ভিডিও গ্যালারি

মাতালের গানে মাতিয়ে দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

মাতালের গানে মাতিয়ে দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

গুণেন্দ্রনাথ, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ও ঠাকুরবাড়ির জামাতা সারদাপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায় — এই তিনজন মিলে ‘জোড়াসাঁকো নাট্যশালা’ প্রতিষ্ঠার কথা ভেবেছিলেন। সূচনাপর্বে মঞ্চস্থ হয়েছিল মাইকেল মধুসূদনের দুটি নাটক, ‘কৃষ্ণকুমারী’ ও ‘একেই কি বলে সভ্যতা’। অচিরেই একেবারে আনকোরা নাটক মঞ্চস্থ করার ইচ্ছে জাগে। সমাজের কোনো অনাচার-কদাচার নিয়ে যদি সে-নাটক লেখা হয়, তবে তো আরও ভালো হয়! যেমন ভাবা, তেমন কাজ।

রবীন্দ্রনাথ যখন শিক্ষক

রবীন্দ্রনাথ যখন শিক্ষক

খ্যাতির শীর্ষে তখন রবীন্দ্রনাথ। সারা পৃথিবীর মানুষ তাঁকে স্বীকৃতি দিয়েছে। খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করেও আশ্রম-পড়ুয়াদের নিয়ে তাঁর ভাবনার অন্ত ছিল না। তাদের জন্য ছিল কবির গভীর ভালোবাসা। সে ভালোবাসায় কোনও খাদ ছিল না। ছোটরা যদি এমন ভালোবাসা পায়, তবে তারা লেখাপড়া করবে প্রাণের আনন্দে‌। ফুলের মতো ফুটে উঠবে।

নহবতে সহধর্মিণী সারদা

নহবতে সহধর্মিণী সারদা

সারদা স্মৃতিচারণা করেছেন যে, ঠাকুর একদিন তাঁকে বললেন, চাঁদমামা যেমন সব শিশুর মামা, তেমনি ঈশ্বরও সকলের আপনার। তাঁকে ডাকার অধিকার উচ্চ, নীচ, ধনবান-ধনহীন সকলেরই আছে। যে ডাকবে, তিনি তাকেই দেখা দিয়ে ধন্য করবেন। ‘তুমি ডাক তো তুমিও তাঁর দেখা পাবে’। সারদাও ঠাকুরের উপদেশ শুনে নিজের জীবনকে গঠন করার সঙ্কল্প নিলেন।

রবীন্দ্রনাথের মাস্টারমশায়

রবীন্দ্রনাথের মাস্টারমশায়

দাদা সোমেন্দ্রনাথ ও ভাগ্নে সত্যপ্রসাদ — দু’জনেই বয়েসে রবীন্দ্রনাথের থেকে বড়, তাদের পড়াশোনা অবশ্য একই সঙ্গে চলত। ঠাকুরবাড়ির ‘ক্যাশবহি’তে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ‘শিশুশিক্ষা’ তিন কপি কেনার হিসেব রয়েছে। বলা বাহুল্য, তিনকপি বই একই সঙ্গে কেনা হয়েছিল। বই কেনার তারিখ দেখে বোঝা যায়, অন্তত দশ বছর আগে বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়’ বের হলেও রবীন্দ্রনাথ ‘বর্ণপরিচয়’, নয় ‘শিশুশিক্ষা’ পড়েছিলেন।

বাতাবি লেবু খেলে কী উপকার মিলবে?

বাতাবি লেবু খেলে কী উপকার মিলবে?

সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় লেবু জাতীয় ফল এই বাতাবি লেবু। জাম্বুরা, পোমেলা, জাবং, শ্যাডক ইত্যাদি বিভিন্ন নামে প্রচলিত এই বাতাবি লেবুর বৈজ্ঞানিক নাম সাইট্রাস ম্যাক্সিমা। অত্যন্ত সুস্বাদু ঈষৎ টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফল বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানে ভরপুর হওয়ায় অনেক অসুখ-বিসুখের প্রতিরোধ ও প্রতিকারের সাহায্য করে।

গৃহিণী সারদার প্রথম দক্ষিণেশ্বর আগমন

গৃহিণী সারদার প্রথম দক্ষিণেশ্বর আগমন

জয়রামবাটির শান্ত পরিবেশে বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও ভিতরে বিরাট পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। এবারের স্বামী সান্নিধ্যের মাধুর্য মার হৃদয়ে সদা ভরে থাকত। কতদিনে আবার ডাক আসবে দক্ষিণেশ্বর থেকে তার উন্মুখ প্রতীক্ষা। সারদামা একটা কথা প্রায় বলতেন, ‘যে যার সে তার, যুগে যুগে অবতার’ ভগবানও ভক্তের অদর্শনে বিহ্বল হন, যেমন হন ভক্ত।

কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

কবির মুখাগ্নি করেননি কবিপুত্র

আগের দিন ছিল শ্রাবণ-পূর্ণিমা। সে জ্যোৎস্না-রাত ছিল উৎকণ্ঠার, দুশ্চিন্তার। কবির পুত্রবধূ প্রতিমা দেবীর লেখায় আছে সেই ঘনঘোর দুর্যোগময় রাতের বর্ণনা। চাঁদের আলোও তাঁর‌ কাছে ‘ম্লান’ মনে হয়েছিল। কবি বড় স্নেহ করতেন প্রতিমাকে। বলতেন, ‘মামণি’। সেবায় শুশ্রূষায় ‘বাবামশায়’কে তিনি ভালো রেখেছিলেন। প্রতিমার শুধু নয়, সকলের কাছেই সে-রাত ছিল আতঙ্কের। মৃত্যুর পদধ্বনি ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।

কাদম্বরী বিহারীলালকে দিয়েছিলেন সাধের আসন

কাদম্বরী বিহারীলালকে দিয়েছিলেন সাধের আসন

কলকাতার ‘হারকাটা গলি’র শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা কাদম্বরী বধূ হয়ে এসেছিলেন ঠাকুরবাড়িতে। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গে বিবাহ হয় তাঁর। প্রায়শই তেমন উচ্চবিত্ত পরিবার থেকে ঠাকুরবাড়িতে বধূমাতারা আসেননি।‌ এসেছেন নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে। পিরালি-কন্যা খুঁজতে গিয়ে বিত্তশালী-সম্ভ্রান্ত পরিবারের কন্যাকে বধূ করে আনা সম্ভব হয়নি। কাদম্বরীর ঠাকুরদা জগন্মোহন ঠাকুরবাড়ির ‘দ্বারপাল’ ছিলেন।

মা সারদার শুভ পরিণয়বেলা

মা সারদার শুভ পরিণয়বেলা

ছোট সারুর আজ বিয়ে। সকাল থেকে উলুধ্বনি আর শাঁখের শব্দে মুখরিত সারা গ্রাম। জয়রামবাটির কাছাকাছি গ্রামগুলোতেও খবর রটে গিয়েছে। কোতলপুর, দেশড়া, আনুড় প্রভৃতি গ্রামের লোকেরাও এসে ভিড় জমিয়েছে জয়রামবাটিতে। রামচন্দ্রের আর্থিক সংগতি সামান্য হলেও সকলকেই আপ্যায়ণ করে আপন করে নিচ্ছেন। ছোট গ্রামের পুরোহিত, তবু গ্রামের সকলে তাঁকে মান্য করে।

শেকল বাঁধা ঠাকুরবাড়ির খাতা

শেকল বাঁধা ঠাকুরবাড়ির খাতা

অনুমান করা যায়, পারিবারিক-জটিলতা থেকে জ্ঞানদানন্দিনী সপরিবারে এক সময় পার্ক স্ট্রিটে থাকতেন। মহর্ষিও পার্ক স্ট্রিটে অন্য একটি বাড়িতে থেকেছেন কিছুকাল। পার্ক স্ট্রিটের বাড়িতে জ্ঞানদানন্দিনীর কাছে পরিবারের অনেকেই আসা-যাওয়া করতেন। রবীন্দ্রনাথও যেতেন। রবীন্দ্রনাথ পিতৃদেবের কাছে যেমন যেতেন, তেমনই যেতেন বউঠানের কাছে।

রান্নাবান্নার ঠাকুরবাড়ি

রান্নাবান্নার ঠাকুরবাড়ি

প্রজ্ঞাসুন্দরী একটি খাদ্যের নাম দিয়েছিলেন ‘সুরভি’। সুরভি আর কেউ নয়, তার অকাল প্রয়াত কন্যা। এই খাদ্যদ্রব্যটি কীভাবে তৈরি করতে হবে, তা বিশদে জানিয় পাদটিকায় তিনি লিখেছেন।

ছোট্ট সারদা যেন গৃহলক্ষ্মী

ছোট্ট সারদা যেন গৃহলক্ষ্মী

ঠাকুরের নিজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের বাগানের কর্মচারি পীতাম্বর ভাণ্ডারির এগারো বছরের ছেলে শরতের সাহায্যে সারদা ও লক্ষ্মী বর্ণপরিচয়ের দ্বিতীয় ভাগ অবধি পড়েছিলেন। তবে নিজের শিক্ষা বিষয়ে মা শরতের নাম করেননি, তাই তার সাহায্য লক্ষ্মী যতটা পেয়েছিলেন, সারদার ততটা সুযোগ হয়নি।

 

 

Skip to content