আপামর বাঙালি জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসে। আর উৎসবের দিন হলে কোনও কথাই নেই। বাঙালির পার্বণ মানেই উদ্যাপনের সিংহভাগ অংশ জুড়ে থাকে পেট পুরে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলাদা একটা পরিকল্পনাও সব সময় আগে থেকে করা থাকে।
আপামর বাঙালি জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসে। আর উৎসবের দিন হলে কোনও কথাই নেই। বাঙালির পার্বণ মানেই উদ্যাপনের সিংহভাগ অংশ জুড়ে থাকে পেট পুরে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। খাওয়াদাওয়া নিয়ে আলাদা একটা পরিকল্পনাও সব সময় আগে থেকে করা থাকে।
আদ্যাশক্তি মহামায়া হলেন স্বয়ং শক্তি, ব্রহ্মময়ীস্বরূপা। ব্রহ্মশব্দ ক্লীবলিঙ্গ ব্রহ্মণ শব্দ থেকে নিষ্পন্ন হয়েছে। যখন ব্রহ্ম ও শক্তি নিরাকার থাকে অর্ধনারীশ্বরভাবে, তখন কোন সৃষ্টি হয় না। অখণ্ড কালে নিহিত থাকে নিরাকার চৈতন্য বা জ্ঞানরূপ পরব্রহ্ম। জ্ঞানশব্দও ক্লিবলিঙ্গ। কিন্তু যে ব্রহ্মজ্ঞানকে মননের মাধ্যমে ঋষিরা মন্ত্রশক্তি পেয়েছিলেন তা হল সংস্কৃতে পুংলিঙ্গ শব্দ।
‘বড় হলে সে যে কবি হবে, বাবার প্রতিভা তার মধ্যেই প্রকাশ পাবে।’ এমন মনে হয়েছিল রথীন্দ্রনাথের। যাঁর সম্পর্কে এসব কথা, প্রশস্তি-প্রশংসা, তিনি রথীন্দ্রনাথের আদরের ছোট ভাই শমী। রবীন্দ্রনাথেরও কনিষ্ঠ পুত্রকে নিয়ে দুর্বলতা ছিল। সকৌতুকে নিজের নামের সঙ্গে নাম মিলিয়ে বলতেন, ‘শমী ঠাকুর’।
ছবিটা দেখে বাবলি প্রথমে থতিয়ে গিয়েছিল। এতটা সাবধানতা নেবার পরেও এরকম কোনও ছবি উঠবে সেটা সে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। আর তার এই থতিয়ে যাওয়াতেই প্রণয় বাবলির সঙ্গে অরুণাভর সম্পর্কের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেল।
বক পরিবারের এই বৃহত্তম সদস্যটি IUCN তালিকায় least concern হলেও মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় এদের সংখ্যা খুবই কমে গিয়েছে এবং বিচ্ছিন্নভাবে কোনও কোনও জায়গায় এখন দেখা যায়।
ক্রমে বিপদ এবং ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়া অথচ কাউকে কিছু না বলতে পারা এই দোটানার মধ্যে যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েছে সুহানার চরিত্র, যা অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত অভিনয়ের মাধ্যমে ছবির চরিত্রের মতোই পর্দার সুহানা এবং ব্যক্তি জীবনের জাহ্নবী দু’জনেই প্রমাণ করেছেন।
রুমটি প্রায়ান্ধকার। জানালার ভারি পর্দাগুলি সব ভালো করে টানা। পড়ন্ত বিকেলের রোদের আভা যে তাতে সম্পূর্ণ আটকানো গেছে, এমনটা নয়। সারা ঘরময় একটা মিহিন কুয়াশার মতো আলো ছড়িয়ে আছে। ঘরের মধ্যে কুলার চলছে, ফলে রুমের ভিতরের আবহাওয়া খুব মনোরম। বাইরের তপ্ত চাটুর মতো গনগনে হাওয়া রুমের ভিতরে একরত্তিও নেই।
ভার্জিনিয়ার মানসিক অসুস্থতার শিকড় তার শৈশবে। সৎ ভাই জর্জ ডাকওয়ার্থ-এর যৌন হেনস্থার শিকার হন মাত্র ছ’ বছর বয়সে। তারপর আবার মায়ের মৃত্যুর পর সমবেদনা জানানোর অছিলায় ভার্জিনিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন জর্জ। পরবর্তীকালে তার জীবনীকার এই মনোবেদনার কথা লিখেছেন।
এখনকার শিশুদের সামান্য অসুখেই বাবা-মায়েরা অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। চিকিৎসকদের একাংশ সমস্যার সমাধানে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোর পরামর্শ দেন। এর ফলে খুব তাড়াতাড়ি রোগ সেরে যায় ঠিকই, কিন্তু শিশু ভিতরে ভিতরে অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে।
রণজয়কে বলেছিল পুলিশ আসার আগে এই হোটেল কর্মী ভিকটিমের ঘরে ঢুকেছে এবং ঘর থেকে বেরিয়েছে। তাই এই অংশের ভিডিয়োটা সে বারবার দেখতে চায়। পুলিশ ওইদিনের সমস্ত ক্যামেরার সমস্ত ভিডিয়ো ক্লিপিং বাজেয়াপ্ত করেছে।
অযোধ্যা, প্রয়াত রাজা দশরথের শোকে মুহ্যমান। রাজার অবর্তমানে রাজ্যের ভবিষ্যৎ বিষয়ে চিন্তিত মন্ত্রীবর্গ। পুরুষানুক্রমে, রাজতন্ত্রে, সিংহাসনের উত্তরাধিকারী জ্যেষ্ঠ পুত্র রাম। তিনি বনবাসী। সঙ্গে রয়েছেন ছায়াসঙ্গী অনুজ লক্ষ্মণ। অন্য দুই পুত্র, ভরত ও শত্রুঘ্ন মাতামহের আলয় কেকয়রাজ্যে অবস্থান করছেন। রাজাবিহীন রাজ্য যে অস্তিত্বহীন। অমাত্যদের অনুরোধক্রমে মহর্ষি বশিষ্ঠ অবিলম্বে কুমারদের বার্তা প্রেরণের আদেশ দিলেন। প্রথমেই কোন অশুভ সংবাদ নয়।
একবার গড়বেতা থেকে এক ভক্ত স্বামী-স্ত্রী তাদের চারজন মেয়ে ও কোলের ছোট ছেলেকে নিয়ে হেমন্তকালে আধপাকা ধানের আল পেরিয়ে গরুর গাড়ি করে নয় ক্রোশ পথ সারা রাত চলে সকালে জয়রামবাটি পৌঁছন। জিবটে গ্রামের পূর্বপ্রান্তে বড়রাস্তায় গাড়ি রেখে দেড়মাইল মাঠ হেঁটে এসে তারা দশটার সময় শ্রীমার নতুন বাড়িতে আসেন। তখন তাদের ছেলেটি ম্যালেরিয়া জ্বরে অসুস্থ।
সিংহ পশুরাজ। তার কাজকর্মে রজোগুণের উৎসাহ, উৎসাহের চোটে কখনও নির্বোধের মতো কাজ করলেও খারাপ কাজ তার নীতিবিরুদ্ধ। শেয়াল অবশ্য তেমনটা নয়, প্রাংশুলভ্যে ফলে লোভ দেওয়া থেকে ছলচাতুরি করে অপ্রাপ্যকে হাতানোর প্রতারণাকৌশল তার নখদর্পণে। সিংহমামা আর শেয়ালমামার এই ফারাকটুকু বুঝে নিয়ে গল্পে এগোনো যাক।
কখনও কখনও এমন হয় যে অফিসে পৌঁছতে না পৌঁছতেই শরীরে ক্লান্তি এসে জড়ো হয়। কিছুতেই কাজে মন বসে না। চোখে ঘুম ঘুম ভাব। বহু মানুষেরই এমনটা হয়ে থাকে। মুশকিল হল এমন কেন হচ্ছে তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।