রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬
তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে, কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে…

তরঙ্গ মিলায়ে যায় তরঙ্গ উঠে, কুসুম ঝরিয়া পড়ে কুসুম ফুটে…

কবি লিখেছিলেন, ‘‘বেঁচে থাকতে গেলেই মৃত্যু কতবার আমাদের দ্বারে এসে কত জায়গায় আঘাত করবে, মৃত্যুর চেয়ে নিশ্চিত ঘটনা তো নেই। শোকের বিপদের মুখে ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ বন্ধু জেনে যদি নির্ভর করতে না শেখো তাহলে তোমার শোকের অন্ত নেই।” আমরা যাঁর মৃত্যুদিবস পালন করি তাঁর...
শ্রাবণমেঘের খেয়াতরী

শ্রাবণমেঘের খেয়াতরী

“আমি পৃথিবীর কবি যেথা তার যত উঠে ধ্বনি আমার বাঁশির সুরে সাড়া তার জাগিবে তখনই” বলেছিলেন যে কবি, তাঁর নিজের একান্ত পার্থিব বৃত্তের বেদনবাঁশির ঝঙ্কারও বড় কম নয়। রবীন্দ্রনাথের জীবনীকারদের বুঝি একটি বিশেষ খতিয়ান রাখতেই হয়েছে কবিজীবনের ব্যক্তিগত ছবি আঁকতে...
পর্ব-২৯: কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

পর্ব-২৯: কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

আগের দিন ছিল শ্রাবণ-পূর্ণিমা। সে জ্যোৎস্না-রাত ছিল উৎকণ্ঠার, দুশ্চিন্তার। কবির পুত্রবধূ প্রতিমা দেবীর লেখায় আছে সেই ঘনঘোর দুর্যোগময় রাতের বর্ণনা। চাঁদের আলোও তাঁর‌ কাছে ‘ম্লান’ মনে হয়েছিল। কবি বড় স্নেহ করতেন প্রতিমাকে। বলতেন, ‘মামণি’।...
পর্ব-২৮: কাদম্বরী বিহারীলালকে দিয়েছিলেন ‘সাধের আসন’

পর্ব-২৮: কাদম্বরী বিহারীলালকে দিয়েছিলেন ‘সাধের আসন’

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ, কাদম্বরী, সত্যেন্দ্রনাথ ও জ্ঞানদানন্দিনী। কলকাতার ‘হারকাটা গলি’র শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা কাদম্বরী বধূ হয়ে এসেছিলেন ঠাকুরবাড়িতে। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গে বিবাহ হয় তাঁর। প্রায়শই তেমন উচ্চবিত্ত পরিবার থেকে ঠাকুরবাড়িতে বধূমাতারা...
পর্ব-২৭: অবনীন্দ্রনাথ যখন শান্তিনিকেতনে

পর্ব-২৭: অবনীন্দ্রনাথ যখন শান্তিনিকেতনে

গুপ্তনিবাস অবনীন্দ্রনাথ অসুস্থ পত্নী সুহাসিনীকে বাড়িতে রেখে বাইরে কোথাও যেতে চাইতেন না। পত্নীকে ঘিরে উদ্বিগ্নতা-দুশ্চিন্তা সারাক্ষণই তাঁকে ঘিরে থাকত। বিশ্বভারতীর আচার্যের দায়িত্ব নিয়েও সে-মুহূর্তে শান্তিনিকেতনে যেতে পারেননি। অবনীন্দ্রনাথকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন...

Skip to content