মঙ্গলবার ৯ জুন, ২০২৬
পর্ব-৮৭: কবির জন্মদিনে প্রিয়জনের উপহার

পর্ব-৮৭: কবির জন্মদিনে প্রিয়জনের উপহার

সরলা দেবী। রবীন্দ্রনাথের আশি বছর পূর্তি উপলক্ষে টেলিগ্রামে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। গান্ধীজি লিখেছিলেন, ‘আপনার জীবনের আশি বছর পূর্তি যথেষ্ট নয়—শতবর্ষ জীবন প্রার্থনা করি।’ প্রত্যুত্তরে রবীন্দ্রনাথ জানিয়েছিলেন, ‘আশি বছর বেঁচে থাকাটাই...
পর্ব-৮৬: যন্ত্রণাদগ্ধ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ রাঁচিতে পেয়েছিলেন সান্ত্বনার প্রলেপ

পর্ব-৮৬: যন্ত্রণাদগ্ধ জ্যোতিরিন্দ্রনাথ রাঁচিতে পেয়েছিলেন সান্ত্বনার প্রলেপ

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। ঠাকুরবাড়িতে গুণবান পুরুষের অভাব ছিল না। মেয়েবউরাও কম গুণবতী নন। সকলে যে প্রাপ্য স্বীকৃতি পেয়েছেন, আলোয় এসেছেন, তা নয়। অনেকেই প্রাপ্য স্বীকৃতি পাননি। আবার কেউ কেউ নিজেকে স্বেচ্ছায় আড়ালে রেখেছেন। অন্তরালে থেকেই তাঁদের স্বস্তি। যেমন,...
পর্ব-৮৫: ভূপেনবাবুর ভূত

পর্ব-৮৫: ভূপেনবাবুর ভূত

রবীন্দ্রনাথ। ছোটদের প্রতি রবীন্দ্রনাথের ছিল অফুরান ভালোবাসা। সে ভালোবাসায় কোনও খাদ ছিল না। অন্তর থেকে উৎসারিত। আশ্রম-পড়ুয়াদের জন্য কবির ভাবনা-দুর্ভাবনার অন্ত ছিল না। মধ্যরাতে হয়তো বৃষ্টি পড়ছে, বৃষ্টির শব্দে কবির ঘুম ভেঙে গিয়েছে, সবার আগে মনে পড়েছে ছাত্রাবাসে...
পর্ব-৮৪: নোবেল পাওয়ায় বন্ধু দিয়েছিলেন লজ্জাবতীর চারা

পর্ব-৮৪: নোবেল পাওয়ায় বন্ধু দিয়েছিলেন লজ্জাবতীর চারা

রবীন্দ্রনাথ। তাঁর একটিই বই। সে বইয়ের নাম ‘অব্যক্ত’। বইটি প্রকাশের পর পাঠিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথের কাছে। বইয়ের সঙ্গে চিঠিও ছিল। চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘আজ জোনাকির আলো রবির প্রখর আলোর নিকট পাঠাইলাম।’ হোক না বিজ্ঞানের জগতে ঘোরাফেরা, সাহিত্যেও তিনি সাবলীল। সাহিত্যে...
ঠাকুরবাড়িতে দোলে আসত নাচিয়ে, নাচের তালে তালে হত আবিরের আলপনা

ঠাকুরবাড়িতে দোলে আসত নাচিয়ে, নাচের তালে তালে হত আবিরের আলপনা

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। পুরোনো কলকাতায় দোল শুধু ছাতুবাবু-লাটুবাবুদের আনন্দের মহোৎসব ছিল না, তা জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। একসময় দুর্গাপুজোকে ঘিরে জাঁকজমক কম হত না। নীলমণি ঠাকুরের আমলে জোড়াসাঁকোয় দুর্গাপুজোর সূচনা হয়েছিল। দ্বারকানাথের কালে...

Skip to content