
ছবি: প্রতীকী।
শীতের আমেজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না বঙ্গবাসী। বুধবার দার্জিলিঙের তাপমাত্রা ছিল ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গে শ্রীনিকেতনে সব থেকে কম তাপমাত্রার পারদ ছিল। শ্রীনিকেতনে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায়ও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা কম ছিল। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার দাপট থাকবে বলে হাওয়া দফতর জানিয়েছে।
আগামী সাত দিন বাংলার কোথা জায়গায় রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তন হচ্ছে না। আবার কোথাও বৃষ্টিরও পূর্বাভাসও নেই। সারা রাজ্যের আবহাওয়া থাকবে শুষ্কই থাকবে। কলকাতায় বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। দিনের তাপমাত্রা থাকবে কমবেশি ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সকালের দিকে আকাশ থাকবে কুয়াশাচ্ছন্ন।
আরও পড়ুন:

সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১২৮: সোনালি বাটান

উপন্যাস: দেওয়াল পারের দেশ, পর্ব-১১: স্বপ্নভূমি তিলজলা

গল্পবৃক্ষ, পর্ব-৪৩: গর্গজাতক: হাঁচি

মহাকাব্যের কথকতা, পর্ব-১৩৯: রাজসূয় মহাযজ্ঞের মাহাত্ম্য ও আধুনিকতা
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার দাপট থাকবে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে অনেকটাই দৃশ্যমানতা নেমে যেতে পারে। দৃশ্যমানতা ৯৯৯ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারেন। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকছে। তবে বাকি উত্তরবঙ্গের চার জেলায় ততটা কুয়াশা থাকবে না বলে হাওয়া দফতর জানিয়েছে।
আরও পড়ুন:

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১৪৩: মাঝ-রাতে আশ্রমে একটি বালক কাঁদছিল কেন?

উত্তম কথাচিত্র, পর্ব-৭৬ : মায়ামৃগ
নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে পর পর নিম্নচাপের জেরে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। তবে এখন বাংলা জুড়ে উত্তুরে হাওয়ার বইছে। তবে বঙ্গোপসাগরে আর নতুন করে কোনও নিম্নচাপ অঞ্চল বা ঘূর্ণাবর্তও তৈরি হয়নি। তাই এখনই বাংলায় শীতের আমেজে ভাটা পড়ার সম্ভাবনা নেই বলে হাওয়া দফতর জানিয়েছে।

















