চিঠিটা ৩-৪ বার পড়ার পর অমলেন্দু ঠিক কী করবে বুঝে উঠতে পারল না। এদিকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, না হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটা একটা ভাঙচির চিঠি। হতে পারে সত্যি সত্যি কোনও ছেলের সঙ্গে প্রতিমার কোনও সম্পর্ক রয়েছে। আবার নাও হতে পারে। পারিবারিক আপত্তির জেরে অনেক সময় এই ধরনের চিঠিচাপাটি দিয়ে ক্ষতি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অমলেন্দু এই চিঠিটাকে খুব হালকা ভাবে নিতে পারল না। তার সেজমামার বিয়ের সময় একই ঘটনা ঘটেছিল। তখন সময় আরও কম ছিল। শেষ মুহূর্তে এরকম একটা ভাঙচির চিঠি এসেছিল সেজমামার...






















