প্রতিদিন খাবারে শীতের শাক-সব্জি, বিশেষ করে গাজর, টম্যাটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি রাখুন। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা মেনে চলতে হবে।
প্রতিদিন খাবারে শীতের শাক-সব্জি, বিশেষ করে গাজর, টম্যাটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি রাখুন। তবে নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা মেনে চলতে হবে।
Quinoa—যার সঠিক উচ্চারণ হবে কিনোয়া। নাম শুনে একটু খটমটো বা অপরিচিত লাগলেও মোটেও নতুন নয়।
ইউরিক অ্যাসিড যদি কারও শরীরে বেশি মাত্রায় থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে তাঁর ডায়াবেটিস হলেও হতে পারে।
প্রথমে unseen passageটি পরপর চার বার মন দিয়ে পড়ো। তারপর প্রশ্নগুলো ভালো করে দ্যাখো এবং সম্ভাব্য উত্তরগুলি pencil দিয়ে দাগ দিয়ে নাও। এরপর আরও একবার passageটি পড়ো।
শরীর খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পেলে যতই নখের যত্ন নিন, তার স্বাস্থ্য ভালো হবে না। খেয়াল রাখতে হবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা অবশ্যই যেন ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ হয়।
শীতকালে যেহেতু হাঁটা চলা তুলনামূলক কম হয় এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে অনেকে জলপান কম করেন তার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা এ সময় বাড়তে থাকে।
আঞ্জনি বা স্টাই বা হর্ডিওলাম নিয়ে বছরের বিভিন্ন সময়ে অনেকেই ভুগে থাকেন। সাধারণত চোখে নোংরা জমা বা পরিষ্কার করে চোখ না ধোয়া অঞ্জনির কারণ হিসাবে মনে করা হয়।
আমাদের সম্পর্কে ‘সময়’— ছোট্ট এই শব্দটির গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের সব কিছুই ‘সময়’-এর আবর্তে আবর্তিত। যান্ত্রিক উন্নয়নের যুগে, বিশ্বের প্রতিটি কোণে, প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে দ্রুততার সঙ্গে ‘আপডেট’ করার তালে মানুষ ক্রমাগত যেন ঘোড়দৌড়ে মেতে উঠছে ঘড়ির কাঁটার...
দরজায় কড়া নাড়ছে মাধ্যমিক। আর এক মাসের মতো সময় হাতে। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। আমি নিশ্চিত তোমাদের সক্কলের প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। ওই প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে আজকের এই ক্লাস।
নাক ডাকা বিপজ্জনক কিনা তা নির্ভর করে এর ধরন, তীব্রতা এবং কতক্ষণ বা কত বার হচ্ছে তার উপর। হালকা, কদাচিৎ নাক ডাকা স্বাভাবিক ব্যাপার। এর জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।
ফ্ল্যাভোনয়েডস-এর উৎকৃষ্ট উৎস এই আঙ্গুর ও বেরি জাতীয় ফল। বিশেষত ব্লু-বেরি যা ত্বকের প্রাকৃতিক সানব্লক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
আজ Adjective-এর degreeগুলির বাক্যে প্রয়োগ এবং কীভাবে এই degreeগুলি change করে বাক্যের অর্থ একই রাখা যায়, সেই বিষয়ে কথা বলবো।
কাঁচা করলার রস পাইলসের যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি করলা গাছের মূল বেটে খেলে বা এর পেস্ট পাইলসের ওপর লাগালে কষ্ট অনেকটাই কমে।
এখনকার দিনে বেশি করে খিদে পাওয়া, অতিরিক্ত জলতেষ্টা পাওয়া এবং বার বার প্রস্রাব করা —এই তিনটি ‘ক্লাসিক’ উপসর্গ ডায়াবেটিক রোগীদের মধ্যে আর খুব বেশি দেখা যায় না।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বছর, মাস, দিন হিসাবে বয়স বাড়ে। কিন্তু শরীরের বয়স বাড়তে না দেওয়া আপনার হাতে। বয়স ৩০, ৪০ যাই হোক, আগের মতোই তন্বী ও সুন্দর থাকতে শুধু মন নয় শরীরের বয়স বাড়তে না দেওয়া সম্পূর্ণ আপনার নিজের হাতেই।
যে নামেই ডাকা হোক না কেন, এই বাদাম যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং বহু রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকারের সাহায্য করে সে ব্যাপারে পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা সবাই একমত। আমন্ডের বৈজ্ঞানিক নাম প্রানাস ডুলসিস।
ডায়াবিটিস আক্রান্ত রোগীরা প্রশ্ন করেন, একবেলা ভাত খাওয়া যাবে কি না, দুপুরে ভাত খাওয়া যাবে কি না, রাতে রুটি খেতে হবে কি না, ভাতের বদলে অন্য কি খাওয়া যেতে পারে ইত্যাদি।
এখন নয়, প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার এই নিয়ম বহুকাল ধরে চলে আসছে। এখন কাজের চাপে আমরা সেই নিয়ম মেনে চলতে পারি না। আর সেই কারণেই শরীরে বিভিন্ন রকম রোগ বাসা বাঁধছে।
আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি সেটি মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ‘Degrees of Adjective’ এবং বাক্যে তার প্রয়োগ।
শীতকালে অনেক সময় শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় বলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে ইনহেলারের ডোজ বাড়াতে হয়। তবে মনে রাখবেন, কখনই নিজের মতো করে ডোজ বাড়েনো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেবেন না।
সাধারণত প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ব্যক্তির প্রয়োজন অনুযায়ী এক থেকে দেড় লিটার পর্যন্ত জল খেতে বলা হয়। দুধ, চা, অন্যান্য পানীয় সবমিলিয়ে হিসাব করা হয়।
জানেন কি night owl বা early bird কাকে বলে? কিংবা তিনতলাকে কেন second floor বলে? আজকে আরও কিছু ‘COMMON ERRORS IN ENGLISH’ নিয়ে আলোচনা করবো।
যাঁরা বাড়তি ওজন কমানোর জন্য এন্তার প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নিচ্ছেন, সাবধান। অতিরিক্ত প্রোটিন মানেই অতিরিক্ত ক্যালরি, যা ঠিকমতো খরচ না হলেই ওজন কমার বদলে বাড়বে।
ডায়াবেটিস রোগীদের ব্লাড সুগার যতই বেশি হোক না কেন তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগেই শরীর খারাপ বা মৃত্যু হয় প্রধানত দুটি কারণে—এক, হার্টের সমস্যা এবং দুই, কিডনির সমস্যায়।
মাঝে মাঝেই পিঠে বা কোমরে অসহ্য ব্যথা করছে। আর আপনি ভাবছেন শোয়ার দোষেই হয়তো এরকম হচ্ছে। যদি এরকম ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে হয়, তাহলে আপনার হাড়ের দুর্বলতা কারণেও এরকম হতে পারে।
ডেঙ্গিতে জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলই খেতে হবে। প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনও ব্যথার ওষুধ খেলে রক্তপাত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।