বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৫০: শিলচর শহরের অতীতের গল্প

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৫০: শিলচর শহরের অতীতের গল্প

“ঘড়িটি বলছে শুনো টিক টিক / সময় যায় যে উড়ে ঠিক ঠিক।” ছোটবেলায় পড়া একটি ছড়ার এই লাইনটি যে কতটা সত্যি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সূর্যচন্দ্র যেমন রোজ আমাদের সঙ্গে থাকে তেমনি সময়ের হাত ধরে পরিবর্তনও আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী হয়ে উঠে। তবে এই পরিবর্তনের চেহারা বড়...
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৭: অসমে সংবাদপত্র প্রকাশের গল্প জানা?

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৭: অসমে সংবাদপত্র প্রকাশের গল্প জানা?

‘খবরের কাগজ’ এই শব্দটির সঙ্গে সাধারণ মানুষের যেন এক আবেগ এবং অভ্যেস জড়িয়ে আছে। সকালবেলা চায়ের টেবিলে খবরের কাগজ নিয়ে পাঁচ-দশ মিনিট বসার পরই অনেকের দিন শুরু হয়। খবরের কাগজের ভূমিকা নিয়ে বিশেষ কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে সংবাদপত্র সমাজের...
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৬: অসমে কীভাবে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়?

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৬: অসমে কীভাবে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়?

শিলচর শহরের একটি পুজো মণ্ডপ। দুর্গাপুজো বাঙালি হিন্দুদের জাতীয় উৎসব হলেও অসমে বহু কালকাল ধরে দুর্গাপুজো বেশ ঘটা করেই হয়। কালিকাপুরাণে কামরূপ বা অসমকে দেবী পুজোর কেন্দ্র স্থল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। “অন্যত্র বিরলা দেবী কামরূপে গৃহে গৃহে”। অসমীয়া সাহিত্যের বৈষ্ণব...
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৫: স্বাধীনোত্তর শহর শিলচর

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৫: স্বাধীনোত্তর শহর শিলচর

শহর শিলচর দক্ষিণ অসমের বরাক নদীর তীরে উপস্থিত। শহরের একটু বাইরে গেলেই এদিক-ওদিক থেকে উঁকি দেয় বড়াইল পাহাড়। শহরের গা ঘেঁষে বয়ে চলেছে বরাক নদী। এক সময় এই বরাক নদীর জলে রিভার ডলফিন পাওয়া যেত। বেশ কয়েক বছর আগেও এই নদীর জলে রিভার ডলফিন দেখা গিয়েছে বলে খবরের কাগজে...
অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৩: নাচে-গানে অসম

অসমের আলো অন্ধকার, পর্ব-৪৩: নাচে-গানে অসম

ঝুমুর নৃত্য। অসম একদিকে যেমন নয়নাভিরাম সবুজের দেশ, তেমনই এখানকার মানুষও প্রকৃতির মতোই সহজ, সরল। সাধারণ মানুষের জীবনের ছবি প্রতিবিম্বিত হয়েছে তাদের সংস্কৃতিতে। সবুজ পাহাড়ের কোলে থাকা মানুষ প্রকৃতির নিস্তব্ধতা ভেঙে নাচে-গানে মেতে ওঠে। অসমে যেহেতু অনেক বর্ণ-ধর্ম-ভাষার...

Skip to content