রবিবার ৮ মার্চ, ২০২৬
পর্ব-১৪৭: এক উটকো লোকের কথায় ভুলে রবীন্দ্রনাথ-মৃণালিনীকে দিতে হয়েছিল খেসারত

পর্ব-১৪৭: এক উটকো লোকের কথায় ভুলে রবীন্দ্রনাথ-মৃণালিনীকে দিতে হয়েছিল খেসারত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যশোরের ফুলতলি গ্রামের বেণীমাধব রায়চৌধুরীর কন্যা ভবতারিণী সবে তখন বধূ হয়ে এসেছেন জোড়াসাঁকোয়। ঠাকুরবাড়ির সেরেস্তার বারো টাকা মাস-মাইনের কর্মীর কন্যা তিনি। মান-মর্যাদায় অর্থ-কৌলিন্যে অনেক এগিয়ে থাকা পরিবারে বধূ হয়ে এলেও তাঁর মধ্যে তেমন আড়ষ্টতা...
পর্ব-১৪২: কাদম্বরীর পিতামহ ছিলেন ঠাকুরবাড়ির পাহারাদার, পিতা ছিলেন বাজারসরকার

পর্ব-১৪২: কাদম্বরীর পিতামহ ছিলেন ঠাকুরবাড়ির পাহারাদার, পিতা ছিলেন বাজারসরকার

কাদম্বরী দেবী। ঠাকুরবাড়িতে আনন্দের অভাব ছিল না। হাসিতে খুশিতে সকলেই মুখরিত। জীবনকে উপভোগ করতে জানতেন তাঁরা। একান্নবর্তী পরিবার, মিলেমিশে থাকা, এই থাকার মধ্যে যে কত আনন্দ, তা ধরা আছে বিভিন্ন স্মৃতিচারণমূলক রচনায়।ওই বাড়িতে যাঁরা বধূ হয়ে আসতেন, অল্প সময়ের মধ্যে...
পর্ব-১৪১: ঘটি চেয়ে বঁটি

পর্ব-১৪১: ঘটি চেয়ে বঁটি

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ঠাকুরবাড়িতে দু’জন ছিল ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান। একজন এদেশের, অন্যজন ওদেশের। এদেশের নামজাদা ডাক্তার ডি গুপ্ত। তাঁর নামের এই সংক্ষিপ্তকরণই মুখে মুখে ঘুরত। পুরো নাম যে দ্বারকানাথ গুপ্ত, তা অনেকেই ভুলে গিয়েছিলেন। ডাঃ গুপ্ত ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক...
পর্ব-১৩৯: মধ্যরাতে শিশুর কান্না শুনে রবীন্দ্রনাথ ওষুধ হাতে হাজির হয়েছিলেন

পর্ব-১৩৯: মধ্যরাতে শিশুর কান্না শুনে রবীন্দ্রনাথ ওষুধ হাতে হাজির হয়েছিলেন

রবীন্দ্রনাথ। রানি চন্দকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন অবনীন্দ্রনাথ। মুখে মুখে কত গল্প শোনাতেন তাঁকে। শোনা গল্প নিখুঁত- নির্ভুলভাবে ঠিক অবনীন্দ্রনাথের ভাষাতে লিখে ফেলতেন তিনি। এভাবেই লেখা হয়েছিল দুটি বই, ‘ঘরোয়া’ ও ‘জোড়াসাঁকোর ধারে’। রবীন্দ্রনাথও রানি চন্দকে খুব স্নেহ করতেন।...
পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

পর্ব-১৩৮: পার্ক স্ট্রিট থেকে মহর্ষি ফিরে এসেছিলেন জোড়াসাঁকোয়

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ পত্নী বিয়োগের পর সেভাবে আর জোড়াসাঁকোয় থাকেননি। কলকাতায় থাকলে পার্ক স্ট্রিটের ভাড়াবাড়িতে বসবাস করতেন। কখনও-বা চুঁচুড়ায়। পার্ক স্ট্রিটে মহর্ষির সঙ্গে থাকতেন জ্যেষ্ঠা কন্যা সৌদামিনী। কন্যাই তাঁর দেখাশোনা করতেন। সঙ্গে...

Skip to content