সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, বিএমআই যেন কোনওভাবেই ২০ নিচে না নামে। বিএমআই ২০-এর নিচে নেমে যাওয়ার অর্থ হল, ওই ব্যক্তি খুব বেশি অপুষ্টি বা ওজনকমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন।
সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, বিএমআই যেন কোনওভাবেই ২০ নিচে না নামে। বিএমআই ২০-এর নিচে নেমে যাওয়ার অর্থ হল, ওই ব্যক্তি খুব বেশি অপুষ্টি বা ওজনকমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন।
সুন্দর চুল ও ত্বক আমরা সবাই চাই। আর এই সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান হল ভিটামিন-ই। ভিটামিন-ই এমন একটা পুষ্টি উপাদান, যা শরীরের প্রায় সমস্ত রকম দুর্বলতা ও রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।
বর্ষাকালের সুস্থ, সতেজ থাকতে হলে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেরই সঠিক খাদ্যবিধি মেনে চলা উচিত। এই সময় গুরুত্ব দিতে হবে রোগ প্রতিরোধের ওপর।
পুরুষ হোক বা মহিলা, চুল সবারই প্রিয়। সহজ ও ঘরোয়া উপায়ে চুল লম্বা ও ঘন করতে কে না চায়। যদিও চুলের বৃদ্ধির হার সবার সমান নয়। এক এক জনের এক এক রকমের।
এখন চারপাশের বহু মানুষই ‘কনজাংটিভাইটিস’ অসুখে ভুগছেন। এর প্রাথমিক লক্ষণ হল চোখ লাল হয়ে যাওয়া। এ ছাড়াও যন্ত্রণা, চোখে অস্বস্তি, চোখ থেকে অনবরত জল পড়ার মতো সমস্যা দেয়।
গ্রন্থিটি বিভিন্ন ধরনের হরমোন নিঃসরণ করে এবং দেহের প্রায় সব ধরনের বিপাক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা থেকে গলগন্ড থেকে ক্যানসার, হতে পারে নানা রকম রোগ।
চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য প্রথম থেকেই নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, পুষ্টিকর খাবার ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার উপর জোর দেওয়া উচিত।
কোলাজেন শব্দটি কমবেশি আমরা সবাই শুনেছি। কিন্তু এটি আসলে কী, সে সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই স্বচ্ছ ধারণা নেই। ত্বকের জেল্লা বাড়ানো, চুলের গোড়া মজবুত করা-সহ একাধিক কাজ করে এই কোলাজেন।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পরিবারে বাবা-মা দু’ জনেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারের ছোট সদস্য ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
পড়াশোনার চাপের সঙ্গে থাকে এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি। সব মিলিয়ে শিশুরা জর্জরিত। তাই তারা সহজেই ক্লান্ত না হয়ে পড়ে। তাই তারা যাতে এনার্জি ধরে রাখতে পারে সেই দিকে নজর দেওয়া উচিত।
আপনি কি প্রায়ই অম্বল, গ্যাস, বদহজম, পেট ব্যথা, পেট ভার, ছোঁয়া ঢাকুর — এইসব সমস্যায় ভুগছেন? কখনও কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনও ডায়েরিয়া কি আপনার নিত্যসঙ্গী?
আখ খেলে পেট সংক্রান্ত সমস্ত রোগ নিরাময় হয়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণে ভরপুর হওয়ায় আখ খেলে তা সহজেই শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। ফলে বদহজমের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
প্রচণ্ড গরমে নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য জলের কোনও বিকল্প নেই। নিয়ম করে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। জল যদি ঠিকমতো খাওয়া হয় তাহলে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায়।
অসাধারণ সুন্দর দেখতে উজ্জ্বল লালচে গোলাপি রঙের ছোট ছোট কাঁটাওয়ালা সুস্বাদু ড্রাগন ফল কখনও খেয়েছেন? যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ড্রাগণ ফলের বিশেষ ঔষধি গুণাগুণ আছে।
দুগ্ধ জাতীয় খাবার হিসেবে টক দইয়ের একটা আলাদা ঐতিহ্য আছে। এই দই খুবই স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। এই প্রচণ্ড গরমে টক দই খাওয়ার প্রচুর উপকারিতা রয়েছে।