পর্ব-১৮: আংটিটা এখানে এল কী করে? পুড়েই বা গেল কী ভাবে?

পর্ব-১৮: আংটিটা এখানে এল কী করে? পুড়েই বা গেল কী ভাবে?

চমকে পিছনে তাকালাম। আমার দিকে কাঁচুমাচু মুখ করে তাকাল সুমন্ত। পরনে কাছা। —সরি দাদা! আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। সুমন্তকে দেখে সাঁতার কাটতে গিয়ে দম হারিয়ে দম ফিরে পাবার মতো হারানো সাহস ফিরে এল। —কি মুশকিল! এখন এ ক’টা দিন তোমায় এসব নিয়ে ভাবতে হবে না। এখন বাড়িতে অনেক কাজ।...
২য় খণ্ড, পর্ব-৩২: সামনে দাঁড়িয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডান্স ডিরেক্টর ইন্দ্র রায়

২য় খণ্ড, পর্ব-৩২: সামনে দাঁড়িয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডান্স ডিরেক্টর ইন্দ্র রায়

ছবি: প্রতীকী। সৌজন্য: সত্রাগ্নি। ।।ইন্দ্রজাল।। খুব কষ্ট করে বম্বেতে দিন কাটিয়েছে শিবানী, কিন্তু সেখানে এই সুযোগ ভাগ করে নিয়ে সকলে মিলে ভালো থাকবার একটা শিক্ষা সে পেয়েছে। বয়স্ক পরিচালক পরিমল নাগ চোখ থেকে চশমাটা খুলে ফেলে ছানি পড়া ঘোলাটে চোখে অনেকক্ষণ তাকিয়ে...
পর্ব-১৭: আচমকা আমার কাঁধে একটা ঠান্ডা হাত

পর্ব-১৭: আচমকা আমার কাঁধে একটা ঠান্ডা হাত

আমি আর ভাবতে পারছি না। মাকে কী করে বোঝাই যে আমি নিজে চোখে মুখার্জিবাবুকে যেতে দেখেছি। তার মানে আমি কি আত্মা দেখতে পাচ্ছি? এতদিন অচেনাদের দেখেছি। মানুষজন শব্দটা এসে গিয়েছিল—আবার আত্মাজন লিখতেও মন চাইল না। এখন তো চেনাদের দেখছি। ঠিক কী হচ্ছে আমি বুঝতে পারছি না। আমি...
২য় খণ্ড, পর্ব-৩২: সামনে দাঁড়িয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডান্স ডিরেক্টর ইন্দ্র রায়

২য় খণ্ড, পর্ব-৩১: নাম দেখে শিবানী চমকে উঠল!

ছবি: প্রতীকী। সৌজন্য: সত্রাগ্নি। ।।উইংসের আড়ালে।। ভোরবেলায় দরজা ধাক্কানোর শব্দে ধড়মড় করে উঠে বসে শিবানী। ভয়ে ভয়ে দরজা খুললো। অবাক হয়ে দেখল দরজা আসলাম দাঁড়িয়ে। খবর না পাঠালে কখনও আসলাম আসে না। আসলাম একটা খাম দিল। বলল আগের দিন রাতেই একজন এটা শিবানীজির নাম করে দিয়ে...
পর্ব-১৬: আচমকা আমার শীত করছে, কোনওক্রমে সিঁড়ি দিয়ে উঠে গেলাম

পর্ব-১৬: আচমকা আমার শীত করছে, কোনওক্রমে সিঁড়ি দিয়ে উঠে গেলাম

আফিফা, মানে যে অবয়বকে আমি আফিফার অস্তিত্ব বলে ভাবছি, তাকে উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞেস করলাম। —আমরা মানে। —আমরা মানে আমরা। আমরা যারা চলে গিয়েছি, আমরা যারা অবয়বহীন দেহহীন অস্তিত্ব। কিশোরী বয়স থেকেই আফিফা বেশ গুছিয়ে বাংলা বলতো। আজকাল হিন্দি ইংরিজি স্প্রে করা অগোছালো বাঙলা...

Skip to content