শুক্রবার ১৩ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

পর্ব-১২৯: চেন টেনে উমাচরণের জেল হয়েছিল

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মায়েরা প্রায়শই থাকত আঁতুড়ঘরে, সেটাই ছিল তখন স্বাভাবিক। আঁতুড়ঘরের বাইরে থাকলে সর্বকনিষ্ঠটিকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। অন্যদের প্রতিপালনের তেমন ফুরসত পেতেন কোথায়! বাড়ির কাজের লোক, চাকরবাকররাই দেখাশোনা করত। রবীন্দ্রনাথও গৃহভৃত্যদের দ্বারা প্রতিপালিত।...
পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

পর্ব-১২৮: অবনীন্দ্রনাথ বলতেন, রানী লিখতেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ তখন অসুস্থ। কবির অসুস্থতাকে ঘিরে প্রিয় মানুষজনের উদ্বিগ্নতার শেষ ছিল না। কবিকে কীভাবে ভালো রাখা যায়, তা নিয়ে সকলেই কম-বেশি ব্যস্ত। সেবায়, পরিচর্যায় যদি কবি একটু ভালো থাকেন, ভালো হয়ে ওঠেন, সে চেষ্টাই দিনভর চলে। নিজেদের দৈনন্দিন...
পর্ব-১০৫: রবীন্দ্রনাথ ভয় পেতেন মহর্ষিদেবকে

পর্ব-১০৫: রবীন্দ্রনাথ ভয় পেতেন মহর্ষিদেবকে

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথের তুলিতে। যশোরের সারদাসুন্দরী যখন ঠাকুরবাড়িতে বধূ হয়ে এলেন, দেবেন্দ্রনাথের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন, তখন তাঁর বয়স ছয়। কেউ বলে আট। ছয়-আট যাই হোক না কেন, তখন তিনি যে নিতান্তই বালিকা, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ক্রমে তাঁদের...
কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

আগের দিন ছিল শ্রাবণ-পূর্ণিমা। সে জ্যোৎস্না-রাত ছিল উৎকণ্ঠার, দুশ্চিন্তার। কবির পুত্রবধূ প্রতিমা দেবীর লেখায় আছে সেই ঘনঘোর দুর্যোগময় রাতের বর্ণনা। চাঁদের আলোও তাঁর‌ কাছে ‘ম্লান’ মনে হয়েছিল। কবি বড় স্নেহ করতেন প্রতিমাকে। বলতেন, ‘মামণি’। সেবায় শুশ্রূষায়...
প্রতিমাদেবী— এক দুঃখবতীর কথা

প্রতিমাদেবী— এক দুঃখবতীর কথা

কিশোরী প্রতিমাও নিয়ম মেনে শ্বশুরবাড়ি গেলেন। কিন্তু ভাগ্যের বিড়ম্বনায় দিনকয়েকের মধ্যে গঙ্গায় সাঁতার কাটতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় নীলানাথের। সুলক্ষণা মেয়েটি ‘অপয়া’ অপবাদ নিয়ে ফিরে আসেন পিতৃগৃহে। আর পাঁচটি বিধবা মেয়ের মতোই হয়তো তাঁর দিন কেটে যেত, কিন্তু এগিয়ে এলেন...

Skip to content