পর্ব-৫৮: যেখানে দেখিবে ছাই

পর্ব-৫৮: যেখানে দেখিবে ছাই

অলঙ্করণ : সৌমি দাসমণ্ডল। মাথার উপর রোদ্দুর ঝাঁ-ঝাঁ করছিল। এই বসন্তকালে লোকে যে কেন ছুটে আসে কেবলমাত্র পলাশের সৌন্দর্য দেখার লোভে, তা পাভেল বোঝে না। এই দেড় মাস তাকে কম ঘোরাঘুরি করতে হয় নি তথ্য সংগ্রহের কারণে। প্রথম প্রথম জায়গাটা ভালো লাগলেও, যত দিন এগিয়েছে, তত সে...
পর্ব-২২: একই পরিবারে চারজনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

পর্ব-২২: একই পরিবারে চারজনের মৃত্যু ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

ছবি: সংগৃহীত।  সিন্নি, পর্ব-১ যাঁরা আজীবন কলকাতা শহরে থেকেই জীবন কাটাবার সুযোগ পেয়েছেন তাঁরা ঠিক পড়াশোনা বা চাকরির জন্য পশ্চিমবঙ্গের দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষজনের জীবনযাত্রা উপলব্ধি করতে পারেন না। তাঁদের দৈন্যন্দিন যুদ্ধটা বুঝতেই পারেন না যাঁদের দিনের প্রায়...
পর্ব-৫৭: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি

পর্ব-৫৭: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি

অলঙ্করণ : সৌমি দাসমণ্ডল। শাক্যরা রিসর্ট থেকে বেরোতেই সাংবাদিকরা একেবারে ছেঁকে ধরবে বলে অপেক্ষা করছিল। এখন অবশ্য শাক্য একা নয়, পাভেলও আছে। সঙ্গে সুদীপ্ত তো আছেই। শাক্য আগেই আশঙ্কা করেছিল যে, এমনটা হবেই। পিশাচপাহাড় হালে ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে গুরুত্ব পেলেও আদতে...
পর্ব-২১: সংযুক্তা হঠাৎ চমকে দেখল ভিতরে ঢুকছেন শ্রুতি সেন

পর্ব-২১: সংযুক্তা হঠাৎ চমকে দেখল ভিতরে ঢুকছেন শ্রুতি সেন

 উইকেন্ড এসকর্ট (অন্তিম পর্ব) এই ফোনটা নেওয়া হয়েছিল সংযুক্তা দেব এই নামে। তার মানে মিতুল দে নামটা ভুয়ো। বাড়ি হালতু পোস্ট অফিসের কাছে। সংযুক্তার বাবা হলেন সেই মানুষটি, নিরঞ্জন দেব। যিনি গোলপার্কের কাছে গড়িয়াহাট রোডের ওপর গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছিলেন।...
পর্ব-৫৬: তোমার আছে তো হাতখানি

পর্ব-৫৬: তোমার আছে তো হাতখানি

অলঙ্করণ : সৌমি দাসমণ্ডল। শাক্য তুম্বো মুখ করে বলল, “আসুন।” অজয়বাবু কান এঁটো করা হাসি মুখে এঁটে এগিয়ে এসে সশব্দে চেয়ার টেনে বসে বলল, “আমাকে শুনলাম ইন্টারোগেট করা হবে?” শাক্য বলল, “সেটাই দস্তুর নয় কি? যেখানে ক্রাইম হয়, সেখানে উপস্থিত সকলকে সাসপেক্ট হিসেবে সন্দেহ করাটাই...

Skip to content