শুক্রবার ১৩ মার্চ, ২০২৬
সারদা মায়ের রোগ নিরাময়

সারদা মায়ের রোগ নিরাময়

একদিন সারদা মার বাড়ির রাখালকে পুণ্যপুকুরের বাঁশবনে শাঁখামুটি সাপে কামড়ায় বাঁ হাতের তর্জনীর ডগায়। সারদা মা বললেন, ‘সিংহবাহিনীর মাড়োতে ওকে নিয়ে যাও, ‘আর মায়ের স্নানজল খাওয়াতে ও আঙুলে মাটি লাগাতে বললেন। তাই করা হল। রাখাল ছেলেটি ভালো হয়ে গেল। মাঠের আলপথ...
নহবতে সহধর্মিণী সারদা

নহবতে সহধর্মিণী সারদা

অসুস্থ সারদার জন্য বিশেষ ওষুধ পথ্যের ব্যবস্থা করা হল। ঠাকুরের মা চন্দ্রমণিদেবী তাঁর জীবনের শেষ বার বছর ছেলের কাছে থাকার জন্য দক্ষিণেশ্বরে গঙ্গাবাস করেন। তিনি তখন ওখানেই নহবতের ঘরে থাকতেন। এ বার সারদা নহবতে যাওয়ার চেষ্টা করতেই ঠাকুর বাধা দিয়ে বলে উঠলেন, ‘না, না ওখানে...
গৃহিণী সারদার প্রথম দক্ষিণেশ্বর আগমন

গৃহিণী সারদার প্রথম দক্ষিণেশ্বর আগমন

ঠাকুর বাংলার ঘরোয়া সুস্বাদু খাবার খেতে ভালোবাসতেন। শুধু তাই নয়, সুস্বাদু রন্ধন প্রণালীও জানতেন। এর কারণ কামারপুকুর গ্রামের অন্দরমহলে তাঁর ছেলেবেলা থেকে অবাধ যাতায়াত ছিল। বিশেষ করে লাহাবাবুদের ঘরে। জমিদারের মেয়ে প্রসন্নময়ী তাঁকে খুব স্নেহ করতেন, ঠাকুরও তাঁকে দিদি...

Skip to content