
অভিনেতা প্রয়াত জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
প্রয়াত অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সোমবার, ১১টা ৩৫ নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অভিনেতা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এখন অভিনেতার সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী অঙ্কিতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা রয়েছেন।
গত ১৫ অগস্ট জয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। তাঁকে ১৭ অগস্ট ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন বলে জানিয়েছে জয়ের সহকারী ছোটু। নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হবে। এখন হাসপাতালেই অভিনেতার মরদেহ রয়েছে।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

পৃথিবীর সর্বোচ্চ একক আর্চ ব্রিজের নির্মাণে বিনয়ী এক অধ্যাপিকা

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২৯: পথিমধ্যে অতর্কিতে

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১৩: শকুন
জয় এবং চুমকি চৌধুরীর জুটি এখনও সিনেপ্রেমীদের কাছে আলোচিত বিষয়। অভিনেতা জয় সুখেন দাস ও অঞ্জন চৌধুরীর বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। ‘হীরক জয়ন্তী’, ‘মিলন তিথি’, ‘জীবন মরণ’, ‘নাগমতি’-সহ একাধিক ছবির নায়ক ছিলেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘চপার’ ছবিতে তাঁর অভিনয় বিশেষ ভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। জয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ টলিপাড়া।
আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১২৭: আশ্রমকন্যা শকুন্তলার পুত্রের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চিরন্তন মাতৃত্বের প্রকাশ এবং দুষ্মন্তের লাম্পট্য ও প্রতারণা, সব যুগেই বিদ্যমান

ত্রিপুরা: আজ কাল পরশুর গল্প, পর্ব-৭৩: রাজা গোবিন্দমাণিক্য চেয়েছিলেন ঘরে ঘরে পুরাণ পুঁথির প্রচার হোক
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। হার হয়েছিল অভিনেতার। ২০২১ সালে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করেন তিনি আর বিজেপির প্রতিনিধিত্ব করবেন না।


















