা হয়ে যায়, চোখের পাতা বুজে আসে, কথা জড়িয়ে যায়, ঢোঁক গিলতে অসুবিধা হয় এবং শরীরের নিচের দিক ক্রমশঃ অসাড় হয়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের কষ্ট শুরু হয়। আর তারপর রোগী দ্রুত কোমায় চলে যায়। অবশেষে হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে রোগী মারা যায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে এভিএস ইনজেকশন দিতেই হবে।
আরও পড়ুন:

জন্মশতবর্ষে উত্তমকুমার : শতফুল বিকশিত হোক

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৭৪: সোনার হরিণ কোথায় নেই? আছে সর্বত্র

কেউটে ও গোখরোর মতো কালাচের বিষও নিউরোটক্সিক প্রকৃতির অর্থাৎ স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। কালাচ দংশন করলে দুটো বিষদাঁতের দাগ থাকবে। দুটি দাগের মধ্যে সাধারণত ১.২ সেন্টিমিটার ব্যবধান থাকে। তবে সাপের আকৃতি কিংবা মুখের আকৃতির সামান্য হেরফের হলে এই দাগেরও সামান্য হেরফের হতে পারে। কিন্তু কালাচের দংশনের ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হল যদি অলক্ষ্যে দংশন করে তাহলে সত্যিই যে এই সাপ দংশন করেছে তা বুঝে উঠতে না পারা। আর যখন বুঝে ওঠা যায় তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। ফলে রোগীকে বাঁচানো মুশকিল হয়ে যায়। সুন্দরবনের মতো প্রত্যন্ত দ্বীপগুলো থেকে শিয়রচাঁদা দংশিত রোগীকে হাসপাতালে, বিশেষ করে রাত্রিবেলায় নিয়ে আসা অত্যন্ত দুরুহ ব্যাপার। এর ফলে অনেক রোগী মারা যায়। শিয়রচাঁদার দুটো বিষদাঁত আকারে ছোট এবং মুখ থেকে সামান্য বাইরে বেরিয়ে থাকে। এরা কখনওই বিষদাঁত দুটোকে মুখের ভেতর ঢুকিয়ে নিতে পারে না। পরিণত কালাচ বা শিয়রচাঁদা সাপের বিষ যে তীব্রতম তা তো বলেইছি, কিন্তু এদের বাচ্চার বিষও সমান প্রাণঘাতী। জন্ম থেকেই এদের বিষদাঁত, বিষগ্রন্থি এবং তাতে বিষ থাকে।
আরও পড়ুন:

দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৯ : নয়া ভুবনের প্রজাপতি

এআই যুগেও উপনিষদের আবেদন অমলিন, কেন?

কালাচ বা শিয়রচাঁদা সাপ সাধারণতঃ মাটির গোয়ালঘর, মাটির বাড়ির দেয়ালে ফাটল, ইটের পাঁজা, ঘুঁটের স্তুপ, কাঠকুটো পাতা ইত্যাদি জ্বালানির স্তুপ, চাষের জমির মাটিতে ফাটল, ঝোপঝাড় ইত্যাদিতে থাকে। সন্ধের পর এরা খাবারের সন্ধানে বেরোয় এবং ভোরবেলা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে।
কালাচ সাপ সাধারণত আড়াই বছর বয়স হলে প্রজননে সক্ষম হয়। স্ত্রী কালাচের দেহ থেকে নিঃসৃত একপ্রকার উদ্বায়ী রাসায়নিকের আকর্ষণে পুরুষ কালাচ আকৃষ্ট হয়। বেশিরভাগ সময় কিন্তু স্ত্রী ও পুরুষ কালাচ জোড় বেঁধে ঘোরে। ফেব্রুয়ারি মার্চ মাস হল এদের প্রজননকাল। আর এপ্রিল মে মাসে ডিম পাড়ে। সাধারণত যৌনমিলনের ৬০ দিন পর স্ত্রী কালাচ ডিম পাড়ে। গড়ে ৬-১৬ টি ডিম পাড়ে। ডিমের রং সাদা। লম্বায় প্রায় ২.১ সেমি। ডিমের খোসা নরম, চাপ দিলে চুপসে যায়। তবে বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিয়ে ডিমগুলো ক্রমশ ফুলে ওঠে। ডিম পাড়ার ৪৫-৫০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোয়। সদ্যোজাত বাচ্চার দৈর্ঘ্য ১৫-২০ সেমি। বাচ্চারা জন্মের পরেই নিজের খাদ্য নিজেরাই সংগ্রহ করে।
কলকাতায় বৃষ্টি

কাঠের স্তূপ হল কালাচের অন্যতম আস্তানা। ছবি: সংগৃহীত।

সুন্দরবন অঞ্চলে প্রতিবছর যত সর্পদংশনের ঘটনা ঘটে তার মধ্যে ৫১ শতাংশ হল কালাচ বা শিয়রচাঁদার দংশন। আর সুন্দরবন অঞ্চলের প্রতি সাড়ে ২৯ হাজার মানুষের মধ্যে একজন কালাচের দংশনে মৃত্যুমুখে পতিত হয়। সুন্দরবন অঞ্চলে এই সাপের সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে। মূলতঃ গ্রামাঞ্চলে এই সাপের উপদ্রব বেশি। শহরাঞ্চলে বেজির সংখ্যা বেশি থাকায় যে কোনও বিষধর সাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সুন্দরবন অঞ্চলে শাঁখামুটি সাপ এখন অতি বিরল। এই সাপের প্রিয় খাদ্য হল কালাচ বা শিয়রচাঁদার ডিম ও বাচ্চা। শাঁখামুটি সাপের সংখ্যা কমে যাওয়ার সাথে সাথে কালাচের সংখ্যা বেড়েছে। মানুষের হাতেই সব থেকে বেশি নিধন হয়েছে শাঁখামুটি। প্রকৃতি কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মে তার ভারসাম্য রক্ষা করে। মানুষ যদি সেই ভারসাম্য নষ্ট করে তাহলে তার কুফল তো ভুগতেই হবে।—চলবে।
* সৌম্যকান্তি জানা। সুন্দরবনের ভূমিপুত্র। নিবাস কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা। পেশা শিক্ষকতা। নেশা লেখালেখি ও সংস্কৃতি চর্চা। জনবিজ্ঞান আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য ‘দ্য সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল ২০১৬ সালে ‘আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড’ এবং শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান লেখক হিসেবে বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ ২০১৭ সালে ‘অমলেশচন্দ্র তালুকদার স্মৃতি সম্মান’ প্রদান করে সম্মানিত করেছে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content