শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-৪৪: কবির দরজা সাধারণজনের জন্য সারাক্ষণই খোলা থাকত

পর্ব-৪৪: কবির দরজা সাধারণজনের জন্য সারাক্ষণই খোলা থাকত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ শুধু কবিতায় লেখেননি ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক/ আমি তোমাদেরই লোক।’ সত্যিই তিনি ছিলেন আমাদের, একান্তই সাধারণ মানুষের। জমিদারি সামলাতে শিলাইদহে গিয়ে তিনি পেয়েছিলেন ছোটগল্প লেখার রকমারি রসদ। প্রজারা পরম ভরসায় তাদের...
পর্ব-৪৩: নোবেল-প্রাপ্তির সংবর্ধনা-সভায় রবীন্দ্রনাথ ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন

পর্ব-৪৩: নোবেল-প্রাপ্তির সংবর্ধনা-সভায় রবীন্দ্রনাথ ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ‘লক্ষ্য করিলাম, অজিতবাবুর চলাফেরা প্রায় নৃত্যের তালে তালে পরিণত হইয়াছে।… তার‌ পর ক্ষিতিমোহনবাবু প্রবেশ করিলেন। স্বভাবতই তিনি গম্ভীর প্রকৃতির লোক, চলাফেরায় সংযত, কিন্তু তাহাকেও চঞ্চল দেখলাম।’ বিশিষ্ট অধ্যাপক-লেখক প্রমথনাথ বিশী...
পর্ব-৪২: নিজেকে যিনি আড়ালে রেখেছিলেন

পর্ব-৪২: নিজেকে যিনি আড়ালে রেখেছিলেন

দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। দিনেন্দ্রনাথ ছিলেন দ্বিপেন্দ্রনাথের পুত্র। রবীন্দ্রনাথের ‘বড়দা’ দ্বিজেন্দ্রনাথের পৌত্র তিনি। রবীন্দ্রনাথের থেকে একুশ বছরের ছোট। বয়েসে অনেক ছোট হলেও রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর স্নেহময় বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল। দিনেন্দ্রনাথ শৈশব-বাল্য থেকেই...
পর্ব-৪১: ঠাকুরবাড়িতে এসে সাহেব খেতেন ভাজা চিঁড়ের সঙ্গে কড়াইশুঁটি

পর্ব-৪১: ঠাকুরবাড়িতে এসে সাহেব খেতেন ভাজা চিঁড়ের সঙ্গে কড়াইশুঁটি

গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। সাহেবসুবোরা গগনেন্দ্রনাথকে খুব খাতির করতেন। পরাধীন দেশের এই শিল্পীকে তাঁরা প্রাপ্য সম্মান জানাতে কখনও দ্বিধা করেননি। বসিয়েছিলেন সম্ভ্রমের আসনে। সাহেবসুবোরা অনেকেই গগনেন্দ্রনাথের কাছে আসতেন। সব থেকে বেশি হৃদ্যতা ছিল কারমাইকেলের সঙ্গে। লাটসাহেব...
পর্ব-৪০: রবীন্দ্রনাথকে দারোয়ান ভেবে দৌড়ে পালিয়েছিল চোর

পর্ব-৪০: রবীন্দ্রনাথকে দারোয়ান ভেবে দৌড়ে পালিয়েছিল চোর

গুপ্তনিবাস। ডানলপ ব্রিজ পেরিয়ে একটু এগোলেই ‘গুপ্তনিবাস’। দ্বারকানাথ গুপ্তের বাগানবাড়ি। সবাই একডাকে চিনত। ম্যালেরিয়ার ওষুধ বার করেছিলেন, ডাঃ ডি গুপ্তের সে-ওষুধের কথা সকলেই জানত। দ্বারকানাথ থাকতেন জোড়াসাঁকোর অদূরে। পাথুরিয়াঘাটের কাছে। ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে...

Skip to content