শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬


কলকাতায় বৃষ্টি
দেবী চলচ্চিত্রের পোস্টার শৈল্পিক ও ব্যঞ্জনাবহ। যে কবি লিখছেন “দেবতারে প্রিয় করি প্রিয়েরে দেবতা” তাঁর একটি যোগসূত্র আছে কাহিনিটিতে। কাহিনিকার প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে এই কাহিনির আখ্যানভাগ তাঁকে দান করেছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চলচ্চিত্রের প্রারম্ভেই তার স্বীকৃতি দেখা যায়। প্রিয়কে দেবতা “করে তোলার” কাহিনি দেবী চলচ্চিত্রে নিবদ্ধ। কিন্তু কেমন হবে মানবীর এই দেবতায়ন? চলচ্চিত্রের পোস্টারে শিল্পিত লিপিবিন্যাসে “দেবী” সাকার হয়ে ওঠেন যেন। “ব” বর্ণকে আশ্রয় করে “ঈ” কারের ঊর্ধ্বভাগ যখন তরঙ্গায়িত শিরোভূষণ মুকুট হয়ে দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠছে, তখন সম্পূর্ণ শব্দটির অঙ্গ জুড়ে অলঙ্করণের ছলে ফুটে উঠছে কণ্টকিত তীক্ষ্ণতা। ওই মুকুট যে অচিরেই কাঁটার মুকুট হয়ে উঠবে তা যেন শিল্পী দর্শকের মগ্নচৈতন্যে সঞ্চারিত করেন। সঞ্চারিত হতে থাকে এক ললিত শিহরণ। অত্যুচ্চ দৈবী সত্তার অপার্থিব রহস্য মনোলোকে অদ্ভুত আলোড়ন তোলে, রোমাঞ্চ জাগায়, শিহরিত করে। অপর-পরের ভেদাভেদ, জীবের মধ্যেই শিবের নিবাসের পাশেই মানুষের মধ্যে দৈবী সত্তার জাগরণের আত্মবিস্মৃতির আখ্যান হয়ে ওঠে ক্রমে ক্রমে ছবিটি।
মঙ্গলকাব্যে দেবতার মানবায়ন ঘটেছিল। স্বর্গ থেকে, অমর্ত্যলোক থেকে নেমে এসে তা‍ঁরা ধুলোবালির পৃথিবীতে মানুষের শোক ও সুখের সঙ্গী হয়েছেন আত্মপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। শ্রদ্ধাস্পদ থেকে “আপনার জন” হয়েছেন। অপার ঐশ্বর্যমণ্ডিত দেবতা দৈন্যে জারিত হয়ে প্রিয়তর, অমেয় হয়েছেন। সাহিত্যের পথে সেই দেবতাই একদিন জন্ম নিয়েছেন এই বিচিত্র দেশের রাস্তায় পড়ে থাকা অকিঞ্চিৎকর পাথরে। সেই কাহিনির কাহিনিকার অক্লেশে তাঁর নামের মধ্যে বর্ণযুগলের স্বাতন্ত্র্য ঘুচিয়ে শিব্রাম হয়ে ওঠেন। আবার দেবতার বিপরীত প্রান্ত থেকে পাশে এসে বসা জীবসত্তাটি ক্রমে ক্রমে এই রহস্যলোকে ভারতাত্মার সকল আকাঙ্ক্ষা ও আকুতি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। সেখানে আত্মজাগরণের প্রণোদনা থাকে না, আত্মানং বিদ্ধি-র আকুলতাও থাকে না। থাকে ভড়ং ও অজ্ঞানের ক্রমবিস্তার। তখন বারাণসীর ঘাটে অভিনব মছলিবাবা কিংবা মহানগরের আলোকিত ছত্রছায়াতেই বিরিঞ্চিবাবা আবির্ভূত হন। এও মানবের দেবতায়ন। এখানে মানুষ স্বেচ্ছায় মহাপুরুষ, গডম্যান হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-২৫ : যে জন রহে মাঝখানে

সত্যজিতের রায়, অপু থেকে আগন্তুক, পর্ব-২৩ : ফেলুদার শেষদৃশ্য— শেষের পরে, শেষের পারে

এই দেশ এই মাটি, ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৯৬: ব্রিটিশ বাংলার বিপ্লবীরা অনেক সময় পালিয়ে এসে আশ্রয় নিতেন ত্রিপুরায়

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১৫৭ : ঘুঘুর ফাঁদ

ইচ্ছা-নিরপেক্ষে যখন এই দেবতায়ন ঘটে তখন সেই অদৃশ্য কাঁটার মুকুটে অলঙ্কৃত সালঙ্কারা মানবী দেবীরূপে আরাধ্যা হন। ক্রমে জাগে আত্মবিস্মরণ। সেই পথেই আত্মবিলয় ঘটে। সামাজিক ভ্রান্তি, নীতিচ্যুত সংস্কার, অন্ধবিশ্বাস, বিপুল আমিত্বের উদ্গার, রজ্জুতে সর্পভ্রম, অজ্ঞান, অশিক্ষা, প্রাচীন-নবীনের চিরাচরিত দ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার মোহে অবদমনের দুর্বিপাকে ঘনিয়ে ওঠা এই কাহিনিতে মানবী ক্রমে ক্রমে বিস্মৃত হয় তার মানবীয় গুণ, তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া দৈব জগদ্দলের গুরুভার একসময় তার কাছে অনায়াস হয়, তখন মনোবিকলন ঘটে তার। তখন জয়ধ্বনি ও স্তুতিরঞ্জিত ওই দৈবসত্তার আস্বাদন তার কাছে পরম আকাঙ্ক্ষিত হয়। তারপর চরম আঘাত আসে, যা তাকে বিনষ্টির পথে ঠেলে দেয়।
আজকের পর্বে আমাদের আলোচনায় এই দেবী চলচ্চিত্রের দুটি দৃশ্য থাকুক।

প্রথমটি ছবির প্রারম্ভের টাইটেল অংশে দৈবসত্তার নির্মাণে এবং দ্বিতীয়টি ছায়াছবির শেষদৃশ্যের পরে দৃশ্যমান স্থিরচিত্রের ব্যঞ্জনায় প্রতীয়মান হয়। প্রথম অংশে দেবীর আদিম মৃন্ময়ী রূপটি জেগে থাকে। যেখানে মুখমণ্ডলে কেবল পাকা রঙের নিচে ভিত্তিমূল “প্রাইমার”টি আকীর্ণ হয়ে থাকে, যেখানে নেত্রযুগল, তৃতীয় নয়ন, নাক, কান, অধরবিম্ব ইত্যাদি স্পষ্ট নয়, মূর্ত নয়। দেবীও যেন মানবী, ক্রমে ক্রমে মানবীয় আদর্শে তাঁর নির্মাণ হবে, মানবীয় আকার ও রূপেই তিনি মূর্ত হবেন। এই প্রথম পর্বে তিনি চিন্ময়ী নন, দেবী নন, একটি সম্ভাবনা, একটি সম্ভাব্য রূপবৈশিষ্ট্যের আদল-মাত্র। তার ওপরেই নির্মাণ হবে নারীর, জননীর, কালধারিণী কালহারিণী মহাকালীর, মহামায়ার, শক্তিময়ীর। রূপনির্মাণের এই পর্যায় সম্ভাব্যতার কথা বলে, বিশিষ্টতার নয়। এই রূপ আদিম, যেখানে ভেদবোধ, গুণমণ্ডিত বৈচিত্রের ধারণা অপ্রকট। এই রূপ, এই সাম্যাবস্থা সৃষ্টির অকৃত্রিম আদিকালকে জাগিয়ে তোলে। নেপথ্যে গম্ভীরমন্থর ধ্বনিময় আগামীর পদপাত শোনা যায়।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৫১: জরাসন্ধ কাহিনির আধুনিকতা

সংসার ভেঙে… চলে গেলেন শঙ্কর

দ্বিতীয় পর্যায়ে অস্ফুট চোখ ইত্যাদি স্ফুট হয়। জেগে ওঠে তৃতীয় নেত্র। দীঘল, প্রভাময় বাঁশপাতা চোখদুটি মূর্ত হয় তার সঙ্গেই। মৃন্ময়ী এখন সপ্রাণ চিন্ময়ী হয়ে উঠতে থাকেন। মাথার মুকুটের অংশটি মৃন্ময় থাকে তখনও সত্তার এই নির্মীয়মাণ পর্যায়ে। যা নিষ্প্রাণ ছিল তা এখন প্রাণবতী হয়। সৃষ্টির পরে জীবের আত্মপ্রকাশ, আত্মনির্মাণ, আত্মপ্রতিষ্ঠার, আত্মজাগরণের ক্রমপর্যায় এটি বুঝি। নেপথ্যে বাজতে থাকে মেদুর সঙ্গীত। যেন জগৎ তার আত্মভূত প্রিয়ের প্রতিষ্ঠার লগ্নে উত্সবমুখর হয়ে উঠেছে।

তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ে দেবী ঐশ্বর্যমণ্ডিতা, আভূষণে বিভূষিতা হয়ে ওঠেন। তাঁর শিরে ওঠে প্রভাময় কিরীট, কর্ণে অবতংস, তিনি অত্যুজ্জ্বল আলোকময়ী হয়ে বিমূঢ় করেন, মহতী চৈতন্যময়ী হয়ে জেগে থাকেন। শেষ হয় টাইটেল, ক্যামেরা ক্রমে দূরে, আরও দূরে সরে যায়। দেবীকে দেখা যায় তাঁর গর্ভগৃহে। সেখানে ধূম্রজালে, আরতির প্রদীপজ্যোতির্মণ্ডলে, সমবেত ভক্তবৃন্দের জয়ধ্বনিতে আলোকপুঞ্জে বিলীনপ্রায় জ্বালাময়ী, জ্যোতির্ময়ী হয়ে তিনি এক জ্যোতির্লোকে যেন দৃশ্যমান হন। নেপথ্যে তখন দ্রুতলয়ে ছুটে চলেছে জেগে ওঠা নতুন সুর, চতুর্দিকে। বার বার সেই সুর দিক বদলায় নানা বিভঙ্গে, আরও আরও দ্রুতগামী হয়ে এক অপার্থিব ঐশ্বর্যময়, বিচিত্রধ্বনিময় সুরঝঙ্কারে পরিণত হতে চায় যেন। এ যেন পাগলপারা নির্ঝরিণীর লক্ষ্যহীন উন্মাদনার কলনাদ। এ যেন সেই অলঙ্ঘ্য পরিণামের দ্যোতনাটি বুঝি।
আরও পড়ুন:

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১৪১: সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী — গড়িয়োল

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৯৯ : দুই সাপের বিবাদ ও রাজকন্যার গুপ্তধন লাভ! প্রাকারকর্ণের চাণক্য-নীতিতে মুগ্ধ উলূকরাজ

“দেবীর” এই নির্মাণের সমান্তরালে এক “মানবীর” আভূষণে, আড়ম্বরে, আয়োজনে দেবী হয়ে ওঠার যাত্রাপথটি অনুচ্চকিত হয়ে থেকে যায়। তার অনুচ্চার আকুতি, প্রতিবেশের মোহে, চাপে ভেঙে পড়া কিংবা এতদিনের সংশয় পার হয়ে নিজেকে দেবী বলে ভাবতে পারার অমানবীয়, বিচিত্র অপার্থিব কিন্তু মেদুর সমর্পণটি মুখ্য হয়ে ওঠে। এই আত্মসমর্পণ সামাজিক দৈন্যের কাছে। তার এই দৈব উত্তরণ অবমানিত মূক মানবাত্মার প্রতি মুহূর্তে হেরে যাওয়ার ক্লিষ্ট রূপটিই কেবল। সেই কৃত্রিম দৈবভাবের অন্তরালে জেগে থাকে আত্মবিনষ্টি ও গ্লানির ভার। দেবতা-মানুষের আধারে এ কাহিনি স্বাভাবিক ও আরোপিত সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক অস্তিত্বের কথা বলে, যেখানে নির্দিষ্ট অভিধায় মানুষকে সীমায়িত করা যায়, করা হয়। জেগে ওঠে ভেদাভেদ। মানুষ তার জাগতিক জীবনে যে প্রতিষ্ঠা ও উত্তরণ আকাঙ্ক্ষা করে, কামনা করে তার পরাকাষ্ঠা বুঝি উপাসকের আরাধ্য উপাস্যের ঐশ্বর্যময় স্বরূপে নিহিত। সেই মানুষ যদি অকস্মাৎ দেবতা হয়ে ওঠে, তার যদি “ইচ্ছাপূরণ” ঘটেই যায়, কিংবা পরিস্থিতি তাকে দেবতা বলে “দাগিয়ে” দেয়, (হ্যাঁ, দাগিয়ে দেয়) তাহলে মানবী ক্রমে ক্রমে দেবী হয়ে পূজিতা হন।
আরও পড়ুন:

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৮৬ : অগ্নি সংস্কার

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৮: ঘরে চুরি, বাইরে চুরি

উত্তরণ বলে যা মনে হয়, অনেকসময়-ই তা বিকলনমাত্র। তা একান্তই ক্লিষ্ট, দষ্ট, নষ্ট। সেখানে উত্তরণের স্বকীয় স্বাতন্ত্র্য নেই, আছে কেবল অপমানের গুরুভার, পরাজয়ের গ্লানি। এই পরাজয় জীবনের। এই আরোপিত দেবভাব আসলে অপ্রকৃতিস্থ সময়, জীবন, সমাজের বিষময় উদ্গার। তাই চলচ্চিত্রের শেষে আবার দেখা যায় দেবীর সেই অব্যক্ত আদিম প্রথম রূপটি, যা চলচ্চিত্রের প্রারম্ভেই দেখা গিয়েছিল, যার ওপরেই স্তরে স্তরে জমেছিল দৈবভাব, ক্রমে ক্রমে পূর্ণ হয়েছিল দেবসত্তা। কিন্তু তার অন্ধ অনুকরণে মানুষ পূর্ণ হতে পারে না। তার পূর্ণতার, উত্তরণের পথের সুর ভিন্নগ্রামে বাঁধা থাকে। সেই সত্য উপেক্ষিত হলে জীবন আত্মবিচ্ছিন্ন, জড় হয়। সেই রূপ আবার ফুটে ওঠে ছবির শেষে। সেখানে মানবের, দেবতার-ও সত্তা, চৈতন্য, বাহ্য ইন্দ্রিয়সমূহ নিদ্রিত, নিমীলিত, সুপ্ত। তাই তখন তিনি মৃন্ময় জড় কেবল, প্রাণহীন, আভরণহীন, নিশ্চেতন, নির্বিকার।

অবমানিত অবদমিত জীবনের রূপটিও তো এমনই। অথবা জীবনের এই অব্যক্ত রূপ বিচিত্র সম্ভাবনাগর্ভ, যা নির্দিষ্ট সীমার অভিধায় আচ্ছন্ন নয়, তা অসীম। সেই জীবন যদি দৈব কিংবা দানবীয় অভিধায় বাঁধা পড়ে, তাহলে তার স্বাভাবিক বিকাশ সেখানে স্তব্ধ হয়। এও এক আত্মাবমাননা, বঞ্চনা। এখানে জীবন মহত্তম হতে গিয়ে আত্মবিচ্ছিন্ন হয়। সেই দৈব, দোদুল্যমান সংশয়াকীর্ণ জগত্কে ছুঁয়ে ফেললে কি মানুষ স্পরশপাথরের স্পর্শে সোনা হয়? না বোধহয়, সেই কাহিনিই বলে “দেবী” চলচ্চিত্র।—চলবে।
* ড. অভিষেক ঘোষ (Abhishek Ghosh) সহকারী অধ্যাপক, বাগনান কলেজ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগ থেকে স্নাতকস্তরে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। স্নাতকোত্তরের পর ইউজিসি নেট জুনিয়র এবং সিনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে সাড়ে তিন বছর পূর্ণসময়ের গবেষক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সাম্বপুরাণের সূর্য-সৌরধর্ম নিয়ে গবেষণা করে পিএইচ. ডি ডিগ্রি লাভ করেন। আগ্রহের বিষয় ভারতবিদ্যা, পুরাণসাহিত্য, সৌরধর্ম, অভিলেখ, লিপিবিদ্যা, প্রাচ্যদর্শন, সাহিত্যতত্ত্ব, চিত্রকলা, বাংলার ধ্রুপদী ও আধুনিক সাহিত্যসম্ভার। মৌলিক রসসিক্ত লেখালেখি মূলত: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে চলেছে বিভিন্ন জার্নাল ও সম্পাদিত গ্রন্থে। সাম্প্রতিক অতীতে ডিজিটাল আর্ট প্রদর্শিত হয়েছে আর্ট গ্যালারিতে, বিদেশেও নির্বাচিত হয়েছেন অনলাইন চিত্রপ্রদর্শনীতে। ফেসবুক পেজ, ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত দর্শকের কাছে পৌঁছে দেন নিজের চিত্রকলা। এখানে একসঙ্গে হাতে তুলে নিয়েছেন কলম ও তুলি। লিখছেন রম্যরচনা, অলংকরণ করছেন একইসঙ্গে।

গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম

‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com


Skip to content