ছবি: প্রতীকী।

মুখে দুর্গন্ধ মানেই বাড়তি বিড়ম্বনা। মুখ খুললেই দূরে সরে যান সামনের মানুষটি। মুখগহ্বরের বিভিন্ন রকম জীবাণু থেকে দাঁতের নানা সমস্যা ও মুখের দুর্গন্ধ হতে পারে। তবে সাধারণ ভাবে মুখগহ্বরের সমস্যার চটজলদি সমাধান করতে নেওয়া সম্ভব যদি কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা মানা যায়।
 

মধু ও জল

● জীবাণুনাশক গুণ থাকে মধুতেও। আবার প্রদাহ কমাতেও মধু বেশ কাজে আসে। চাইলে মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়োও মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। আবার কারও যদি মধু খেতে ইচ্ছে না করে তাহলে উষ্ণ গরম জলে এক চিমটি নুন মিশিয়ে গার্গেল করতে পারেন। মিলতে পারে সুফল।

আরও পড়ুন:

মুভি রিভিউ: ঐতিহাসিক পটভূমির ‘মহারাজ’ ছবিতে আমিরপুত্র জুনেদ নজর কাড়বে

গীতা: সম্ভবামি যুগে যুগে, পর্ব-৪: যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই, যাহা পাই তাহা চাই না?

 

লবঙ্গ

● যে কোনও রান্নাঘরে খুঁজলেই লবঙ্গ পাওয়া যায়। লবঙ্গ শুধু মুখের দুর্গন্ধ হ্রাস করে না, সেই সঙ্গে আমাদের মাড়ি ফুলে যাওয়ার সমস্যাও কমায়। এর ব্যাক্টেরিয়া নাশক গুণও আছে। আবার দাঁত থেকে রক্ত পড়া বা দাঁত ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সমস্যাতেও লবঙ্গ বেশ কাজের। ফলে তাৎক্ষণিক ভাবে মুখের দুর্গন্ধ কমাতে এক দুটি লবঙ্গ চিবিয়ে নেওয়াই যথেষ্ট।

আরও পড়ুন:

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-৭৪: রাজা দশরথ, রাম, লক্ষ্মণ, সীতা সকলেই কি এক একটি জীবনবোধের প্রতীক?

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৫২: হিতকারী মূর্খ বন্ধুর থেকে একজন পণ্ডিত শত্রু থাকা ভালো

 

দারচিনি

● ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধ করার ক্ষমতা দারচিনিতেও রয়েছে। মুখগহ্বরের জীবাণু জমে থাকা খাদ্যকণা ও শর্করার টুকরোর উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। এই সব জীবাণুর কাজ কর্মে উৎপন্ন গ্যাস মুখের দুর্গন্ধ তৈরি করে। তাই এক টুকরো দারচিনি চুষতে থাকলে অনেকটাই দূর হবে মুখের দুর্গন্ধ সমস্যা।


Skip to content