বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬
পর্ব-৩২: দীক্ষার আংটি হেমলতাকে দিয়েছিলেন মহর্ষিদেব

পর্ব-৩২: দীক্ষার আংটি হেমলতাকে দিয়েছিলেন মহর্ষিদেব

হেমলতা দেবী। তাঁর গল্পে রবীন্দ্রনাথ লক্ষ্য করেছিলেন ‘সাহিত্যিক গুণপনা’। শুধু তাই নয়, কবি দেখেছিলেন, ‘কী মানবচরিত্রের কী তার পারিপার্শ্বিকের চিত্র সুস্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে।’ নিতান্তই গল্প নয়, অধিক কিছু, বলা যায় ‘অভিজ্ঞতার...
পর্ব-৩১: মাতালের গানে মাতিয়ে দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

পর্ব-৩১: মাতালের গানে মাতিয়ে দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

দ্বারকানাথ ঠাকুর। পাথুরেঘাটার ঠাকুরবাড়ি, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি — দুই বাড়িতেই নাটক নিয়ে মাতামাতি ছিল। যাত্রাভিনয়ও হয়েছে। দ্বারকানাথ সম্পর্কে অতিরঞ্জিত কথাবার্তা প্রায়শই শোনা যায়। তাঁর চরিত্রের নানা আলোকিত দিক আড়ালে রাখতেই আমরা অভ্যস্ত! নাটকেরও তিনি পৃষ্ঠপোষকতা...
তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে, কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে…

তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে, কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে…

কবি লিখেছিলেন, ‘‘বেঁচে থাকতে গেলেই মৃত্যু কতবার আমাদের দ্বারে এসে কত জায়গায় আঘাত করবে, মৃত্যুর চেয়ে নিশ্চিত ঘটনা তো নেই। শোকের বিপদের মুখে ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ বন্ধু জেনে যদি নির্ভর করতে না শেখো তাহলে তোমার শোকের অন্ত নেই।” আমরা যাঁর মৃত্যুদিবস পালন করি তাঁর...
শ্রাবণমেঘের খেয়াতরী

শ্রাবণমেঘের খেয়াতরী

“আমি পৃথিবীর কবি যেথা তার যত উঠে ধ্বনি আমার বাঁশির সুরে সাড়া তার জাগিবে তখনই” বলেছিলেন যে কবি, তাঁর নিজের একান্ত পার্থিব বৃত্তের বেদনবাঁশির ঝঙ্কারও বড় কম নয়। রবীন্দ্রনাথের জীবনীকারদের বুঝি একটি বিশেষ খতিয়ান রাখতেই হয়েছে কবিজীবনের ব্যক্তিগত ছবি আঁকতে...
পর্ব-২৯: কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

পর্ব-২৯: কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

আগের দিন ছিল শ্রাবণ-পূর্ণিমা। সে জ্যোৎস্না-রাত ছিল উৎকণ্ঠার, দুশ্চিন্তার। কবির পুত্রবধূ প্রতিমা দেবীর লেখায় আছে সেই ঘনঘোর দুর্যোগময় রাতের বর্ণনা। চাঁদের আলোও তাঁর‌ কাছে ‘ম্লান’ মনে হয়েছিল। কবি বড় স্নেহ করতেন প্রতিমাকে। বলতেন, ‘মামণি’।...

Skip to content