সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১১৮: একটি খালি বিয়ারের বোতল

পর্ব-১১৮: একটি খালি বিয়ারের বোতল

কাল রাতেই জায়গাটা পরীক্ষা করেছিল তারা দু’জনে। কিন্তু রাত্রে সব ভালো করে দেখা সম্ভব নয়, যতই আলো থাকুক না কেন। অতএব দিনের আলোয় জায়গাটা আরেকবার ভালো করে দেখা জরুরি ছিল। সেই কাজটিই করছিল শাক্য এবং সুদীপ্ত। দু’জনে এই ক-দিনে একেবারে হরিহরআত্মা হয়ে উঠেছে। তবে তদন্ত-চলাকালীন...
পর্ব-১১৭: আপাতত পরিত্রাণ

পর্ব-১১৭: আপাতত পরিত্রাণ

সাইকেল থমথমে মুখে জিজ্ঞাসা করল, “কী হল ডাগ্দারবাবু, চুপ করে গেলেন কেন? বলেন, কী বলেছিল নুনিয়া আপনাকে যে, আপনি থানায় যেতেন?” সত্যব্রত সামলে নিলেন। বেফাঁস কথাটি বলে ফেলেছেন, এখন থুতু গেলা ছাড়া তাঁর আর কোনও উপায় নেই। যে-ভাবেই হোক ব্যাপারটা ম্যানেজ করতে হবে। না হলে কেবল...
পর্ব-১১৬: বিপদে মোরে রক্ষা করো

পর্ব-১১৬: বিপদে মোরে রক্ষা করো

“আমার কিন্তু এবার ভয় করছে?” তৃধা বলল। “কেন?” “কেন মানে? তোমাকে তো বললাম, ও হঠাৎ আগেই ফিরে আসছে। এখানে এসে পড়ে যদি তোমাকে আমার সঙ্গে দেখে, কী হবে বুঝতে পারছো?” “ধুস! চাপ নিচ্ছ কেন এত? কী আর করবে ও? বড়জোর তোমাকে ডিভোর্স দেবে। তা দেবে। সেটাই তো ভালো। তুমি জব করো না, ফলে...
পর্ব-১১৫: গেমপ্ল্যান

পর্ব-১১৫: গেমপ্ল্যান

পিশাচপাহাড় রিসর্ট থেকে তদন্ত এবং ‘পুছ্তাছ্’ শেষ করে শাক্য এবং সুদীপ্ত যখন ফিরল, তখন মালাকার মুখ হাঁ করে চেয়ারে বসে সুখনিদ্রা দিচ্ছেন। শাক্যরা যে এসেছে, সেটা টের না পাওয়ায় অনেকক্ষণ সামনের টেবিলের উপরে ঠিক হিন্দি ফিল্মে দুষ্টু পুলিশ অফিসারেরা যেমনভাবে শুয়ে থাকেন, সেই...
পর্ব-১১৪: বন্দি, জেগে আছো?

পর্ব-১১৪: বন্দি, জেগে আছো?

তরল অন্ধকারে ঘরটা ভেসে যাচ্ছিল যেন। অন্তত চোখ খুলে সত্যব্রতর তেমনটাই মনে হল। মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছিল তাঁর। জ্ঞান ফিরে আসার মুহূর্তে যেমন বিভ্রান্ত লাগে নিজেকে, আমি কে, আমি কোথায়, আমি এখানে কেন—এইসব প্রশ্ন জাগতে থাকে একের পর এক, সেই ভাবেই জাগছিল অনেক কিছু। আস্তে-আস্তে...

Skip to content