বয়সকালে চুলে পাকে বা ত্বকে বলিরেখা যেমন ফুটে ওঠে, তেমনই চোখের দৃষ্টিও ঝাপসা হয়ে আসতে পারে। লেন্স ঝাপসা হয়ে আসা বা ছানি পড়া চোখের মূল সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম। তাই রকম সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ এর ফল হতে পারে মারাত্মক। শুধু তাই নয়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। মুশকিল হল, বেশিরভাগ মানুষ ম্নে করেন এই ধরনের সমস্যা ৬০ বছর বয়স পেরোলে তবেই দেখা দেয়। যদিও চিকিৎসকদের বক্তব্য, আজকাল ৩৫-৪০ বছর বয়সিদের চোখও ছানি হতে পারে। এমন কি এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।
কেন অল্পবয়সিদের মধ্যে ছানির সমস্যা দেখা দেয়?
ডায়াবিটিস
● ডায়াবিটিসে ভুগলে চোখের সমস্যা বাড়ে। এমন কি কোন কোনও ক্ষেত্রে কম বয়সে ছানি পড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি
● আমরা সবাই জানি সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাবের কথা। তাই সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগনি রশ্মির প্রভাবে অনেক সময় চোখের লেন্স ঝাপসা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বংশগত
● চোখের সমস্যা অনেক সময় বংশগত কারণেও হতে পারে। যদি কারও বংশে চোখের সমস্যা থাকে, তাহলে ক্ষেত্র বিশেষে অল্প বয়সেও ছানি পড়ার ঝুঁকি থাকে।
অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস
● কম বয়সে ছানি পড়ার আর একটা কারণ হতে পারে ‘অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস’। আসলে ‘অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস’ এক ধরনের অ্যালার্জি। এই সমস্যায় ভুগলে আমাদের চোখের পেশির কার্যক্ষমতা কমে যায়। ফলস্বরূপ ছানির অসুখ দেখা দিতে পারে।
মাইনাস পাওয়ার
● অনেকেই ‘মাইনাস পাওয়ার’র সমস্যায় ভোগেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাঁদের চোখে খুব বেশি ‘মাইনাস পাওয়ার’ থাকে অর্থাৎ মায়োপিয়া থাকে, এঁদেরও অল্প বয়সে চোখে ছানি পড়তে পারে। আবার রাতকানা রোগ থাকলেও কম বয়সে ছানি পড়ার আশঙ্কা থাকে।
তাহলে কী ভাবে রেহাই পাওয়া সম্ভব?
● মুশকিল হল, ছানি প্রতিরোধের তেমন বিশেষ কোনও উপায় নেই। তবে ছানি পড়লে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আরোগ্য সম্ভব। তাই অল্প থাকতেই আমাদের ছানির উপসর্গকে চিনতে হবে। সাধারণত ছানির সমস্যায় ভুগলে সব কিছু কেমন যেন নিষ্প্রভ লাগে। আমাদের ‘কনট্রাস্ট ভিশন’ কমে যায়। সব কিছু কেমন যেন ধূসর লাগে। এমন কি অল্প আলোয় দেখতে বেশ অসুবিধা হয়। আবার রাতে জোরালোয় চোখে খুব কষ্ট হয়। তাই চিকিৎসকরা বলছেন, চোখে সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা না করে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
গল্প ও উপন্যাস পাঠানোর নিয়ম
‘সময় আপডেটস’ -এর এই বিভাগে যাঁরা গল্প ও উপন্যাস পাঠাতে চান তাঁরা ছোটদের ও বড়দের আলাদা আলাদা গল্প পাঠাতে পারেন। বুঝতে সুবিধার জন্য ইমেলের ‘সাবজেক্ট’-এ বিভাগের উল্লেখ করবেন। ছোটদের গল্পের জন্য ১০০০ শব্দ ও বড়দের গল্পের জন্য ১০০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে পাঠাতে হবে ইউনিকোড ফরম্যাটে। সঙ্গে ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর দিতে ভুলবেন না। গল্প বা উপন্যাস নির্বাচিত হলে যোগাযোগ করা হবে। ইমেল: samayupdatesin.writeus@gmail.com