হলুদ আমাদের ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। এতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা বার্ধক্যের লক্ষণ, পিগমেন্টেশন, ব্রণ ইত্যাদির মতো ত্বকের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। হলুদে কারকিউমিন নামে একটি জৈব উপাদান রয়েছে, যা প্রদাহ-বিরোধী। এক কথায় ত্বকের যত্নে হলুদ অতুলনীয়। হলুদ সজলভ্য একটি খাবার, যা সব বাড়িতে থাকে। আমাদের ত্বকের যত্নের জনপ্রিয় পদ্ধতি হল হলুদ।
একঝলকে হলুদের উপকারিতা
ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়াতে
● হলুদ ত্বককে উজ্জ্বল করার জন্য একটি শক্তিশালী উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা কালো দাগ, দাগ এবং হাইপারপিগমেন্টেশন প্রভৃতি কমাতে পারে। হয়তো লক্ষ্য করেছেন যে, বেশিরভাগ ভারতীয় বিবাহ অনুষ্ঠানে হলুদ ব্যবহার করা হয়। তাই পুজোর আগেও ত্বককে উজ্জ্বল করতে কাঁচা হলুদ খেলে বা এর প্রলেপ লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
ব্রণ বা র্যাশ কমাতে
● ব্রণর চিকিৎসায় হলুদ খুবই উপকারী। হলুদে থাকা সক্রিয় উপাদান কারকিউমিনে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ব্রণ বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। হলুদের প্রদাহ-বিরোধী প্রকৃতি ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং অবশেষে ত্বক নিরাময় করে। তাই পুজোর আগে ত্বককে ব্রণ মুক্ত রাখতে হলুদের ব্যবহার প্রয়োজন।
ত্বকের বলি রেখা কমিয়ে দেয়
● আপনার ত্বক প্রায়শই অতিবেগুনী রশ্মি এবং পরিবেশ দূষণের সংস্পর্শে আসে। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেলের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং আপনার ত্বক স্থিতিস্থাপকতা হারাতে শুরু করে যা সূক্ষ্ম রেখা, বলিরেখা, বয়সের দাগ ইত্যাদির মতো বার্ধক্যের লক্ষণ হিসাবে দেখা দেয়। কারকিউমিন একটি উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ হওয়ায় আপনার কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং আপনার ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা শক্তিশালী করে।
সোরিয়াসিসে সাহায্য করে
● আপনার মুখেও সোরিয়াসিস হতে পারে। এটি এমন একটি ত্বকের অবস্থা যা আপনার ত্বককে পুরু এবং অত্যন্ত শুষ্ক করে তোলে। এটি আপনার মুখের ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং তীব্র জ্বালা সৃষ্টি করে। অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি হওয়ায়, হলুদ সোরিয়াসিস সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
যোগাযোগ: ৯৮৩০৭৬৮১৫২
** হেলদি ডায়েট (Healthy Diet): সুতনুকা পাল (Sutanuka Paul), পুষ্টিবিদ, ডায়েট-টু-ফাইট।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com