শরৎ আলোর আঁচল টুটে কীসের ঝলক নেচে ওঠে কে জানে, ওই চরণমূলে মরণের নাচের তালে তালে হাহারবে নিখিল অশ্রুসাগরের কূলে পূজা সাঙ্গ হয়, প্রতিবার।
শরৎ আলোর আঁচল টুটে কীসের ঝলক নেচে ওঠে কে জানে, ওই চরণমূলে মরণের নাচের তালে তালে হাহারবে নিখিল অশ্রুসাগরের কূলে পূজা সাঙ্গ হয়, প্রতিবার।
ঘরে সুবিনয় আর কবিতা। কারো মুখে কথা নেই। শুধু বারেবারে ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে চারটি চোখ। এতদিন মনে মনে দু’জন দু’জনাকে কত কথাই বলেছে। কত অভিমান… কত ভালোবাসা… কিন্তু এখন সামনাসামনি একটা কথাও সরছে না কারো মুখ থেকে। মন চাইছে আঁকড়ে ধরে এতদিনের সব যন্ত্রণাকে বাঁধভাঙা মুক্তি দিতে। কিন্তু পা দুটোকে কে যেন শক্ত করে মাটির সঙ্গে চেপে ধরে রেখেছে। কিছুতেই এগোতে পারছে না।
এ বার বসুন্ধরা আর স্বর্ণময়ীর ছবি রেখে পুজোর আয়োজন হল। খাওয়াদাওয়া হল। নিয়মমেনে পুজো হল। ইভেন ম্যানেজমেন্ট এর লোকজন ছুটোছুটি করে ভিড় সামলালেন। তবে এ বছরের জলসাতে তেমন কোন আকর্ষণ ছিল না। এমনিভাবেই পুজোর চারটে দিন কেটে গিয়ে বিজয়া দশমী এল। বরণ হল, সিঁদুরখেলা হল।
গোপন খবর অনুযায়ী ওই বছরই ব্যস্ত কলকাতার ১৪ জুন সকালে টাউনসেন্ড রোড ও হাজরা রোডের মোড়ে একটি বাড়িতে অভিযান চালায় ব্রিটিশ পুলিশ। খবর ছিল ওই বাড়ির দোতলায় লুকিয়ে আছেন যতীন দাস। খবর মিলে যায়। জেপি স্যান্ডার্সকে হত্যার অপরাধ ও ইংরেজ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অন্যতম অভিযোগী হিসেবে গ্রেফতার হন ২৪ বছরের তরুণ বিপ্লবী যতীন দাস।
লাল কাঁক নামক পাখিটার নাম শুনেছি খুব ছোটবেলা থেকে। সন্ধে নাগাদ কখনও কখনও দেখতাম বেশ বড় আকারের পাখি ডানা ঝাপটে উড়ে যাচ্ছে। আওয়াজ শুনতাম ‘কোয়ারাং’। জিজ্ঞাসা করলে কখনও বাবা, কখনও ঠাকুমার মুখে শুনতাম— এটা লাল কাঁক পাখি ডাকছে। একেবারে শৈশবে এই পাখিকে দিনের আলোয় চোখে দেখেছিলাম কিনা তা আজ আর মনে নেই।
পুজো মানে দুর্গাপুজো। মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গতিহারিণীর অকালবোধন। আর পুজো পুজো ভাব মানে, পুজো আসার কিছুদিন আগে থেকে আকাশে বাতাসে একটা চোখে পড়ার মতো বদল আসা। হঠাত্ করে রোদ ঝলমলে আকাশ, আকাশের রঙে নীল নীল ভাব, বাতাসেও একটা ঝলমলে আনন্দ, কলকাতার আশেপাশেই কিংবা দূরে দূরে কাশফুল, এছাড়াও পাড়ার শিউলি ফুলের গাছটা হঠাৎ করেই শরতের চিঠি রেখে যেত।
দ্য লায়ন কিং মিউজিকাল, ১৯৯৪ এর ওয়াল্ট ডিজনির পৃথিবী বিখ্যাত অ্যানিমেশন ছবি দ্য লায়ন কিং-এর অনুপ্রেরণায় ডিজনি থিয়েট্রিক্যাল প্রোডাকশান প্রযোজিত একটি স্টেজ মিউজিক্যাল শো।
আজ আবার মনে পড়ে গেল প্রিয়ার সেসব কথা। বাবার ডায়রির ভিতরে ছবিটা পেয়েছিল বলেই না সিদ্ধার্থদের বাড়ি গিয়ে ওর মায়ের পুরনো ছবিটা দেখে চমকে উঠেছিল। সব পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল ওর চোখে। পরের দিন সিদ্ধার্থকে সব বলেছে। সিদ্ধার্থও আবাক হয়েছে। ওরা দু’জনেই চায় এই হারিয়ে যাওয়া মানুষ দু’জন আবার কাছে আসুক।
আমরা বাঙালিরা দুর্গা পূজোর সময় যতই রোদ বৃষ্টি ঝড় হোক না কেন সারাদিন ধরে ঠাকুর দেখাতে কোন কমতি নেই। কারণ মা এই কটা দিনের জন্যই আমাদের কাছে আসেন আর আমরা সারা বছর ধরে এই কটা দিনের আনন্দ করবার অপেক্ষায় অপেক্ষমান থাকি।
ঘুম এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মতো না হওয়ায় পেটে গ্যাস ও হজমের সমস্যা দেখা যায়। তাই পুজোর কটা দিন এবং তার পরে আরও বেশ কিছুদিন খাদ্য তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। সেই সব খাবার পেটের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। পাতে কী কী রাখবেন?
সুবিনয় পায়চারি করছে ছাদে। ছাদের রেলিং ঘেঁষে বেশ কয়েকটি ফুলের টব। তাতে গাঁদা-চন্দ্রমল্লিকা-ডালিয়া ফুটে রয়েছে। ওরা বাপ-বেটি যে যখন সময় পায় পরিচর্যা করে ওদের। প্রিয়া ফুল খুব ভালোবাসে। বড় দুঃখী তার মেয়েটা। জন্মের মাত্র ছ’মাস পরেই মাকে হারাল। সুমিতা না থাকলে কী করে যে প্রিয়াকে মানুষ করত, ভাবতেও ভয় করে সুবিনয়ের।
বাড়ির বড়দের কাউকে চা খেতে দেখলেই মুশকিল। সঙ্গে সঙ্গে চা খেতে ছুটে আসে পরিবারের ছোট সদস্যরা। ব্যস, শুরু হয়ে যায় তাঁদের চা খাওয়ার আবদার। তবে শিশুকে দুধ এবং চিনি দিয়ে ফোটানো গরম চা দেওয়া উচিত নয়। শুধু তাই নয়, ওদের লিকার চা বা কফি খাওয়ানোও সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। কেউ কেউ খুদের আবদার অদের মেটাতে গ্রিন টি খেতে দিয়ে থাকেন।
বেদের মায়া ও তন্ত্রের মহামায়া সমার্থক না হলেও ব্রহ্ম ও মহামায়া মূলত এক। ঈশ্বর ও প্রকৃতি শক্তি যেমন অভেদ। সৃষ্টির আদিতে ব্রহ্মই একমাত্র ছিল। শক্তিকে আশ্রয় করে সৃষ্টি শুরু হলে এই জীবজগৎ প্রকাশ করে তার মধ্যে চৈতন্য রূপে প্রকাশিত হতে থাকল। বেদ ও তন্ত্রের পার্থক্য এই যে, বেদ সিদ্ধান্ত শাস্ত্র আর তন্ত্র সাধন শাস্ত্র। বেদ প্রাচীন অপৌরুষেয় হলেও শক্তিপুজোর উল্লেখ রয়েছে।
রণজয় রায়ও কৃতী অফিসার কিন্তু একজন পেশায় সখের গোয়েন্দা, যার নাটকের দল আছে। যিনি দুটি মাত্র ফিচার ছবি আর কিছু ডকুমেন্টারি বানিয়েছেন তাকে নিয়ে ভৈরব চক্রবর্তীর মাতামাতি কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। রণজয় তার ব্যক্তিগত পরিসরে মন্তব্যও করেছে ফেলুদা ব্যোমকেশ পরাশর কিরীটী রায় বা দীপক চ্যাটার্জি এককালে ছিল, এটা শবর দাশগুপ্তদের যুগ!