কাপাডিয়া রিসেপশনে বসে সেই কথাই ভাবছিলেন। যদি পিশাচপাহাড় নামের এই রিসর্টটি এখানে না চালু হত, তাহলে আজ এই জায়গার যে-রমরমা, তা স্বপ্নই থেকে যেত। কথাটা অহংকারের মতো শোনালেও, আশেপাশের অন্যান্য রিসর্ট-হোটেলগুলিও এতকাল এই কথা স্বীকার করে এসেছে।
কাপাডিয়া রিসেপশনে বসে সেই কথাই ভাবছিলেন। যদি পিশাচপাহাড় নামের এই রিসর্টটি এখানে না চালু হত, তাহলে আজ এই জায়গার যে-রমরমা, তা স্বপ্নই থেকে যেত। কথাটা অহংকারের মতো শোনালেও, আশেপাশের অন্যান্য রিসর্ট-হোটেলগুলিও এতকাল এই কথা স্বীকার করে এসেছে।
গ্যাসের সমস্যায় কমবেশি প্রত্যেকেই ভোগেন। সঙ্গে অ্যাসিডিটি, বদহজম, পেটে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা তো রয়েইছে। এ সবের মূল হল, কারণ জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাস। যে কারণে আমাদের পরিপাক ক্ষমতা ভীষণ ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। আর তার ফলে বিভিন্ন রকম সমস্যার দেখা যায়।
সেবার বোধিসত্ত্ব রাজার ঘরে জন্মেছেন। ক্রমে ক্রমে তিনি কালের নিয়মেই সিংহাসনে আসীন হলেন। রাজ্যাধিকার পেয়ে ধর্মমতে প্রজাপালন করতে লাগলেন। এক ব্রাহ্মণ রাজার রাজপুরোহিত ছিলেন, তাঁর নাম রুহক। এই কাহিনি এই রুহকের। জাতকমালার অন্তর্গত রুহক জাতক।
কাজিরাঙার উত্তর দিকে রয়েছে অসমের সর্ব বৃহৎ নদ ব্রহ্মপুত্র। দক্ষিণে রয়েছে কার্বি পাহাড়ের অংশ বিশেষ। কাজিরাঙায় প্রতিবছরই পরিযায়ী পাখিরা আসে। পাখিদের অন্যতম জায়গা হয়ে উঠে উদ্যানের ভিতরে থাকা ছোট ছোট জলাশয়। সেখানে তারা মাছ খায়। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত পরিযায়ী পাখিরা এখানে আতিথেয়তা গ্রহণ করে।
না, ইউটিউবার সরাসরি ডাক্তার সুরজিত ব্যানার্জির নাম উল্লেখ করেছেন তাঁর মধ্যরাতের ভিডিয়োতে। আর গত ভিডিয়োতে এয়ার টিকিট, রিভার ক্রুজের টিকিট সব জায়গায় ডক্টর লেখার পরের অংশটুকু কালো কালিতে ঢাকা ছিল। আজকের ভিডিয়োতে সেই ডকুমেন্টগুলোতেই আর কোনও রাখঢাক নেই।
পিতার মৃত্যু ও জ্যেষ্ঠ রাম ও সীতা, লক্ষ্মণের বনবাস এবং তার কারণ জেনে, কৈকেয়ীপুত্র ভরত, শোকে বিধ্বস্ত ও উত্তেজিত হলেন। বাগ্বিশারদ, ঋষি বশিষ্ঠ ভরতকে সান্ত্বনা দিলেন। হে রাজপুত্র মহাযশস্বি ভরত, শোকার্ত হয়ো না। সময় হয়েছে। নৃপতি দশরথের পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন কর। অলং শোকেন ভদ্রং তে রাজপুত্র মহাযশঃ। প্রাপ্তকালং নরপতে কুরু সংযানমুত্তমম্।।
শ্রীমার জনৈক ভক্ত তাঁর প্রসাদ পাবার জন্য অতি ব্যাকুল হল। মা সারদা একটি সন্দেশ হাতে নিয়ে ঠাকুরকে দৃষ্টিভোগ দিয়ে এবং নিজের জিহ্বাগ্রে সেটি ঠেকিয়ে ভক্তকে খুব আনন্দের সঙ্গে দিলেন ও বললেন,’বাবা, খাও প্রসাদ’। স্বামী সারদেশানন্দ ঠাকুর এবং শ্রীমার দেশ দেখে কলকাতায় ফিরছিলেন।
২০২০ সালে ক্যানসারে প্রয়াত হয়েছিলেন অভিনেতা ঋষি কাপুর। সেই আকস্মিক ঘটনা জীবনকে নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছিল রণবীর কাপুরকে। আগের রণবীর আর পিতৃহারা রণবীরের মধ্যে তখন আকাশপাতাল পার্থক্য। সে কথা মনে পড়লে বিমর্ষ হয়ে পড়েন ঋষি-পুত্র রণবীর। তবে শিক্ষণীয় দিকগুলি তিনি মনে রেখে দিয়েছেন বলেই জানান।
ঘর আলো করে যখন ছোট্ট সোনারা বাড়িতে আসে, তখন সারা বাড়ি খুশিতে ঝলমল করলেও সদ্যোজাত মায়ের শরীরে কিন্তু আসে নানা ধরনের পরিবর্তন। এই সময় শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মানসিক পরিবর্তন দেখা দিয়ে থাকে।
দুর্ভাগ্য এমনই যে কোনও নির্ধন ব্যক্তি যদি কোনও ধনি ব্যক্তির ঘরে কিছু দান করবার ইচ্ছাতেও আসেন তাহলেও লোকে ভাবে সে হয়তো কিছু চাইতেই এসেছে। দরিদ্রের কপাল থেকে যাচক-নামের কলঙ্ক ঘোছে না। জীবনে দারিদ্র এক বিরাট অভিশাপ।
বীরেন্দ্র কিশোর রাজা হবার পর কোন কোন দিক থেকে আক্রমণ আসতে পারে কবি সেটা অনুমান করে আগেভাগেই রাজার ভাই ব্রজেন্দ্র কিশোরকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করে রাজপরিবারে বিভেদের বীজ বপনের আশঙ্কা করেছিলেন কবি।
বেলগাছিয়া ভিলায় ছিল সাহেব-মেমের আনাগোনা। সমবেত অতিথিদের মনোরঞ্জনের জন্য আসত শহরের সেরা গাইয়ে ও বাজিয়েরা। নাচ-ঘরের পাশাপাশি গান-ঘরটিও ছিল সুন্দর করে সাজানো। পাথরের ঘড়ি, নানা দেশের ফুলদানি, মার্বেলের আসবাব, আসবাবের সঙ্গে মানানসই ‘কমলালেবু রঙের দুর্মূল্য রেশমের পর্দা’।
বাবা এরকম কিছু একটা আন্দাজ করেছিলেন। বাবা একবার মায়ের দিকে তাকালেন। হয়তো নিঃশব্দে বলতে চাইলেন, প্রণয়ের জন্য আর কত পাপ করতে হবে। মা-ও তাঁর দৃষ্টিতে হয়ত বুঝিয়ে দিলেন, প্রণয় নয় বাবলির জন্য করতে হবে। বাবা চুপ করে চোখ বুজিয়ে ভাবলেন। আসলে এটা যেন সেই বিশেষ মুহূর্ত, যখন সাহিত্যিক অমলকান্তি দত্ত তাঁর নিজস্ব ঈশ্বরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন।
আমার শৈশবে সুন্দরবনের গণ্ডগ্রামে সন্ধে হলেই বেশ জোরে জোরে একটা শব্দ পিছনে পুকুরপাড় থেকে শোনা যেত। শব্দটা বাড়ির সামনে খালের দিক থেকেও শুনতে পেতাম। তারস্বরে কেউ বা কারা যেন ডেকে চলেছে—’ওয়াক ওয়াক ওয়াক’। বড়দের মুখে শুনতাম, এই ডাক হল রাতচরার ডাক। রাতচরা হল এক ধরনের বক, যারা সন্ধে হলে খাবারের সন্ধানে বেরোয়।
আদ্যন্ত কমেডি ছবি যাতে অ্যাকশন এসেছে কমেডির অঙ্গ হিসেবে। ছবির অনেকটা জুড়ে পুলিশ ট্রেনিংয়ের খুঁটিনাটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মজা বেশ উপভোগ্য। দামিনী ওরফে ডাকিনীর ভূমিকায় রেজিনা ক্যাসান্দ্রা এবং শালিনী ওরফে শাকিনীর ভূমিকায় নিভেথা টমাসকে বেশ ভালো লাগে। অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নিলেও রেজিনা এমএসসি (সাইকোলজি) আর নিভেথা ব্যাচেলর অফ আর্কিটেকচার। মূল কোরিয়ান ছবিতে দু’জন নায়ককে নিয়ে এই গল্প ছিল যেটি ছবির পরিচালক সুধীর বর্মা দু’জন নায়িকাতে রূপান্তর করেছেন।