এখানে লোক জনের কাছে একটা ছোট নিজস্ব বিমান থাকা খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যেহেতু রাস্তাঘাট এখনও অনেক জায়গাতেই ভালো ভাবে তৈরি হয়নি সেহেতু অনেক ক্ষেত্রেই ওই বিমানই ভরসা কোথাও যাওয়ার জন্য। সে সব গল্পে পরে আসছি।

এখানে লোক জনের কাছে একটা ছোট নিজস্ব বিমান থাকা খুব একটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যেহেতু রাস্তাঘাট এখনও অনেক জায়গাতেই ভালো ভাবে তৈরি হয়নি সেহেতু অনেক ক্ষেত্রেই ওই বিমানই ভরসা কোথাও যাওয়ার জন্য। সে সব গল্পে পরে আসছি।
গ্রীষ্মকালে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের সময়টা আমার নিজেকে বড় দুঃখবিলাসী মনে হয়। ঠিক যেমনটা ছিল বিভূতিভূষণের ‘পথের পাঁচালির’ অপু। নিশ্চিন্দিপুরের অপুর মতো আমারও দূরে দিগন্তে সূর্যটাকে ঠিক যেন মনে হয় মহাভারতের কর্ণের রথের চাকা। সূর্যাস্তের সময় সে যেন তলিয়ে যাচ্ছে ওই দূরদিগন্তে মাটির ভিতর। তার চারপাশে নানা রঙের আর নানান গড়নের মেঘগুলো যেন সত্যিই কর্ণের রথের মতোই দেখতে লাগে।
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে আলাস্কা পর্বতমালা। আমার জানলা দিয়ে ঠিক সোজাসুজি তাকালে চার-পাঁচটা বেশ উঁচু পর্বতশৃঙ্গ বা পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়। ওই সময় আমি রোজই দেখি একদম বাঁ দিকের চূড়ার থেকে সূর্যটা উঠল। পাশাপাশি দু-তিনটে চূড়া কোনওরকমে পার করে আবার ডানদিকের চূড়ার গা বেয়েই আবার ঢলে পড়ল অস্তাচলে।
একমাস আগেই যে জায়গাগুলোকে দেখলে মনে হতো অন্ধকারের শহর, মৃতের শহর, সাদা বরফের চাদরের ভিতরে যার হারিয়ে গেছে সব কিছু; আজ সেখানে শুধুই আলোর উদযাপন, জীবন যাপন, শুধুই রঙের খেলা, উৎসবের মেলা। তার সঙ্গে যুক্ত হয় আরও সব অন্য রকমের অ্যাডভেঞ্চার সেই সমস্ত কথাই এ বার বলবো এই অধ্যায়ে।
বিমান উড়তেই যেন একটা অদ্ভুত অনুভূতি। যেন স্থান-কালের একটা বিস্ময়কর জায়গা থেকে আমি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলাম। কি অদ্ভুত, কি বিস্ময়কর, তাকে ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। সত্যিই স্থান-কালের এক অদ্ভুত জায়গায় এই ফেয়ারব্যাঙ্কস।
সম্প্রতি স্বপরিবার ইংল্যান্ড সফরের বেশ কিছুটা সময় বরাদ্দ ছিল ইয়র্কশায়ারের উত্তরাংশের জন্য। আর তর সইলো না, কাগজকলম হাতে ডাউন মেমরি লেন ধরে সটান আজ মনকেমনের গাঁয়ের সমুদ্রতটে। পুরনো ইউরোপীয় গন্ধ মাখা সে গাঁয়ের নাম রবিনহুড'স বে। তবে জানা নেই ইংরেজি লোককথার সুখ্যাত বা কুখ্যাত বীরনায়ক রবিনহুডের পদচিহ্ন এ গাঁয়ে কখনো পড়েছে কিনা। রুক্ষ পাথুরে উঁচু উঁচু ক্লিফ আর নীল নর্থ সি ঘিরে রেখেছে উপকূলবর্তী টুকটুকে সুন্দর এই ফিশিং ভিলেজকে। ঝকঝকে সকাল। তীব্র রোদের তেজ। সঙ্গে শীতল হাওয়া। রবিন হুড'স বে-র হিলটপে কাঠের চেয়ারে...
পুকুডি লেক। বন-জঙ্গলের মধ্যে হঠাতই একটা সুদৃশ্য ফ্রেশ ওয়াটার লেক। দু’পাশে সবুজ গাছের সারি, দূরে পাহাড়। লেকের দুপাশ দিয়ে হাঁটার রাস্তা আছে বাঁধানো। সেখান দিয়ে কিছুক্ষণ না হাঁটলে জীবনের এক মধুরতম অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হবেন।
ঘননীল সরোবর আর ঘিরে থাকা সবুজ পাহাড়। যে চিত্র ইউরোপ মহাদেশে বেশ সুপরিচিত সেই দেশটির ক্ষেত্রে। সহজেই অনুমেয় দেশের নামটি। সুইৎজারল্যান্ড। দাঁড়িয়ে আছি ঠিক সেন্ট্রাল সুইৎজারল্যান্ডের বিভাগীয় শহর জুগ-এর জমিতে।
গাছপালাহীন অঞ্চল, চোদ্দ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অক্সিজেনের যোগান কম। তাই এ পথে একটু একটু হাঁপ ধরে। চারপাশ দেখে আশ মেটে না। গতি আপনা থেকেই ধীর হয়ে আসে।
ক্রমাগত ঠান্ডা বাড়ছে। আকাশের মুখ ভার দেখে গিয়ালজিন আর দেরি করতে রাজি নয়। এখনো প্রায় পাঁচ কিমি পথ চলা বাকি। আবার সকলে দল বেঁধে নেমে এলাম পথে। চড়াই রয়েছে বেশ, তবে আগের চেয়ে সিঁড়িভাঙার অঙ্ক কিছুটা কম যেন।
দেবী সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরটি প্রায় ৩২ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট এবং কামতেশ্বরী ও বাণেশ্বর মন্দিরের ন্যায় প্রায় ২.৫ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট এক নাতিউচ্চ প্ল্যাটফর্মের ওপর প্রতিস্থাপিত। স্থাপত্য শব্দকোষ অনুযায়ী যাকে জাগতি বলা হয়।
মন্দির চত্বরে মূল মন্দিরের পূর্বদিকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সৌধ রয়েছে। এই দক্ষিণমুখী সৌধটি ভবানী মন্দির নামে খ্যাত। এর উচ্চতা প্রায় ২৮ ফুট।
মূল মন্দিরটির দক্ষিণে একটি সরোবর এখন যেটি মহারাজা প্রাণনারায়ণ কর্তৃক নির্মীত, যা মোহনদিঘী নামে খ্যাত। সরোবরটি বহু প্রাচীন কচ্ছপে পরিপূর্ণ ভক্তগণ যেগুলিকে মোহন নামে অভিহিত করেন।
স্থাপত্যগত দিক থেকে এমন অসাধারণ সৌধ এই অঞ্চলে বিরল। উত্তরবঙ্গের মন্দিরসমূহের মধ্যে জটিলেশ্বর শিবমন্দির একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অধিকারী, যা নিজ শিল্পগুণে আমাদের আবিষ্ট ও মোহিত করে।
জটিলেশ্বর মন্দিরটির গঠনগত স্থাপত্যবৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করলে এটা সুস্পষ্টগতভাবেই প্রতীয়মান হয় যে, এর সমগ্র ‘মান্দোভারা’ অংশটি (অর্থাৎ পা ভাগ, জাংঘ ও বরন্ড) পাথরের ও অন্য অংশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত প্রাচীন।
পীঠস্থানগুলোতে বছরের সারা সময়ই ভিড় লেগে আছে দর্শনার্থীদের। যাওয়ার কোনও নির্দিষ্ট সময় নেই। আর পুজোপার্বনের দিনে তো উপচে পরে ভিড়। আশেপাশে ও দোকানপাটের ব্যবসার রমরমা।
“তারা ছাঁকনি চড়ে সাগর পাড়ি দেবে, দেবেই দেবে…” এরা সত্যজিৎ রায়ের পাপাঙ্গুল। ছাঁকনি দিয়ে জল উঠলে বৈয়াম চড়বে। ঝুড়ি চেপে নদীতে পাড়ি দিতে পাপাঙ্গুলে কথাই মনে হচ্ছিল। তারা তো কাল্পনিক। ননসেন্স কবিতার চরিত্র।
শ্রীশ্রী মা যে বিশ্বাসের ভিতে পুজো শুরু করেছিলেন সে ভিত হয়েছে আরও শক্ত। জয়রামবাটির জগদ্ধাত্রী পুজোর সমারোহ দেখার মতো।
মধুপুরে একদিন পুরোনো সব বাড়ি দেখতে গেলাম।বেশির ভাগ বাড়ি এখন জঙ্গল। দেওয়াল ছাদ দিয়ে বড় বড় গাছ উঠেছে। কিছু জায়গা ভেঙে পড়েছে। সবকটা বাড়িই মস্ত জায়গা নিয়ে।
তিনচুলে পাহাড়ের কোলে ছোট একখানি গ্রাম। নিজের সৌন্দর্যেই সুন্দর। আঁকা-বাঁকা পথ, পাইনের বন, কমলা লেবুর খেত, চা বাগান। পায়ে পায়ে এগুলো ঘুরে বেড়ালেই মন ভরে ওঠে।
আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।
আপনার অনুরোধ করা পৃষ্ঠাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনার অনুসন্ধান পরিমার্জিত করার চেষ্টা করুন অথবা ওয়েবসাইট মেনু থেকে পোস্টটি সনাক্ত করুন।