পর্ব-৩৪: কবি যখন শিক্ষক

পর্ব-৩৪: কবি যখন শিক্ষক

রবীন্দ্রনাথ : ছাত্রদের মাঝে। শান্তিনিকেতনে আশ্রম-বিদ্যালয়ের সূচনাকালে প্রায় কিছুই ছিল না। ঢাল নেই, তলোয়ার নেই, যেন যুদ্ধযাত্রায় চলেছে নিধিরাম সর্দার। থাকার মধ্যে ছিল শুধু সদিচ্ছা। এই সদিচ্ছার জোরেই কেমন করে পড়ানো উচিত, কী রকম হওয়া উচিত বিদ্যালয়ের পরিবেশ,...
পর্ব-৩৩: রবীন্দ্রনাথের মাস্টারমশায়

পর্ব-৩৩: রবীন্দ্রনাথের মাস্টারমশায়

রবীন্দ্রনাথ বালক-বয়সে। রবীন্দ্রনাথের প্রথম মাস্টারমশায় মাধবচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। জোড়াসাঁকো ঠাকুরদালালে বসত তাঁর পাঠশালা। শুধু ঠাকুরবাড়ির ছোটরাই নয়, আশপাশ থেকেও কেউ কেউ আসত।‌ রবীন্দ্রনাথ জানিয়েছেন, ‘বিদ্যার‌‌ প্রথম আঁচড় পড়ত তালপাতায়।’ বিভিন্ন বর্ণের...
পর্ব-৩২: দীক্ষার আংটি হেমলতাকে দিয়েছিলেন মহর্ষিদেব

পর্ব-৩২: দীক্ষার আংটি হেমলতাকে দিয়েছিলেন মহর্ষিদেব

হেমলতা দেবী। তাঁর গল্পে রবীন্দ্রনাথ লক্ষ্য করেছিলেন ‘সাহিত্যিক গুণপনা’। শুধু তাই নয়, কবি দেখেছিলেন, ‘কী মানবচরিত্রের কী তার পারিপার্শ্বিকের চিত্র সুস্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে।’ নিতান্তই গল্প নয়, অধিক কিছু, বলা যায় ‘অভিজ্ঞতার...
পর্ব-৩১: মাতালের গানে মাতিয়ে দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

পর্ব-৩১: মাতালের গানে মাতিয়ে দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

দ্বারকানাথ ঠাকুর। পাথুরেঘাটার ঠাকুরবাড়ি, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি — দুই বাড়িতেই নাটক নিয়ে মাতামাতি ছিল। যাত্রাভিনয়ও হয়েছে। দ্বারকানাথ সম্পর্কে অতিরঞ্জিত কথাবার্তা প্রায়শই শোনা যায়। তাঁর চরিত্রের নানা আলোকিত দিক আড়ালে রাখতেই আমরা অভ্যস্ত! নাটকেরও তিনি পৃষ্ঠপোষকতা...
তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে, কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে…

তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে, কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে…

কবি লিখেছিলেন, ‘‘বেঁচে থাকতে গেলেই মৃত্যু কতবার আমাদের দ্বারে এসে কত জায়গায় আঘাত করবে, মৃত্যুর চেয়ে নিশ্চিত ঘটনা তো নেই। শোকের বিপদের মুখে ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ বন্ধু জেনে যদি নির্ভর করতে না শেখো তাহলে তোমার শোকের অন্ত নেই।” আমরা যাঁর মৃত্যুদিবস পালন করি তাঁর...

Skip to content