
ছবি: প্রতীকী।
আজকাল বাজারে স্বাস্থ্যকর খাবারের জোরদার প্রচার চলে। এই তালিকায় রয়েছে কৃত্রিম চিনি-ও (আর্টিফিশিয়াল সুগার)। এখন তো চা থেকে শুরু করে রান্না, সবেতেই এই কৃত্রিম চিনি অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু এই কৃত্রিম চিনি খাওয়া কি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী? হালের গবেষণায় কিন্তু আশঙ্কারই ইঙ্গিত দিয়েছে।
সম্প্রতি ‘জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি’-এ এই বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটিট অফ কলোরাডো বোল্ডারের গবেষকেরা এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছেন। এতে ওই গবেষকরা কৃত্রিম চিনি নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, এই ধরনের চিনির দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার নানা ধরনের অসুখ-বিসুখের কারণ হতে পারে।
আরও পড়ুন:

রহস্য উপন্যাস: পিশাচ পাহাড়ের আতঙ্ক, পর্ব-১২৫: কতদিন পরে এলে

গল্পকথায় ঠাকুরবাড়ি, পর্ব-১২৬: ঠাকুরবাড়ির কন্যা ঘোড়ার পিঠে চড়ে বন্দুক উঁচিয়ে জমিদারি-কাজে বের হতেন

এই দেশ এই মাটি, সুন্দরবনের বারোমাস্যা, পর্ব-১১১: পাতিকাক
কৃত্রিম চিনিতে থাকে এরিথ্রিটল নামের একটি উপাদান। এই উপাদান চিনির মতো মিষ্টিই হয়। গবেষণায় জানা গিয়েছে, কৃত্রিম চিনিতে থাকা এরিথ্রিটল উপাদান মানুষের মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি করতে পারে। গবেষকদের বক্তব্য, এই এরিথ্রিটল যদি যদি রক্তে বেশি মাত্রায় প্রবেশ করলে তা অনেক সময় স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে। বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে এই উপাদানটি কোষে প্রবেশ করিয়ে দেখেছেন কোষের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হয়নি। সেই সঙ্গে এরিথ্রিটলের মতো উপাদান মানব দেহে প্রবেশ করলে প্রদাহ তৈরি হতে পারে বলেও গবেষকরা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:

পঞ্চতন্ত্র: রাজনীতি-কূটনীতি, পর্ব-৮৭: শুধু মুখে ধর্মের বুলি আওড়ালেই কেউ ধার্মিক হয়ে যায় না

আলোকের ঝর্ণাধারায়, পর্ব-১০৯: মা সারদার কাছের সেবিকাবৃন্দ
এ প্রসঙ্গে গবেষক দলের অন্যতম সদস্য গবেষক অবার্ন বেরি বলেন, ‘‘যদি কোনও ব্যক্তির ধমনীর ব্যাস ছোট হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা থাকে, তা হলে তাঁর স্ট্রোক হতে পারে।’’ অবার্ন আরও জানিয়েছেন, আজকাল কৃত্রিম চিনি ব্যবহারের ফলে হৃদ্রোগের আশঙ্কা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে।


















