রবিবার ৮ মার্চ, ২০২৬


একদিন সারদা মার বাড়ির রাখালকে পুণ্যপুকুরের বাঁশবনে শাঁখামুটি সাপে কামড়ায় বাঁ হাতের তর্জনীর ডগায়। সারদা মা বললেন, ‘সিংহবাহিনীর মাড়োতে ওকে নিয়ে যাও, ‘আর মায়ের স্নানজল খাওয়াতে ও আঙুলে মাটি লাগাতে বললেন। তাই করা হল। রাখাল ছেলেটি ভালো হয়ে গেল। মাঠের আলপথ দিয়ে একদিন আসার সময় মার ভাইপো ভূদেবকেও জাতসাপে কামড়ায় আর সে জ্ঞান হারায়। তাকে সারদা সিংহবাহিনী দেবীর মাটির প্রলেপ দিয়ে সারারাত ঘরে শুইয়ে রাখেন। সকালে তার জ্ঞান ফিরে আসে। সেই বছরের শেষে শ্রীমার পেটের প্লীহা খুব বেড়ে যাওয়ায় তা গ্রাম্য প্রথায় দাগাবার জন্য মা সারদার মা তাঁকে কয়াপাটের হাটতলায় নিয়ে আসেন। সেখানে শিবমন্দিরে তখন অন্য একজনের প্লীহা দাগানো হচ্ছিল।

Skip to content